আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামকে নিরাপদ সিটি গড়তে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে : মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শুধু মেধাবী শিক্ষার্থী তৈরি করলেই হবে না, তাদের দেশে ধরে রাখতে হলে জীবনমান উন্নয়নে সরকারি পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।নগরের প্রবর্তক মোড়স্থ সাম্পান রেস্তোরাঁ মিলনায়তনে টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন (টিসিজেএ), চট্টগ্রাম আয়োজিত সদস্যদের সন্তানদের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্ব অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

মেয়র শাহাদাত বলেন, শিক্ষার্থীরা স্থানীয় সমস্যার সমাধান উদ্ভাবন ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উদ্যোগী হলে দেশের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠবে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রীন, হেলদি ও নিরাপদ সিটি হিসেবে গড়ে তুলতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে চসিকের ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে তারা ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম ও সর্বোপরি দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এজন্য শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখব।

অনুষ্ঠানে তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ক্রেস্ট ও উৎসাহমূলক উপহার তুলে দেন। তাছাড়া সংগঠনের সদস্য সদ্য প্রয়াত নাসিরুল আলমের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা ও টিভি ক্যামেরা জার্নালিস্টস এসোসিয়েশনকে সার্বিক সহযোগিতার ঘোষণা দেন।
এসোসিয়েশনের সভাপতি শফিক আহমেদ সাজীবের সভাপতিত্বে ও সহ সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলমগীরের সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনজুর আলম চৌধুরী মন্জু, সাবা ডিস্ট্রিবিউশনের কর্নধার লায়ন মো. আমান উল্লাহ, এশিয়ান স্পেশালাইজ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন সালাউদ্দীন আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন টিসিজেএ সাধারণ সম্পাদক মো. আশরাফুল আলম চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাবেক সভাপতি এনামুল হক, সহ সভাপতি মো. আলী আকবর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দিন।

উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী, সিটি মেয়রের এপিএস মারুফুল হক চৌধুরী ও জিয়াউর রহমান জিয়া, টিসিজেএ সাবেক সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাশ বাবু, অর্থ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক বাসু দেব, দপ্তর সম্পাদক মো. পারভেজ রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাইমুন আল মুরাদ, নির্বাহী সদস্য যথাক্রমে মো. নুর হাসিব ইফরাজ, মো. সাইফুল ইসলাম, রবিউল হোসেন টিপু।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ