আজঃ মঙ্গলবার ১৬ জুন, ২০২৬

আপন ভাই কে তুলে নেওয়ায় ফেসবুকে পোস্ট; লাঞ্চিত করল বিএনপি নেতার ভাই সাংবাদিককে

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার বিশেষ প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় আপন ছোট ভাই কে তুলে নেওয়ার ঘটনা ফেসবুকে প্রকাশ করায় এক জনৈক সাংবাদিক কে প্রকাশ্যে মারধর করেছে, ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের ছোট ভাই শরীফ সহ একটি সংঘবদ্ধ চক্রের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক মোঃ শাহিবুল ইসলাম পিপুল ভাঙ্গুড়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক পিপুল দৈনিক বাংলা ট্রিবিউন-এর পাবনা জেলা প্রতিনিধি এবং দৈনিক যুগান্তরের ভাঙ্গুড়া উপজেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত আছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, একই দিন বিকাল প্রায় ৫ টার দিকে কলেজ পাড়া এলাকায় ফিরোজ, হাসিব, মারুফ ও আল-আমিন সহ কয়েক জন যুবক জোরপূর্বক সাংবাদিক পিপুলের ছোট ভাই ইয়াসিন আলী সামী কে হাসপাতাল পাড়া সংলগ্ন শিশুকুঞ্জ এলাকা থেকে তুলে নিয়ে ভাঙ্গুড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে নিয়ে যায়।
বিষয়টি জানার পর পিপুল তাৎক্ষণিকভাবে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ কে বিষয়টি অবহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে পাঠায়।

এ ঘটনার পর পিপুল নিজের ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই পোস্টকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে ‘বাহার’ নামে একব্যক্তি ফোন করে তার অবস্থান নিশ্চিত করে ও পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

কিছুক্ষণ পর পিপুল ভাঙ্গুড়া সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে ফিরোজ ও তার সাথে থাকা এক যুবক পরিচয় নিশ্চিত করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে এবং তারাই তার ভাইকে তুলে নিয়েছিল বলে স্বীকার করে। সেখান থেকে সরে আসার চেষ্টা করলে শরীফ ফোনে যোগাযোগ করে পিপুলের অবস্থান জেনে নেয়।

পরবর্তীতে শরীফের নেতৃত্বে ১২/১৫ জনের একটি দল সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় তাকে ঘিরে ধরে মারধর করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় তানভীর নামে এক ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক দাঁড়িয়ে থাকা।
একটি সিএনজিতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে কৌশলে সেখান থেকে বের হয়ে পাশের একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিয়ে পিপুল রক্ষা পায়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ভাঙ্গুড়া থানার এস আই আল-আমিন হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তিনি ঘটনাটির ভিডিও ধারণ করেন। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী সাংবাদিক পিপুল স্থানীয় সহকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাঙ্গুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ফুলছড়ি–বাহাদুরাবাদ রুটে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং চরাঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে যমুনা নদীর ওপর গাইবান্ধার ফুলছড়ি ও জামালপুরের বাহাদুরাবাদ ঘাটের মধ্যবর্তী স্থানে ‘দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু’ নির্মাণের দাবিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এই স্মারকলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ঘাট দ্বিতীয় যমুনা সেতু বাস্তবায়ন কেন্দ্রীয় কমিটি’র উদ্যোগে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকার সর্বস্তরের মানুষের গণস্বাক্ষর সংবলিত এই স্মারকলিপি হস্তান্তর করা হয়। এতে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত বৈষম্য দূরীকরণ এবং জাতীয় অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনের লক্ষ্যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি তুলে ধরা হয়।
তিন দফা দাবি

স্মারকলিপিতে প্রথমত, যমুনা নদীর দুই চ্যানেলে দুটি পৃথক সেতু নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়। এর মধ্যে একটি ‘বেগম খালেদা জিয়া সেতু’ এবং অন্যটি ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেতু’ নামে প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দুই সেতুর মাঝামাঝি স্থায়ী চরের ওপর প্রায় ২০ ফুট উচ্চতায় একটি আধুনিক, দৃষ্টিনন্দন ও আন্তর্জাতিক মানের কেন্দ্রীয় রেলওয়ে স্টেশন নির্মাণের প্রস্তাব রাখা হয়, যা উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে দাবি করেন আন্দোলনকারীরা।
দ্বিতীয়ত, চরাঞ্চলের উর্বর কৃষিজমিকে কেন্দ্র করে একটি আধুনিক কৃষিভিত্তিক রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবিত ইপিজেডে মরিচ, পেঁয়াজ, ভুট্টা, আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্য সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় বেকার যুবকদের জন্য ব্যাপক কর্মসংস্থানের ক্ষেত্র তৈরি হবে বলেও উল্লেখ করা হয়।

তৃতীয়ত, যমুনা নদীর বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশকে কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত ‘চর ট্যুরিজম’ গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, আধুনিক পর্যটন অবকাঠামো নির্মিত হলে এ অঞ্চল দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।গণসমাবেশে নেতৃবৃন্দের বক্তব্যস্মারকলিপি প্রদান শেষে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে এক বিশাল গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে নেতৃত্ব দেন বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মাহমুদুন নবী টিটুল এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান বাবু।

এ সময় বক্তব্য রাখেন সাঘাটা উপজেলার ভরতখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন মন্ডল, ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খোরশেদ আলী খান খুশু, কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল হুদা শাহিন, আশরাফুল ইসলাম টিটু, মশিউর রহমান, সাদেকুল ইসলাম মনির, মাজেদুর রহমান মাজু এবং জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়াও চরাঞ্চলের মানুষের পক্ষে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন গজারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর সরকার, সমাজসেবক ওহিদুল ইসলাম জয়, সমাজসেবক সামছুল হক, কচুয়াহাট ছিন্নমূল সমিতির প্রতিনিধি দুলু মিয়া এবং প্যানেল চেয়ারম্যান জিহাদুর রহমান মওলা। সমাবেশে চরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা
সমাবেশে বক্তারা বলেন, ফুলছড়ি–বাহাদুরাবাদ রুটটি ব্রিটিশ আমল থেকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ পথ হিসেবে পরিচিত। একসময় এই রুট দিয়ে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের নৌ ও রেল যোগাযোগ পরিচালিত হতো। বর্তমানে সেই ঐতিহাসিক যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করা সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।

তাদের মতে, প্রস্তাবিত দ্বিতীয় যমুনা বহুমুখী সেতু নির্মিত হলে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে রাজধানী ঢাকা, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ, দ্রুত ও সাশ্রয়ী হবে। এতে যাতায়াতের সময় ও দূরত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে এবং দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো বঙ্গবন্ধু সেতুর ওপর বিদ্যমান যানবাহনের চাপও অনেকাংশে হ্রাস পাবে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সেতু, রেলস্টেশন, কৃষিভিত্তিক ইপিজেড এবং চর ট্যুরিজমকে ঘিরে একটি সমন্বিত উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে উত্তরাঞ্চলের অর্থনীতি নতুন গতি পাবে, বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং চরাঞ্চলের লাখো মানুষের জীবন-জীবিকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

সমাবেশ থেকে বক্তারা দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই, পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা এই মেগা প্রকল্পকে জাতীয় স্বার্থে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্রহণের আহ্বান জানান, যাতে উত্তরবঙ্গের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন প্রত্যাশা বাস্তবে রূপ লাভ করে।

টি-টোয়েন্টি সিরিজ : চট্টগ্রামে স্টেডিয়ামজুড়ে নিরাপত্তা মহড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সিরিজকে সামনে রেখে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা মহড়া পরিচালনা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। সোমবার (১৫ জুন) অনুষ্ঠিত এ মহড়ায় স্টেডিয়ামের ভেতর ও আশপাশের এলাকায় আধুনিক নিরাপত্তা সক্ষমতার নানা দিক তুলে ধরে সিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। এতে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সোয়াত এর পাশাপাশি অংশ নেয় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট এবং কে-৯ (ক-৯) ইউনিট।

আগামী ১৭ জুন বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া জাতীয় ক্রিকেট দলের মধ্যকার আন্তর্জাতিক ম্যাচ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রস্তুতি যাচাই এবং সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়।

সিএমপি সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বড় আয়োজনকে কেন্দ্র করে উদ্ভূত সম্ভাব্য ঝুঁকি মোকাবিলার প্রস্তুতি যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর মধ্যে সমন্বয় আরও কার্যকর করতেই এ মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে।ম্যাচ চলাকালে খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, দর্শক এবং ভিআইপিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ