এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের আপিল শুনানিতে আনিসুল ইসলাম মাহমুদের প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার আবেদন নামঞ্জুর করা হয়।

এরমধ্যে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে ‘শক্ত’ অবস্থানে রয়েছেন বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মো. হেলাল উদ্দীন। কেননা এই আসনের সাবেক সাংসদ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চেয়ে টিকাতে পারেননি তার মনোনয়ন। পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলাম আসনটি ছেড়েছে জোট প্রার্থী খেলাফতে মজলিসের জন্য। তাই মীর মো. হেলাল উদ্দীনের জয় প্রায় নিশ্চিত বলেই মনে করছেন আসনটির ভোটাররা।
এদিকে মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে, দলীয় মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন থেকে পাঠানো মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষর মিল না থাকায় চট্টগ্রাম-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী আনিসুল ইসলাম মাহমুদের বাতিল হওয়া প্রার্থিতা আপিল শুনানিতে টিকেনি। এর আগে, শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রমের সময় আনিসুল ইসলাম মাহমুদের মনোনয়ন বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন।

অন্যদিকে এ আসন থেকে ১৬ জন প্রার্থীতা চেয়ে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করলেও জমা দেন ১০ জন। এরমধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে বৈধ বলে বিবেচিত হয়েছেন ছয়জন। তারা হলেন— বিএনপির মীর মো. হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশ লেভার পার্টির মো. আলা উদ্দিন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মতি উল্লাহ নূরী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. নাসির উদ্দীন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ মোক্তার আহমেদ।
এছাড়া বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পাওয়ায় প্রার্থীতা অবৈধ হওয়ার পর চ্যালেঞ্জ করেছেন শাকিলা ফারজানা। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিলগুলোর শুনানি শুরু হয়। শুনানির এক পর্যায়ে তিনি আপিল আবেদন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থিতা চাওয়া মোহাম্মদ আবদুল মালেক বলেন, আমি এ আসন থেকে নির্বাচন করার কথা থাকলেও শেষমেষ আমাদের জোটসঙ্গী খেলাফতে মজলিসের জন্য আসনটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাই আমি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছি না।
বালুচড়া এলাকার বাসিন্দা সুমন বলেন, এখানে অন্য কোনো প্রার্থীদের তো কেউ ঠিকভাবে চিনে না। মীর হেলাল সাহেবদের পরিচিতি ভালো। তবে ব্যারিস্টার আনিস নির্বাচন করতে পারলে এটা পুরো বাংলাদেশের জমজমাট ভোটের ময়দান হতো। এখন একতরফাভাবে মীর হেলাল জিতে যাবেন বলে আমরা মনে করছি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেন চট্টগ্রাম-৩ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে খেলাফত মজলিসের আশরাফ বিন ইয়াকুবকে।









