আজঃ মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

মাতৃভাষা দিবসে বোধনের আবৃত্তি অনুষ্ঠান।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে আবৃত্তি সংগঠন বোধন আবৃত্তি পরিষদ চট্টগ্রাম।শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিনের প্রথম প্রহরে প্রভাতফেরীর মাধ্যমে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে সংগঠনটি।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে ১০:৩০ মিনিট পর্যন্ত নগরীর আমতল রাইফেল ক্লাব সংলগ্ন শাহ আমানত মার্কেট চত্বরে ‘একুশ মানে মাথা নত না করা’ শিরোনামে আবৃত্তি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বোধন।

বোধনের সভাপতি এড. নারায়ণ প্রসাদ বিশ্বাস-এর সভাপতিত্বে এবং অনুষ্ঠান সম্পাদক মোহিনী সংগীতা সিংহের সঞ্চালনায় কবিতা আবৃত্তি ও কবিতা পাঠে অংশ নেয় বোধন সদস্য অনিমেষ পালিত, স্মরণ ধর, হোসনে আরা নাজু, অর্চি দত্ত, প্রিয়ন্তী চৌধুরীসহ প্রমুখ।আমন্ত্রিত শিল্পী হিসেবে আবৃত্তি করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের তাফসিরুল ইসলাম, মুক্তধ্বনি আবৃত্তি সংসদের সোমা মুৎসুদ্দী, তারুণ্যের উচ্ছ্বাসের স্বপ্নীল বড়ুয়া ডানা, প্রমিতি সাংস্কৃতিক একাডেমির ইকবাল হোসেন জুয়েল, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি মঞ্চের তাসলিম হাসান।

এছাড়াও মহান ভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জেলা শিল্পকলা একাডেমি, চট্টগ্রাম-এ চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে বোধনের শিশু বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বৃন্দ আবৃত্তি ‘শিশুর ভাবনায় পৃথিবী’ পরিবেশিত হয়। যার গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় ছিলেন সন্দীপন সেন একা এবং মহড়া পরিচালনায় ছিলেন আরজু সেন শ্লোক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোর সাহিত্যের উৎকর্ষধর্মী দ্বি-মাসিক পত্রিকা কিশোরবেলা’র উদ্যোগে কবি ও শিশুসাহিত্যিক অমিত বড়ুয়ার সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম একাডেমি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। কবি ও সাংবাদিক রাশেদ রউফ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক রফিকুর রশীদ।আলোচক ছিলেন প্রফেসর রীতা দত্ত, এলিজাবেথ আরিফা মুবাশশিরা, তহুরীন সবুর ডালিয়া, অরুণ শীল। উদ্বোধক ছিলেন কবি সুজন বড়ুয়া।স্বাগত বক্তব্য দেন রহমান রনি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন দিলরুবা খানম ছুটি।

বক্তারা বলেন, কবি অমিত বড়ুয়ার দীর্ঘদিনের নিরবচ্ছিন্ন সাহিত্যচর্চার ফসল এই আলোচনা-উৎসব। তিনি নানা প্রতিকূলতার মাঝেও সাহিত্য রচনা অব্যাহত রেখেছেন। ছড়া-কবিতায় তিনি যে দৃশ্য আঁকেন তা নতুন ও স্বতন্ত্র। শিশু-কিশোরদের মনস্তত্ত্ব বুঝেই তিনি সাহিত্য রচনা করেন। তাঁর কবিতা-ছড়ার ভাষা সহজ, সরল ও সংবেদনশীল।শুভেচ্ছা বক্তব্য ও কবিতা পাঠে অংশ নেন সনজীব বড়ুয়া, দীপক বড়ুয়া, জসীম মেহবুব, খালেদুল আনোয়ার, মর্জিনা আক্তার, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, সিমলা চৌধুরী, লিপি বড়ুয়া, আলোক বিকাশ বড়ুয়া, সুসেন কান্তি দাশ, যারীন সুবা, আবুল কালাম বেলাল, সনজিত দে, আজিজ রাহমান, নূরনাহার নিপা, সুপলাল বড়ুয়া, ইফতেখার মারুফ, কাঞ্চণা চক্রবর্তী, শিউলি নাথ, সাবিনা পারভীন লিনা, মিলন বণিক, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, আকাশ আহমেদ, সৈয়দ জিয়াউদ্দীন, জসিম উদ্দিন খান, বিদ্যুৎ কুমার দাশ, হেলাল বিন ইলিয়াছ, তানজিনা রাহী, মুনাজউর রহমান, মহুয়া চৌধুরী, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া, বনানী শেখর রুদ্র প্রমুখ।

চবি’র ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা ২৪ এপ্রিল থেকে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বহু প্রতীক্ষিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ‘সরস্বতী জ্ঞান মন্দির’ আগামী ২৪ এপ্রিল সকাল ১০ টায় আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হচ্ছে। এদিন সকালে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার, চবি’র উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান, উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন। মহান অতিথি থাকবেন অদুল-অনিতা ট্রাস্টের চেয়ারম্যানশ্রী অদুল কান্তি চৌধুরী। সভাপতিত্ব করবেন চবি’র উপাচার্য,

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান। চবি কেন্দ্রীয় মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় সকলকে উপস্থিত থাকতে আহবান করেছেন চবি কেন্দ্রীয় মন্দির উদ্বোধন কমিটির আহ্বায়ক
অধ্যাপক ড. তাপসী ঘোষ রায় ও সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. অঞ্জন কুমার চৌধুরী।

আলোচিত খবর

পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত ৩১ জন নাবিকের হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি ‘বাংলার জয়যাত্রা’

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর যুদ্ধ পরিস্থিতির উন্নতি হলেও বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পেয়ে আবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার পথে রয়েছে।বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, ইরানের নির্দেশনা অনুযায়ী অনুমতি চাওয়া হলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। কূটনৈতিকভাবে অনুমতি পাওয়ার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে জাহাজটি হরমুজের কাছাকাছি অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় শারজায় ফিরে যেতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, জাহাজে থাকা ৩১ জন নাবিকের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত রয়েছে। প্রতিদিন ১৮ টন সামুদ্রিক পানি পরিশোধনের সক্ষমতা থাকলেও ইঞ্জিন চালু রাখতে হওয়ায় রেশনিং করে পানির ব্যবহার দৈনিক ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে। নাবিকদের মনোবল ধরে রাখতে জনপ্রতি দৈনিক খাবারের বরাদ্দ ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। পাশাপাশি বেসিক বেতনের সমপরিমাণ ওয়ার অ্যালাউন্স দেওয়া হচ্ছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন আটকে থাকার পর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে গত বুধবার সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। টানা প্রায় ৪০ ঘণ্টা যাত্রা শেষে শুক্রবার সকালে প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছে ইরান সরকারের কাছে পারাপারের অনুমতি চাওয়া হয়। তবে তেহরান সেই অনুমতি দেয়নি। ফলে জাহাজটিকে ঘুরিয়ে নিরাপদে শারজায় ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, ভারত থেকে পণ্য নিয়ে গত ২ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে ‘বাংলার জয়যাত্রা’। পরে কাতার থেকে স্টিল কয়েল নিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছে। পরদিনই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। ১১ মার্চ জেবেল আলীতে পণ্য খালাস শেষ হওয়ার পর কুয়েতে নতুন পণ্য বোঝাইয়ের পরিকল্পনা থাকলেও যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জাহাজটি নিরাপদে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় বিএসসি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ