এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন ও অবস্থান পালন করছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রদল। এ সময় চার দফা দাবি জানায় সংগঠনটি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়।

আন্দোলনকারীরা ‘বাহ ভিসি চমৎকার, নিয়োগের পাহারাদার’, ‘দালালি আর করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’, ‘প্রশাসনের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘শিক্ষার নামে—বৈষম্য চলবে না’, ‘শিক্ষার নামে—নিয়োগ চলবে না’, ‘অবিলম্বে প্রশাসনের পদত্যাগ চাই’, ‘কোটা না মেধা—মেধা মেধা’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এদিন দুপুরের ১টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের মূল ফটক দিয়ে ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন। তবে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের অবস্থানের কারণে সে পথ দিয়ে তিনি প্রবেশ করতে পারেননি। পরে তিনি প্রশাসনিক ভবনের অন্য একটি ফটক দিয়ে প্রবেশ করেন।

জানতে চাইলে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক কামাল উদ্দিন খান বলেন, আমি প্রশাসনিক ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু আমাকে বাধা দেওয়া হয়। আমার কাজ ছিল, তাই অন্য একটি গেট দিয়ে প্রবেশ করে চলে আসি।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল-নোমান বলেন, গত দেড় বছরে নিয়োগের নামে দলীয়করণ ও এলাকাকরণ করা হয়েছে। যত অবৈধ নিয়োগ হয়েছে, তা অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি ভিসি, উপ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে পদত্যাগ করতে হবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, উপ-উপাচার্যের মেয়ের চেয়ে অনেক যোগ্য প্রার্থী ছিল। বাবার প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, এমনটাই আমাদের ধারণা। কী প্রক্রিয়ায় এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষার্থীবান্ধব কোনো কাজ করছে না। তারা শুধু নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। হাতে গোনা কিছু কাজ দেখিয়ে দায় সারা হচ্ছে। এই প্রশাসনের পদত্যাগ ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।









