আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

ডাকসু নির্বাচনে চট্টগ্রামের জয়জয়কার।

এম মনির চৌধুরী রানা চট্টগ্রাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের নির্বাচনে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ২৮টি পদে ভোট হয়। এর মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ শীর্ষ তিনটি পদ, ১২টি সম্পাদকীয় পদ এবং ১৩টি কার্যকরী সদস্য পদ রয়েছে। সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আরও কয়েকজন বিভিন্ন হলে শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন।

ফলাফলে দেখা গেছে, সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার অন্তত ১২ জন প্রার্থী জয় পেয়েছেন। ডাকসুর ২৮টি আসনের মধ্যে ১১টি পদেই জিতেছেন এই এক আসনের প্রার্থীরা। তারা সবাই শিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের অংশ। এর বাইরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের একজন ও পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে দুইজন নির্বাচিত হয়েছেন। প্রায় ৬ বছর পর আয়োজিত এ নির্বাচনে ভোটার সংখ্যা ছিল ৩৯ হাজার ৮৭৪। এর মধ্যে ছাত্র ভোটার ২০ হাজার ৯১৫ এবং ছাত্রী ভোটার ১৮ হাজার ৯৫৯। মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে টানটান উত্তেজনার মধ্যে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি কেন্দ্রে মোট ৮১০টি বুথে ভোট হয়।

সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৪৫ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সব মিলিয়ে প্রতিটি ভোটারকে ৪১টি করে ভোট দিতে হয়েছে। ভোট নেওয়া হয় ওএমআর ফরমে, ৬ পাতার ব্যালটে। ভোট গণনা হয়েছে ১৪টি গণনা মেশিনে।

বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় ডাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। ডাকসুর পূর্ণাঙ্গ ২৮টি পদে প্রার্থী ছিলেন ৪৭১ জন। এর মধ্যে শিবির সমর্থিত প্রার্থীরা ২০টির বেশি পদে জয় পেয়েছে। শুধু সাতকানিয়া-লোহাগাড়া থেকেই জয়ী হয়েছেন ১২ জন। শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে হলভিত্তিক পদ সব জায়গায়ই প্রভাব বিস্তার করেছে এই অঞ্চলের প্রার্থীরা।

সহসভাপতি (ভিপি) হয়েছেন সাতকানিয়ার আবু সাদিক কায়েম। তিনি ১৪ হাজার ৪২ ভোট পেয়ে বিপুল ব্যবধানে জয় পান। সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হয়েছেন লোহাগাড়ার চুনতির এস এম ফরহাদ, যিনি ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট পান। পরিবারের ব্যবসাসূত্রে দুজনের পরিবার যথাক্রমে পরে খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটিতে স্থায়ী হয়।

সম্পাদকীয় পদে স্বামী-স্ত্রীর জয় কমন রুম রিডিং রুম ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক হয়েছেন উম্মে ছালমা। তিনি সাতকানিয়ার সোনাকানিয়া ইউনিয়নের মির্জাখীল গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী রায়হান উদ্দীনও জিতেছেন কার্যকরী সদস্য পদে। তিনি সাতকানিয়ার ছদাহার বাসিন্দা। স্বামী-স্ত্রীর যুগল জয় এবারের নির্বাচনে অনন্য ঘটনা হিসেবে দেখা হয়েছে। শিবির সমর্থিত প্যানেল সম্পাদকীয় পদে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ১২টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৯টিতে জয়ী হয়েছে তারা। বাকিতিনটিতে জয়ী হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা।

সাদিক কায়েম খাগড়াছড়ি বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া আদর্শ মাদ্রাসা থেকে দাখিল এবং পরে চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ থেকে আলিম পাস করেন। এরপর ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে। এসএম ফরহাদ রাঙামাটি জেলার মাইনী গাথাছড়া বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার থেকে দাখিল পাস করেন। এরপর চট্টগ্রামের বায়তুশ শরফ মাদ্রাসা থেকে আলিম পাস করেন। দুজনেই বায়তুশ শরফের শিক্ষার্থী হলেও ছিলেন ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষাবর্ষের।

সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার আরও কয়েকজন বিভিন্ন হলে শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন। এরা হলেন স্যার এএফ রহমান হলের ভিপি রফিকুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভিপি মুসলিমুর রহমান, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের ভিপি ওসমান গণি ও এজিএস আবদুল মজিদ, মাস্টারদা সূর্যসেন হলের পাঠকক্ষ সম্পাদক মো. ইমরান, মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হলের কার্যকরী সদস্য শাহেদ ইমন এবং কবি জসীম উদ্‌দীন হলের কার্যকরী সদস্য রোকন উদ্দীন।

অন্যদিকে বিভিন্ন হলে বাঁশখালীর বাসিন্দা যারা শীর্ষ পদে নির্বাচিত হয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন বিজয় একাত্তর হলের ভিপি শেখেরখীলের হাসানুল বান্না আরাফাত, সূ্র্যসেন হলের জিএস আজিজুল হক, জসিম উদ্দীন হলের জিএস মাসুম আব্দুল্লাহ, শেখ মুজিবুর রহমান হলের সমাজসেবা সম্পাদক আজিজুর রহমান মানিক, জহুরুল হক হলের সদস্য ইমরুল ফয়েজ রাফসান বাংলাদেশ-কুয়েত মৈত্রী হলের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন সন্দ্বীপের মেয়ে কানিজ ফাতেমা।

মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন সম্পাদক পদে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন মহেশখালীর ফাতেমা তাসনিম জুমা। কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন সর্ব মিত্র চাকমা (শিবির সমর্থিত) ও হেমা চাকমা (সাত বামপন্থী সংগঠনের প্রতিরোধ পর্ষদ প্যানেল থেকে)।

ডাকসু ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মেয়ে স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী উমামা ফাতেমা, সাতকানিয়ার বাসিন্দা বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় আহবায়ক আবদুল ওয়াহেদ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী বোয়ালখালী পৌরসভার বাসিন্দা আবু তৈয়ব হাবিলদার।

এছাড়া স্বতন্ত্র ভিপি প্রার্থী ছিলেন কক্সবাজারের পেকুয়ার বাসিন্দা জালাল আহমদ জালাল। রুমমেটকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়ের করা এক হত্যাচেষ্টা মামলায় জালালকে পরে কারাগারে পাঠানো হয়। সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার বাসিন্দা স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য প্যানেলের জাহেদ আহমদ ও চকরিয়ার বাসিন্দা আরমানুল হক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার গুঁড়া দুধ আমদানি করে : প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেড চিটাগাং ক্যাটল (আরসিসি)-এর গুরুত্ব তুলে ধরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, লাল গরুর দেশ চট্টগ্রাম। দুধ হয়তো কিছুটা কম দেয়, কিন্তু মাংসের দিক থেকে এবং জাতগত বৈশিষ্ট্যে রেড চিটাগাং ক্যাটলের তুলনা পৃথিবীর কোথাও নেই। তাই এই জাত সংরক্ষণ করা আমাদের জন্য অত্যন্ত জরুরি। উপদেষ্টা বুধবার সকালে কর্ণফুলী উপজেলার শিকলবাহা এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি হাব সংলগ্ন মাঠে “চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেইরি খাতের উন্নয়ন: সম্ভাবনা ও করণীয়” -শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপষ্টো বলেন, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করে গুঁড়া দুধ আমদানি করে। এই টাকা যদি দেশীয় দুধ উৎপাদন বাড়াতে ব্যয় করা হয়, তাহলে আমদানির প্রয়োজন কমবে। গুঁড়া দুধ তরল দুধে ভেজালের ঝুঁকিও বাড়াচ্ছে। তাই আমাদের শপথ নিতে আমদানি কমিয়ে দেশীয় তরল দুধের উৎপাদন বাড়াতে হবে।

বিদ্যুৎ বিল ও ভর্তুকি প্রসঙ্গে উপষ্টো বলেন, ব্যাপক আলোচনা ও প্রচেষ্টার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্প খাতে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ বিল রেয়াত এবং ১০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়া সম্ভব হয়েছে। এটি প্রাথমিক উদ্যোগ হলেও ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে। তিনি খামারি নিবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, নিবন্ধন ছাড়া প্রকৃত চিত্র জানা সম্ভব নয়। অনলাইনে নিবন্ধন হলে সব তথ্য এক জায়গায় পাওয়া যাবে এবং নীতিনির্ধারণ সহজ হবে।

উপদেষ্টা বলেন, প্রাণিসম্প ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি)-এর মাধ্যমে খামারিরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন, পিজি গ্রুপ গড়ে উঠেছে এবং অনেকের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছে ডেইরি কার্যক্রম। তিনি বলেন, অনেকে বলছেন, লাভ-ক্ষতির হিসাব না করেও এটি এখন তাদের জীবনের অংশ। এর মানে ভবিষ্যতে এখান থেকেই তারা টেকসইভাবে জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন।
নারীরে উদ্দেশে তিনি বলেন, দুধ শুধু উৎপানের পরিসংখ্যান নয়-মানুষ কতটা দুধ গ্রহণ করছে সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের জন্য দুধ অত্যন্ত প্রয়োজনীয়, যা হাড়ের রোগ ও অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।

এলডিডিপি’র মাধ্যমে স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের সাফল্যের কথা উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, স্কুলে দুধ সরবরাহ শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। দরিদ্র ও শহুরে শিশুদের জন্য যা কার্যকর উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাশে তরুণদের দেশ। ডেইরি ইন্ডাস্ট্রিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে। সরকার প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে। আমরা সংগ্রামী জাতি-দেশের উন্নয়নের জন্য এই সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে।

সেমিনারে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবু সুফিয়ানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বাংলাশে ডেইরি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মিজ শাহীনা ফেরদৌসী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (কৃত্রিম প্রজনন) মোঃ শাহজামান খান তুহিন, পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. বেগম শামছুননাহার, চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (পরিচালক) ডা. মোঃ আতিয়ার রহমান এবং এ কে এগ্রো এন্ড ডেইরি ফার্মের পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেইন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মোঃ বয়জার রহমান। এছাড়া এলডিডিপিথর আওতায় ডেইরি হাব কার্যক্রম: বাস্তবায়ন, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা শীর্ষক উপস্থাপনা ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন প্রকল্প পরিচালক ডা. মোঃ মোস্তফা কামাল।

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ