চট্টগ্রামে ছয় মাসে আড়াই হাজারেরও বেশি নিষিদ্ধ ক্রিম জব্দ, চর্মরোগের ঝুঁকি।

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বন্দর নগরী চট্টগ্রামে একের পর এক ঢুকছে নিষিদ্ধ ক্রীম। এসব নিষিদ্ধক্রীমগুলো মধ্যপ্রাচ্য হয়ে ঢুকছে চট্টগ্রামে।পাকিস্তানে তৈরি এসব ক্রিম পাঁচ বছর আগে ব্যবহার নিষিদ্ধ করলেও প্রায়ই যাত্রীদের লাগেজ থেকে জব্দ করছে বিমানবন্দর কাস্টমস ও এনএসআই।

গত ছয় মাসে আড়াই হাজারেরও বেশি নিষিদ্ধ ক্রিম জব্দ করা হয়েছে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, অতিমাত্রায় পারদ থাকায় ত্বকের জন্য ক্ষতিকর এসব ক্রিম ‘লাগেজ পার্টি’র মাধ্যমে এনে গোপনে বিক্রি করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। এতে করে মারাত্মক চর্মরোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।সূত্র জানায়, গৌরী ক্রিম মূলত তৈরি হয় পাকিস্তানে। দুবাই হয়ে এই নিষিদ্ধ ক্রিম চট্টগ্রামে ঢুকছে। এরপর দেশে বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। আর এসবের নেপথ্যে রয়েছে দেশের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। আমদানি নিষিদ্ধ হওয়ায় ‘আকাশপথ’ ব্যবহার করে যাত্রীদের মাধ্যমে এসব ক্রিম আনা হচ্ছে।
এদিকে গত

এদিকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ২২ ডিসেম্বর রাত ১০টায় চার যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে ৫০ পিস নিষিদ্ধ গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের কাছ থেকে ৮৬৭ কার্টন সিগারেটও জব্দ করা হয়। চার যাত্রী হলেন,রেজাউল করিম, মিজানুর রহমান, রিদওয়ানুল হক ও মো. সালাউদ্দিন। তারা দুবাই থেকে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ওই রাত সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রামে পৌঁছান।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় ৩০ লাখ ২৪ হাজার টাকা। ওই চার যাত্রীকে মৌখিকভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

এর আগে গত ২২ নভেম্বর সকালে কাস্টমস এনএসআই ও কাস্টমস ইন্টেলিজেন্সের যৌথ তল্লাশিতে দুই যাত্রীর ব্যাগ থেকে জব্দ করা হয় ২৫০ পিস গৌরী ক্রিম। মো. ফখরুল ইসলাম ও মো. আশরাফুল ইসলাম নামে দুই যাত্রী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে করে চট্টগ্রামে আসেন। এচাড়া ৮ নভেম্বর সকালে দুবাইফেরত যাত্রীর মোহাম্মদ গিয়াস উদ্দিনের কাছ থেকে ১২টি নিষিদ্ধ ক্রিম উদ্ধার করে এনএসআই ও শুল্ক গোয়েন্দা। অন্যদিকে ২০ জুলাই রাত সাড়ে ৯টায় দুই যাত্রী ইমিগ্রেশন শেষ করে ব্যাগেজ নিয়ে গ্রিন চ্যানেল (শুল্ককরযুক্ত পণ্য না থাকলে এই পথে যাওয়া যায়) অতিক্রম করার সময় এনএসআই কর্মকর্তারা তাদের তল্লাশি করে।

এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ৭৬ পিস গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়। দুবাই থেকে আসা ও দুই ছিলেন ফেনী সদরের মো. আরিফুল ইসলাম এবং চট্টগ্রামের রাউজানের মোশাররফ হোসেন। তাদের পাসপোর্ট নম্বর নথিভুক্ত করে জরিমানা করা হয় এবং সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।১৮ জুন মধ্যপ্রাচ্যের ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এই দুই যাত্রী কাছ থেকে ১৪০ পিস গৌরী ক্রিম জব্দ করা হয়। ওই দুই যাত্রী ছিলেন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মোহাম্মদ আবু নাসের এবং নগরের চাঁন্দগাও থানা এলাকার মিন্টু দেবনাথ।

জানা গেছে, পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন’ (বিএসটিআই) ২০২০ সালে আটটি রং ফর্সাকারী ক্রিমে ক্ষতিকর মাত্রায় পারদ ও হাইড্রোকুইনোন পায়। এসব প্রসাধনী ব্যবহার করলে চর্মরোগসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে, এমন সতর্কতা জারি করে সেগুলো বিক্রি, বিপণন ও আমদানিনিষিদ্ধ করে সংস্থাটি। এই আটটি ক্রিমের একটি হলো ‘গৌরী ক্রিম’ ও ’ডিউ ক্রিম’ অন্যতম।

এরপর ২০২৩ সালের নিষিদ্ধের তালিকায় যোগ হয় আরও ১০টি ক্রিম। নিষিদ্ধ তালিকায় রয়েছে, পাকিস্তানের গৌরী কসমেটিকসের (প্রা.) ‘গৌরী ক্রিম’, এসজে এন্টারপ্রাইজের ‘চাঁদনী ক্রিম’, কিউসি ইন্টারন্যাশনালের ‘নিউ ফেস’, ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ‘ডিউ’, নুর গোল্ড কসমেটিকসের ‘নুর হারবাল বিউটি ক্রিম’, নুর গোল্ড কসমেটিকসের ‘নুর গোল্ড বিউটি ক্রিম’, গোল্ডেন পার্ল কোম্পানির ‘গোল্ডেন পার্ল ক্রিম’, হোয়াইট পার্ল কসমেটিকস ইন্টারন্যাশনালের ‘হোয়াইট পার্ল ক্রিম’, পুনিয়া ব্রাদার্স (প্রা.) লিমিটেডের ‘ফাইজা ক্রিম’, লোয়া ইন্টারন্যাশনালের ‘পাক্স’ ও ‘নাভিয়া ক্রিম’, লাইফ কসমেটিকসের ‘ফ্রেশ অ্যান্ড হোয়াইট ক্রিম’, ফেস লিফট কসমেটিকসের ‘ফেস লিফট ক্রিম’, শাহিন কসমেটিকসের ‘ফেস ফ্রেশ ক্রিম’ ও আনিজা কসমেটিকসের ‘আনিজা গোল্ড’।

বিএসটিআইয়ের ল্যাব পরীক্ষায় পাওয়া গেছে, গৌরি ক্রিমে পারদের পরিমাণ ৭৫৫.৮৫ পিপিএম—যেখানে গ্রহণযোগ্য মাত্রা মাত্র ১ পিপিএম! শুধু গৌরি নয়, বাজারের আরও সাতটি ব্র্যান্ডেও পাওয়া গেছে বিপজ্জনক মাত্রার পারদ ও হাইড্রোকুইনোন। তাই এসব ক্রিম আমদানি ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে বিএসটিআই।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিধারিত ভাড়া না মানলে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ব্যবস্থা: ইউএনও

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট না থাকলে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপজেলার সব সিএনজি অটোরিকশায় দৃশ্যমান স্থানে ভাড়ার চার্ট টাঙানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বোয়ালখালী উপজেলা অডিটোরিয়ামে সিএনজির ভাড়া, যাত্রীসেবা ও পরিবহন ব্যবস্থাপনা নিয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান ফারুক।

সভায় যাত্রীদের স্বার্থ, চালক ও মালিকদের ন্যায্যতা এবং সিএনজি পরিবহনে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে সিএনজিতে যাত্রী উঠানামার ভাড়া ৫ টাকা এবং ইউএনও কার্যালয় থেকে ফুলতল পর্যন্ত ভাড়া ৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।এ ছাড়া স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে ইউনিফর্ম পরিহিত কিংবা বৈধ পরিচয়পত্রধারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত হয়, প্রতিটি সিএনজি অটোরিকশায় নির্ধারিত ভাড়ার চার্ট দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করতে হবে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব গাড়িতে ভাড়ার চার্ট লাগানো নিশ্চিত করতে হবে। ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ভাড়ার চার্ট না থাকা গাড়ির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ছাড়া নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত আদায় না করা এবং যাত্রীদের সঙ্গে শালীন, ভদ্র ও দায়িত্বশীল আচরণ করতে চালকদের নির্দেশ দেওয়া হয়। যাত্রী হয়রানি, অতিরিক্ত ভাড়া আদায় কিংবা সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অমান্যের অভিযোগ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, বোয়ালখালীর পাঁচটি স্টেশনে পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার সঙ্গে ৫ টাকা করে বৃদ্ধি করা হবে। অন্য স্টেশনগুলোর ভাড়া আগের মতোই বহাল থাকবে।

সভায় বোয়ালখালী সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাফফর হোসেন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আজিজুল হক চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ইসহাক চৌধুরী, বিএনপি নেতা শহিদুল্লাহ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতা মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির বোয়ালখালী উপজেলা শাখার সভাপতি অধীর বড়ুয়া ও সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন দুলালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বোয়ালখালী প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, এস এম মোদাচ্ছের, বোয়ালখালী সিএনজি অটোরিকশা টেম্পু শ্রমিক ও মালিক সমন্বয় পরিষদের সভাপতি মো. ইদ্রিস, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হাবিবুর রহমান, শ্রমিকনেতা আবদুল সাত্তার এবং কালুরঘাট-ফুলতল, শাকপুরা, সিও অফিস, জোটপুকুর, কানুনগোপাড়া, দাশেরদীঘি, বেংগুরাসহ বিভিন্ন এলাকার সিএনজি চালক ও সমিতির প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন।সভায় উপস্থিত বিভিন্ন পক্ষ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে যাত্রীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ সিএনজি পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

ইঞ্জিন দ্রুত মেরামতে পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপকের নির্দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ), লোকোসেড, সিজিপিওয়াই, কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) ও পদ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক মামুনুল ইসলাম। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) এসব স্থাপনা পরিদর্শন করেন তিনি। পরিদর্শনকালে রেলওয়ের বিভিন্ন কার্যক্রম পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী (সিই), চিফ অপারেটিং সুপারিনটেনডেন্ট (সিওপিএস), চিফ কমার্শিয়াল ম্যানেজার (সিসিএম), চট্টগ্রামের বিভাগীয় রেলওয়ে ম্যানেজার (ডিআরএম) এবং পাহাড়তলীর ডিএসডব্লিউসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথমে রেলওয়ে ট্রেনিং একাডেমি (আরটিএ) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় তিনি একাডেমির একাডেমিক ভবন, প্রশিক্ষণার্থীদের প্রশিক্ষণ কক্ষ, ডরমেটরি ও আশপাশের এলাকা ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।এরপর তিনি সিজিপিওয়াই, টার্ন টেবিল, ট্রায়াঙ্গেল লাইন, ইয়ার্ড লাইন ও লোকোসেড পরিদর্শন করেন। লোকোসেড পরিদর্শনকালে ইঞ্জিন দ্রুত মেরামত ও সচল রাখার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন পরামর্শ ও নির্দেশনা দেন।

পরে সিজিপিওয়াই এলাকায় কনটেইনার কোম্পানি অব বাংলাদেশ (সিসিবিএল) পরিদর্শন করেন মহাব্যবস্থাপক। এ সময় সিসিবিএলের সঙ্গে রেলওয়ের বিভিন্ন চুক্তি, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়। এছাড়া দ্মা অয়েল সাইডিং লাইন পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় প্রধানদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন তিনি।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ