টালমাটাল চট্টগ্রামে ইস্পাত শিল্প, উৎপাদন খরচ ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি

নিজস্ব প্রতিবেদক

সক্ষমতার তুলনায় উৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সক্ষমতার তুলনায় উৎপাদন ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ
টালমাটাল চট্টগ্রামে ইস্পাত শিল্প, উৎপাদন
খরচ ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি
ছবি-১
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামে রডের চাহিদা কমে যাওয়ায় ইস্পাত শিল্পে মন্দাভাব বিরাজ করছে। অন্যদিকে কাঁচামাল সংকটে ধুঁকছে ইস্পাত শিল্পকারখানাগুলো। ইস্পাতের কাঁচামাল জোগানদানকারী শিপব্রেকিং ইয়ার্ডগুলোয়ও চলছে দুর্দিন। প্রয়োজন অনুযায়ী পুরোনো জাহাজ ও কাঁচামাল আমদানি করতে না পারায় ব্যাহত হচ্ছে উৎপাদন।এ অবস্থায় ইস্পাত কারখানাগুলো উৎপাদন সক্ষমতা অনুযায়ী চালাতে পারছে না। তাতে লোকসান গুনছেন ইস্পাত খাতের শিল্প মালিকেরা।
চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠিত ইস্পাত শিল্পগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ স্টিল রি-রোলিং মিলস বা বিএসআরএম, আবুল খায়ের স্টিল (একেএস), জিপিএইচ ইস্পাত, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিল (আরএসআরএম), কবির স্টিল রি-রোলিং মিল (কেএসআরএম), এইচএম স্টিল, গোল্ডেন ইস্পাত, শীতলপুল অটো স্টিল মিল (এসএআরএম), বায়েজিদ স্টিল, সীমা স্টিল মিলস, পিএইচপি ইন্টিগ্রেটেড স্টিল মিল ইত্যাদি। এসব কারখানাই দেশের ইস্পাত খাতের রড উৎপাদনের প্রায় ৭০ শতাংশ চাহিদা পূরণ করে থাকে। তবে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি ও চাহিদা কমে যাওয়ার কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে আরএসআরএম, এসএস স্টিল, গোল্ডেন ইস্পাত, ইসলাম স্টিলসহ কয়েকটি ইস্পাত শিল্প।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইস্পাত শিল্পের কাঁচামাল স্ক্র্যাপ শতভাগ আমদানিনির্ভর। এর মধ্যে পুরোনো জাহাজ কিনে ভাঙার মাধ্যমে ২৫ শতাংশ স্ক্র্যাপের জোগান দেয় শিপব্রেকিং ইয়ার্ডগুলো। বাকি ৭৫ শতাংশ স্ক্র্যাপ বিদেশ থেকে আমদানি করে ইস্পাত কারখানাগুলো। তাই আমদানিনির্ভর এই ইস্পাত শিল্পের অবস্থা এখন টালমাটাল।
স্ক্র্যাপ ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ঢাকা ও চট্টগ্রামে ৮০-৮৫টি অটো রি-রোলিং মিল রয়েছে। যেখানে রড উৎপাদন হয়। সেমি আটো মিল রয়েছে শতাধিক। সেমি অটো বা সনাতন পদ্ধতিতে রড তৈরির কারখানাগুলোর অধিকাংশ বন্ধ হয়ে গেছে। স্ক্র্যাপ আমদানিতে বর্তমানে এলসি খোলার হার কমে গেছে ৭০ শতাংশ। স্ক্র্যাপ আমদানি কমে গেছে ৫০ শতাংশ।
এদিকে দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারের অধিকাংশ উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। পাশাপাশি বেসরকারি আবাসন শিল্পেও স্থবিরতা বিরাজ করছে। ফলে নির্মাণকাজের অন্যতম উপকরণ রডের চাহিদা কমে যায়। এতে উৎপাদনে নামে ধস। এ পরিস্থিতিতে অনেক ব্যবসায়ী ব্যাংকঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করতে পারছেন না। ফলে নতুন করে খেলাপি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
ইস্পাত শিল্পে লোকসান গুনছেন শিল্প মালিকেরা এমনটি উল্লেখ করে এইচএম স্টিল ও গোল্ডেন ইস্পাত লিমিটেডের পরিচালক মোহাম্মদ সরোয়ার আলম বলেন, বর্তমানে ইস্পাত শিল্পগুলো সক্ষমতার তুলনায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন করছে। এতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও কমে গেছে রডের দাম। গত এক মাসের ব্যবধানে চট্টগ্রামে টনপ্রতি রডের দাম কমেছে সর্বনিম্ন ৫ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ৭ হাজার টাকা। তাতে বর্তমানে প্রতিটন রড বিক্রি হচ্ছে ৭৯ হাজার থেকে ৮৪ হাজার টাকায়।
ইস্পাত শিল্প মালিকরা জানান, দেশের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে ইস্পাত শিল্প বর্তমানে এক কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং অনেক শিল্প মালিক লোকসান গুনছেন। এর প্রধান কারণ হলো- চাহিদা হ্রাস, রড উৎপাদন খরচ ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, যা সামগ্রিকভাবে ইস্পাত শিল্পের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। কয়েকটি কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে সরকারের মেগা প্রকল্পগুলোর কাজের ধীরগতি।
ইস্পাত শিল্প মালিকেরা আরও জানান, দেশের চলমান মোট উন্নয়ন কাজের ৬০ শতাংশ হয় সরকারি, বেসরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের। অবশিষ্ট কাজ হয় ভোক্তা পর্যায়ে। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারের মেগা, মাঝারি ও ছোট আকারের প্রকল্পগুলোর উন্নয়ন কাজ বন্ধ হয়ে যায়। একই সমস্যায় পড়ে বেসরকারি ও আধা সরকারি প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কাজও। এমনকি থমকে যায় ভোক্তা পর্যায়ের উন্নয়ন কাজ। তাতে স্থবিরতা নেমে আসে ইস্পাত শিল্পে। এ অবস্থায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে কিছু কিছু উন্নয়ন কাজ শুরু হলেও ইস্পাত শিল্পে গতি আনতে পারেনি। উল্টো দিনে দিনে খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র জানায়, বর্তমানে ইস্পাত শিল্পগুলো সক্ষমতার তুলনায় ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ উৎপাদন করছে। তাতে উৎপাদন খরচ বাড়লেও উল্টো কমে গেছে রডের দাম। এর মধ্যে নতুন করে কাঁচামাল আমদানিতে ভ্যাট ও ট্যাক্স বাড়ানো হয়েছে টনপ্রতি আরও ৯০০ টাকা। এটি আগের ভ্যাট ও ট্যাক্সের ৪ হাজার ২০০ টাকার সাথে যুক্ত হওয়ায় বিপাকে পড়ে যান ইস্পাত শিল্প মালিকেরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ