চবির সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের সমঝোতা স্মারক।

চবি রিপোর্টার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস -এর সঙ্গে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) ও বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফআইডিসি)–এর মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে ।

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইয়াহ্‌ইয়া আখতার, উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন এবং ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য অতিথিদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বাঁশ ও অন্যান্য বনজ পণ্যের উন্নয়ন, উৎপাদন, বাণিজ্যিকীকরণ ও ব্যবস্থাপনায় নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে। পাশাপাশি ত্রিপক্ষীয় গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথ উন্মোচিত হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএফআইডিসি চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ, বিএফআরআই-এর মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান, চবি ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আকতার হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিচালক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর ড. মো. দানেশ মিয়া, বিএফআইডিসি চট্টগ্রাম (সিএমপি) এর ব্যবস্থাপক উজ্জ্বল কুমার হাওলাদার, বিএফআইডিসি এসএমপি অ্যান্ড এফইউ কালুরঘাট-এর ব্যবস্থাপক মো. আতিকুর রহমান,

বিএফআইডিসি চেয়ারম্যানের পিএস মো. নজমুল হক, হিসাব ব্যবস্থাপক মো. আবদুল ওয়াজিদ, ইউনিট প্রধান (ডব্লিউটিপি) সন্দীপ কুমার সরকার, বিএফআরআই-এর বিভাগীয় কর্মকর্তা আনিসুর রহমান ও মো. আনিসুর রহমান, বিএফআইডিসি রাবার বিভাগ চট্টগ্রামের মহাব্যবস্থাপক এ.এ.এম. শাহাজাহান সরকার, বিএফআইডিসি ফিডকো ফার্নিচার কমপ্লেক্স কালুরঘাট-এর উপ-ব্যবস্থাপক মো. আরিফ হোসেন ও এলপিসি কাপ্তাই-এর সহকারী মহাব্যবস্থাপক তীর্থ জিৎ রায়সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।

সমঝোতা স্মারকে চবির পক্ষে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিএফআইডিসি-এর পক্ষে চেয়ারম্যান মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ এবং বিএফআরআই চট্টগ্রাম-এর পক্ষে মুখ্য গবেষণা কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষর করেন।

উল্লেখ্য, এ ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে গবেষণালব্ধ ফলাফল ব্যবহার করে বাঁশ, বেত ও অন্যান্য বনজ সম্পদজাত পণ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা ও বাণিজ্যিকীকরণ নিশ্চিত করা হবে। বিএফআইডিসি ও বিএফআরআই-এর প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট/কারখানার মেশিনারিজ ব্যবহার করে বাঁশজাত নমুনা পণ্য উন্নয়ন ও উৎপাদন করা হবে। প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) সম্পন্ন হওয়ার পর প্রয়োজনীয় মেশিনারিজ সংগ্রহ করবে বিএফআইডিসি। এছাড়াও কার্যকর লে-আউট ডিজাইন করে কাঁচামাল স্থানান্তরের সময় কমিয়ে উৎপাদন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি হ্রাস করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে।

বাঁশজাত পণ্য উৎপাদনের সময় সৃষ্ট বর্জ্য দিয়ে অর্থকরী পণ্য তৈরির সম্ভাবনা যাচাই, গবেষণা ও উন্নয়নে বিএফআরআই ও চবির ইনস্টিটিউট অব ফরেস্ট্রি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস কাজ করবে এবং বিএফআইডিসি তা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে। যৌথ গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে বাজারে কার্যকর সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধরে রাখতে শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধাদের সর্বোচ্চ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনে অংশ নেওয়া সাহসী মানুষদের যথাযথ মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর আন্দোলন ছিল না। ছাত্র, শ্রমিক, কৃষক, নারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণে স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে এই ঐতিহাসিক আন্দোলন গড়ে উঠেছিল। তাই এই আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং শহীদ ও আহতদের সম্মান রক্ষা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।

রবিবার (২ আগস্ট) দুপুরে নগরীর কাজীর দেউরী সেনা কল্যাণ কনভেনশন সেন্টারে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ আয়োজিত শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা স্মারক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর। সঞ্চালনা করেন ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ এর যুগ্ম সম্পাদক আহমদ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, আন্দোলনের সময় রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে ছাত্রদের সামনের সারিতে রেখে আমরা পেছন থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি। শেখ হাসিনা যাতে আন্দোলনকে কোনো রাজনৈতিক দলের নামে আখ্যায়িত করতে না পারে, সে কারণেই এই কৌশল গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে আন্দোলনের প্রতিটি পর্যায়ে আমরা রাজপথে ছিলাম এবং আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছি।তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গুলিবিদ্ধদের দেখতে এবং শহীদদের মরদেহের খোঁজ নিতে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গিয়েছি। সেই সময় চিকিৎসকরাও অসাধারণ সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাদের অবদান জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।

মেয়র বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ পরিবার, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাদের সম্মান, পুনর্বাসন ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে। আমরা চাই, তারা মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের মতোই জাতির সম্মানিত আসনে অধিষ্ঠিত থাকুক।তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল করি বলে সব কৃতিত্ব আমাদের, এমন দাবি করি না। জুলাই আন্দোলন ছিল সর্বস্তরের মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম। এই ঐক্যের শক্তিই স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে। এখন প্রয়োজন নতুন বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করা।

নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশার কথা তুলে ধরে মেয়র বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং অবাধ ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। মিথ্যা ও অপপ্রচারের রাজনীতি নয়, বাস্তবভিত্তিক উন্নয়নই এখন সময়ের দাবি।চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন, সবুজ, স্বাস্থ্যকর ও জলাবদ্ধতামুক্ত নগর গড়ে তোলার লক্ষ্যে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা প্রয়োজন।

সভাপতির বক্তব্যে আবুল হাশেম বক্কর বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান একদিনে সৃষ্টি হয়নি। দীর্ঘ ১৬-১৭ বছরের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, ত্যাগ, নির্যাতন ও আত্মদানের ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে এই গণঅভ্যুত্থানের জন্ম হয়েছে।তিনি বলেন, জুলাইয়ের শহীদ, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের সাহসী অংশগ্রহণকারীদের স্মৃতি অম্লান রাখতেই এ আয়োজন। তাদের আত্মত্যাগের কারণেই বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, স্বৈরাচারী শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা অসংখ্য মামলা, গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কিন্তু তারা রাজপথ ছেড়ে যাননি। সেই দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ধারাবাহিকতাই শেষ পর্যন্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে চূড়ান্ত রূপ লাভ করে।অনুষ্ঠানে ১২ জন শহিদ পরিবার এবং ১১০ জন আহত জুলাই যোদ্ধাকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শহিদ ফয়সাল শান্তের বাবা, আমরা জুলাই যোদ্ধা চট্টগ্রামের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম আবির, স্মৃতিচারণ করেন আহত জুলাই যোদ্ধা গাজী রাসেল, ওসমান কাশেমী, মো. লিটন, সোলাইমান স্বপন। আয়োজক কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন শহিদুল ইসলাম সজীব।

বোয়ালখালী পৌরসভার আমান আলী ও নজু মিয়া ফকির সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বহদ্দারপাড়া এলাকার আমান আলী ও নজু মিয়া ফকির সড়কের উন্নয়ন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) সকালে বহদ্দারপাড়া এলাকার আমান আলী ও নজু মিয়া ফকির সড়কের উন্নয়ন কাজের

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ও বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক মো.শওকত আলম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্নয়ন কাজের সূচনা করেন বোয়ালখালী উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজি আবু আকতার ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোয়ালখালী পৌরসভা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শহীদুল্লাহ চৌধুরী, বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. সিরাজুল ইসলাম,পৌরসভা বিএনপি নেতা ও কাস্তুরী হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের পরিচালক মো.লোকমান, বিএনপি নেতা বশির আহমদ, মো. সেলিম, যুবদল নেতা একরামুল হক জিকু, বিএনপি নেতা জামাল উদ্দিন, খোরশেদ আলমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিএনপি ও
অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং এলাকাবাসী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ,দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য মো. শওকত আলম, বোয়ালখালী পৌর প্রশাসক কানিজ ফাতিমা এবং হাজি আবু আকতারের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই সড়ক গুলোর উন্নয়ন কাজ শুরু হয়েছে।

এতে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।তারা আরও বলেন, সড়ক গুলোর উন্নয়ন কাজ সম্পন্ন হলে স্থানীয় জনগণের যাতায়াত সহজ ও নিরাপদ হবে এবং এলাকার সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। একই সঙ্গে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ