আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

আগামী নির্বাচনে আলেম-ওলামাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে : ইনকিলাব সম্পাদক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আগামী নির্বাচনে আলেম-ওলামা, পীর মাশায়েখদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীন। তিনি বলেছেন, সবাইকে তারেক রহমানের পেছনে দাড়াতে হবে। ।

সোমবার দুপুরে বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলার আওতাধীন সাবেক জমিয়াত নেতৃবৃন্দ ও পীর মাশায়েখদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। নগরীর স্টেশন রোডে এক অডিটোরিয়ামে জমিয়াতুল মোদার্রেছীন চট্টগ্রাম অঞ্চল সমন্বয়ক কমিটি এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ এম এম বাহাউদ্দীন বলেন, আগামী নির্বাচনে আলেম-ওলামা, পীর মাশায়েখদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সবাইকে তারেক রহমানের পেছনে দাঁড়াতে হবে। সামনে ইঞ্জিন ঠিক থাকলে ট্রেন ঠিকমতে চলবে। রাজনীতিবিদরা দরবার, খানকা ও পীর মাশায়েখদের শক্তিটা দেখতে পান না। এক একটি দরবারের হাজার হাজার ভক্ত রয়েছেন। সেই আধ্যত্মিক শক্তি ভোটের মাঠে দেখা যাবে।

জামায়াতের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, এদেশের নব্বই ভাগ মানুষ হানাফি মাজহাবে বিশ্বাসি। কিন্তু এই মাজহাব ধ্বংস করতে গত ১৪ মাসে যা করা হয়েছে, তা বিগত ১৬ বছরেও হয়নি। তারা ক্ষমতায় গেলে দরবার, খানকা থাকবে না। তারা সারাদেশে মসজিদ কমিটি, বাজার কমিটি, দরবার কমিটিও দখল করেছে।
আকিদাবিরোধী বক্তব্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা মুসলমানদের আকিদা বিনাশ করছে। মাজারে আগুন দেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে তারা সালাফি ভিত্তিক সমাজ গঠনের বার্তা দিয়েছে। তারা এককেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা চেয়েছে। তারা মাদরাসা শিক্ষা চায় না, আরবি বিশ্ববিদ্যালয় চায় না।তারা এখন রোজা-পূজা এক করে দেখছে। যখন যেখানে সুবিধা, তারা মাজারে গিয়ে জেয়ারত করছে, পুজায় গিয়ে মন্ত্রপাঠ করছে। আল্লাহর আইন আর সৎ লোকের শাসনের কথা বলে তাদের সেক্রেটারি জেনারেল এখন হিন্দুদের নিয়ে সমাবেশ করছেন।ইনকিলাব সম্পাদক আরও বলেন, এদেশে পীর মাশায়েখদের হাত ধরে ইসলাম এসেছে। আলেম ওলামাদের এই শক্তিকে কেউ মোকাবিলা করতে পারবে না।

ক্ষমা চাওয়া নিয়ে জামায়াত আমীরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘আমেরিকায় বসে বাংলাদেশের মানুষের কাছে ক্ষমা চাওয়া, এটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (পলিটিক্যাল এপোলজি)। সেখানে বসে আবার তারা ভারতের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন। তাদের বাংলাদেশে সালাফি ভিত্তিক সমাজ কায়েম করতে দেয়া হবে না। এ জন্য আগামী নির্বাচনে কওমি-সুন্নি ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার সাবেক অধ্যক্ষ মুফতি সৈয়দ অছিয়র রহমান আলকাদেরীর সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের মহাসচিব শাব্বীর আহমদ মোমতাজী, চট্টগ্রাম অঞ্চলের সমন্বয়ক ছৈয়দ মাওলানা আবু ছালেহ, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ এজহারুল হক ও মোবাশ্বেরুল হক, আমানত শাহ দরগাহ শরীফের পীর হাবিব উল্ল্যাহ খান, পীরে কামেল সৈয়দ মোহাম্মদ মাসুম কামাল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ