আজঃ শনিবার ২ মে, ২০২৬

আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সব স্টেকহোল্ডারকে এক প্ল্যাটফর্মে আনতে হলে পোর্ট ইউজারস ফোরাম কার্যকর করা জরুরি

চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব করতে হবে:চসিক মেয়র।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব করতে হবে। দেশের আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের সিংহভাগ পরিচালিত হয় এই বন্দর ঘিরে। তাই বন্দরকে ঘিরে যারা ব্যবসা করছেন, তাদের যথাযথ সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। চট্টগ্রাম বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে। তিনি

চট্টগ্রাম কাস্টমস এজেন্টস এসোসিয়েশনের সাথে আগ্রাবাদ সিএন্ডএফ টাওয়ারস্থ এসোসিয়েশন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘আমদানি রপ্তানি সংক্রান্ত সিএন্ডএফ কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসমূহ নিরসন’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।সভায় সভাপতিত্ব করেন এসোসিয়েশনের সভাপতি এস এম সাইফুল আলম এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোঃ শফিউল আজম খান।

সভাপতি এস এম সাইফুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর দেশের অর্থনীতির হৃদপিন্ড। দুই হাজার আট শতাধিক সিএন্ডএফ এজেন্ট ও তাদের আট হাজারের বেশি কর্মচারী আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের সাথে সরাসরি যুক্ত থেকে নিরলসভাবে কাজ করে রাজস্ব আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তিনি বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সিএন্ডএফ এজেন্টদের বিরূদ্ধে যেসব কালো আইন করা হয়েছে তা বাতিলে মেয়রের সহযোগিতা চান। তিনি মেয়রের কাছে সিএন্ডএফ এজেন্টদের ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নের জন্য এসোসিয়েশন কার্যালয়ে একটি সিটি কর্পোরেশন বুথ স্থাপনের দাবী জানান।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে সব স্টেকহোল্ডারকে এক প্ল্যাটফর্মে আনতে হলে পোর্ট ইউজারস ফোরাম কার্যকর করা জরুরি। এ লক্ষ্যে তিনি মেয়রকে পোর্ট ইউজারস ফোরামের দায়িত্ব গ্রহণের আহবান জানান, যেন মেয়রের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে বন্দর সংক্রান্ত সমস্যা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়।

এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শওকত আলী বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর নগরের নালা-নর্দমা ও খালসমূহ পরিষ্কারে ত্বরিত পদক্ষেপের ফলে এ বছর নগরবাসী জলাবদ্ধতার কষ্ট থেকে রেহাই পেয়েছে। এজন্য তিনি মেয়রকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা

জানান। তিনি আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত সিএন্ডএফ কার্যক্রমে বিদ্যমান বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতাসমূহ তুলে ধরে বন্দরের চারগুন হারে স্টোররেন্ট কমানো, অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সার্ভার সমস্যা, বাজেটে বিভিন্ন এইচ.এস.কোড পরিবর্তনে শুল্কায়ন সমস্যা, স্টীভিডোরদের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, শ্রমিক সরবরাহে অনিয়ম ও বকশিস দাবী, বন্দর গেইট এলাকায় যানজট নিরসন, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ওজন স্কেল সমস্যা ইত্যাদি বিষয়ে মেয়রের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। তিনি বলেন, চট্টগ্রামের উন্নয়ন মানে বাংলাদেশের উন্নয়ন।

মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন বলেন, এ শহরকে ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও সেইফ সিটিতে রূপান্তরের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। মনোরেল, ওয়ান সিটি টু টাউন, ইকো সিটি, পর্যটন জোন, ৪১টি ওয়ার্ডে খেলার মাঠ, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তর, স্কুল শিক্ষার্থীদের পরিস্কার-পরিচ্ছনতা
বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ নানা উন্নয়নমুখী

পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বন্দর গেইট এলাকায় যানজট নিরসনে পুলিশের এডিসি ট্রাফিক ও ডিসি পোর্টকে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহবান জানান। বন্দরের অস্বাভাবিক স্টোররেন্ট কমাতে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু ও নবায়নে সিএন্ডএফ এজেন্টদের তাৎক্ষণিক সেবা দিতে এসোসিয়েশন কার্যালয়ে সিটি কর্পোরেশনের বুথ স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেন।

তিনি জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ওজন স্কেল সমস্যার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বন্দরকে ব্যবসাবান্ধব করার জন্য যা যা পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার মো. রুহুল আমিন, চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ, বিজিএমইএ পরিচালক এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব জাহিদুল করিম কচি, বাফা’র সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট খায়রুল আলম সুজন। উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জয়েন্ট কমিশনার মোঃ মারুফুর রহমান ও চপল চাকমা, বিজিএমইএ এর পরিচালক এনামুল আজিজ চৌধুরী, উপ-পুলিশ কমিশনার (বন্দর) মোঃ আমিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম

জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব আলহাজ্ব মোরশেদুল আলম কাদেরী, বিসিএসআইআর এর সায়েন্টিক অফিসার সম্রাট মোহাইমিনুল ইসলাম ও মোঃ রিফাত হোসেন সহ বিভিন্ন বাণিজ্যিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, এসোসিয়েশনের উপদেষ্টামন্ডলী ও কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, সিএন্ডএফ কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মহান মে দিবসে চসিক জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক ইউনিয়ন ২১-এর উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও বিশাল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে র‍্যালিটি নাসিমন ভবনে গিয়ে শেষ হয়।সংগঠনের সভাপতি দিদারুল আলম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় শ্রমিকদের অধিকার, ন্যায্য মজুরি এবং কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মোঃ সেলিম ভুইঞা, মোঃ বশির,শাহেদ আলম, মাবুদ, নাছির, শাহ আলম,মোঃজামশেদ, মহিউদ্দিন, মোঃমফজ্জল,হেদায়েত উল্ল্যা মোঃইসমাইলসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।অনুষ্ঠানে উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত সাইফুল ও সোমনাথ রাজু। এছাড়াও শ্রমিক ইউনিয়নের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থক অংশগ্রহণ করেন।সভায় বক্তারা বলেন, মহান মে দিবস শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের প্রেরণার উৎস। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

বোয়ালখালীতে জামায়াতে ইসলামী’র কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা ও পৌরসভা শাখার উদ্যোগে এক কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১ মে) সকাল ৯টায় স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে জুমার নামাজ শেষে মেজবানের আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আমীর মুহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি ইমাম উদ্দিন ইয়াছিনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামী’র আমীর মুহাম্মদ আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সহকারী সেক্রেটারি মোঃ জাকারিয়া, চট্টগ্রাম ন্যাশনাল হাসপাতালের পরিচালক ও বোয়ালখালী উপজেলা নায়েবে আমীর ডা. আবু নাছের।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও জামায়াতের আমীর মোঃ ইসমাইল হোসেন, সেক্রেটারি জসিম উদ্দিন সরকার, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ ইকবাল, বোয়ালখালী উপজেলা মহিলা জামায়াতের সভাপতি নাহিদ পারভিন, অঞ্চল পরিচালক এলিনা সুলতানা, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা মফিজুর রহমান, ওলামা বিভাগের সভাপতি মাওলানা দিদারুল আলম, বোয়ালখালী পৌরসভা ও পোপাদিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দসহ অনেকে। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন রেনেসা ও দিগন্ত শিল্পী গোষ্ঠী।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ