আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রয়োগ মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করে: চুয়েট ভিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয় বলেছেন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং চিকিৎসাবিদ্যা ও প্রকৌশলের মাঝে একটি সেতুর ন্যায় কাজ করে। এখানে চিকিৎসাবিদ্যা ও জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন সমস্যা প্রকৌশল বিদ্যা প্রয়োগ করে সমাধান করা হয়। চিকিৎসাক্ষেত্রে প্রকৌশলের প্রয়োগ ঘটিয়ে স্বাস্থ্যসেবা, রোগ নির্ণয় পদ্ধতি ও মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করার প্রচেষ্টা চালানো হয়।

রোগ নিয়ে গবেষণা, মেডিকেল ইকুয়েপমেন্টের উন্নয়ন, রোগ নির্ণয়ের নতুন ও কার্যকরী পদ্ধতি আবিষ্কার, আর্টিফিশিয়াল প্রস্থেটিকস ডিজাইনিং এবং চিকিৎসাক্ষেত্রের সামগ্রিক মান উন্নয়ন করার নিরন্তর প্রচেষ্টা চালানো হয় বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে। দেশের স্বাস্থ্য খাতকে সুসংগঠিত করতে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো বিভাগের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। চুয়েটের বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ আগামী দিনে শিক্ষা-গবেষণায় আরো অনেক অবদান রাখতে পারবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

বৃহস্পতিবার চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিএমই) বিভাগ কর্তৃক আয়োজিত “বিএমই বিটস-২০২৫” এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন চুয়েটের তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন, আইইবি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মানজারে খোরশেদ আলম, এপিক হেলথ কেয়ার এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী এসএম লোকমান কবির। এতে সভাপতিত্ব করেন চুয়েটের বিএমই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশ। আরও বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী তানভীর আহমেদ ও বিএমই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ ফজলুল করিম খন্দকার। বিদায়ী ব্যাচের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন হাফসা খান ত্রিনা, আরিফা তানজিম ও জোবায়ের বিল্লাহ অর্নব। এতে সঞ্চালনা করেন বিএমই ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মুসারাত হাবিব।

প্রসঙ্গত, বিএমই বিটস ২০২৫ অনুষ্ঠানের শুরুতে একটি র‌্যালী বিএমই বিভাগ থেকে শুরু হয়ে অডিটোরিয়াম শেষ হয়। এরপর কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। দুপুরে “ফটোনিক্স ফর ইমার্জিং এপ্লিকেশন ইন বায়োমেডিক্যাল ইমেজিং এন্ড সেনসিং” শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে কী-নোট স্পিকার ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের অধ্যাপক ড. কাজী তানভীর আহমেদ। এছাড়া, উক্ত অনুষ্ঠানে ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের বিদায় দেওয়া হয়। এতে স্পন্সর হিসেবে ছিল পার্টিক্যালস বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ডেসকো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীবরদীর জামায়াতের সেক্রেটারি নিহতের ঘটনায় ঢাবি ছাত্রদের প্রতিবাদ মিছিল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় জামায়াত ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দিবাগত রাত পৌনে ১০টায় তিনি মারা যান। এই প্রাণহানির ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ