আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বদিউজ্জামান রাজাবাবু  চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মডেল প্রেসক্লাব চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর হল রুমে  মো: আমিরুল ইসলাম ওরফে নাইরুল (৪৮) নামে সেনা বাহিনীর (অঃ) এক সদস্য এই সংবাদ সম্মেলন করেন।

এক লিখিত বক্তব্যে নাইরুল নামে এই সাবেক সেনা কর্মকর্তা বলেন, কতিপয় বিপদগামী সাংবাদিক মিথ্যা তথ্য সন্ত্রাসের ম্যাধমে অনলাইন প্লাটফর্মে আমাকে জড়িয়ে প্রতিবদ্ধি এক নারীকে জড়িয়ে মিথ্যা ধর্ষণের অভিযোগ তুলে অনিবন্ধিত ভূইফোড় ফেসবুক পেজ চাঁপাই জার্নাল সহ বেশ কিছু পেজে সংবাদ প্রকাশিত করেছে। যাহা সম্পন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন আমি ধর্ষণের মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ ও অপ-প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সেই সাথে আপনাদের জানাতে চাই উক্ত প্রতিবন্ধী নারী আমার এলাকার এবং পরিচিত হওয়ায় প্রয়োজনে আমার স্ত্রীর কাছে আসা যাওয়া করে এই বিষয়টিকে পুজি করে একটি স্বর্থনেষি মহল আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে আমার থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। উপরন্তু আমার থেকে কোন আর্থিক সুবিধা না পেয়ে আমাকে ধর্ষক, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের নেতা, ককটেল বিস্ফোরণ মসজিদ ভাংচুর, মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের ডান উল্লেখ করে যে সংবাদ প্রকাশিত করেছে করেছে যা সম্পন্ন মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। আমি আপনাদের মাধ্যমে দেশবাসিকে জানাতে চাই আমি মহারাজপুর ইউনিয়নের একটি সম্ভাব্য পরিবারের সন্তান, আমি দির্ষদিন বাংলাদেশ সেনা বাহিনীতে সুনামের সাথে চাকরি করে অবসর গ্রহণ করেছি, আমি আওয়ামী লীগ বা অন্য কোন দলের সাথে জড়িত নয়। এখন ব্যবসা বানিজ্য এবং সমাজসেবার সাথে জড়িত, আমি কোন দিন কারো বাড়ি ঘড়ে হামলা লুটপাট এমনকি কোন ককটের বিস্ফোরণ ঘটনার সাথে জড়িত ছিলাম না।

মহারাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাহিদ ইসলাম রাজন অত্র এলাকার কৃতি সন্তান, তার ভালো এবং সমাজসেবা মূলক কাজ গুলোই আমি উপস্থিত থেকে একসাথে করে থাকি বলে আমাকে তার ডান বলে নিউজ করা হয়েছে আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে আবারও আমার বিরুদ্ধে করা সকল তথ্য সন্ত্রাসের তিব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুক্তভোগী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোঃ আমিরুল ইসলাম ওরফে নাইরুল আর্মি, সেনা বাহিনীর সার্জেন্ট (অঃ) আখতার, কথিত ধষিতা নুপুর (ছদ্মনাম), নুপুরের পিতা জালাল, বোন মমতাজ, দুলাভাই সেলিম আহম্মদ জিন্জির, প্রফেসর খালিদ, নাসির উদ্দীনসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ