বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে সামাজিক সংগঠন আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একটি গাছ লাগান, একটি প্রাণ বাঁচান, একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন” স্লোগানে জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজায়নে বিশেষ অবদান রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে সামাজিক সংগঠন আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি দূষণমুক্ত অক্সিজেনের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটি এই ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

১৭ মে (রবিবার) সকাল ৮ টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটি স্কুল জয়নগর মাঠ ও খাল পাড়ে সামাজিক সংগঠনটি চলতি বছরে এক হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।
এসময় সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, নগরায়নের এই যুগে পরিবেশের উষ্ণতা রোধে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র গাছ লাগানোর আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং দীর্ঘমেয়াদে নদী, খাল ভাঙ্গন ও দূষিত অক্সিজেনজনিত রোগ দূরীকরণে উন্নত জাতের বনজ গাছ বিতরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় বাছাই করা ফলের চারাও বিতরণ করা হচ্ছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন বলেন, ইসলামে বৃক্ষরোপণকে সদাকায়ে জারিয়াহ (অব্যাহত সওয়াব) হিসেবে গণ্য করা হয়। আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন এই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করছে।
তিনি আরো জানান, একটি ফলদ গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ যেমন সুন্দর হয়, তেমনি মানুষ ও পশুপাখি ফল খেয়ে উপকৃত হলে রোপণকারী নিয়মিত নেকি লাভ করেন।

সংগঠনের সদস্য রেজয়ান গাজী বলেন, সঠিকভাবে চারা বিতরণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল অনুসরণ করেছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মসজিদগুলোর ইমাম এবং স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাটিক্ষয়রোধে এই চারাগুলো নদী, খাল ও পুকুরপাড়ে লাগানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করছু। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হচ্ছে, অন্যদিকে গাছগুলো বড় হওয়ার পর স্থানীয়রা এর সুফলভোগ করতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানটি চলতি বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছর ধরেই এই সবুজায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন মো. শাহীন ,মো. মহিউদ্দিন, আফরিন, সাজ্জাদ হোসেন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাসহ সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, চিকিৎসাধীন অবস্থায় তরুণীর মৃত্যু

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়ন ফকিরাবাদে বকশিপাড়ায় স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে। তমা খাতুনের স্বামী বক্কর হোসেন এখন ভেড়ামারা থানা পুলিশ হেফাজতে। তমা খাতুন (১৮) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চার দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিটে মারা যান। নিহত তমা খাতুন ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের ফকিরাবাদ বকশীপাড়া এলাকার তোফাজ্জল হোসেনের মেয়ে।

নিহতের পরিবারের দাবি, গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়ির পাশে ফেলে রেখে যায়। স্বজন ও প্রতিবেশীরা তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নিহতের মামাতো ভাই হাবিবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় ৪-৫ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করে ভেড়ামারা থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। তমার মৃত্যুর পর এলাকায় শোক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। স্বামীর পরিকল্পনায় ঠান্ডা মাথায় খুন করে তমা খাতুনকে।

ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মাদ জাহেদুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে ওই তরুণী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়েছিলেন বলে জানা গেছে। ধর্ষণের কোনো আলামত বা প্রমাণ পুলিশ পায়নি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মিজানুর রহমান বলেন, ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে ওই তরুণীকে হাসপাতালে আনা হয়। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। তবে হাসপাতালে ভর্তির সময় পরিবারের পক্ষ থেকে ধর্ষণের বিষয়ে কোনো তথ্য জানানো হয়নি।

সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর উন্নয়নকাজে গতি আনতে সরেজমিনে তদারকি অব্যাহত রেখেছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাতে নগরীর অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের চলমান কার্পেটিং কাজ পরিদর্শন করেছেন তিনি।

পরিদর্শনকালে মেয়র সড়কের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং কার্পেটিং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার পাশাপাশি নির্মাণকাজে গুণগত মান নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

দীর্ঘদিন সংস্কারের অপেক্ষায় থাকা অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়কের উন্নয়নকাজ এগিয়ে যাওয়ায় এ পথে চলাচলকারী নগরবাসীর দুর্ভোগ কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। কার্পেটিং কাজ শেষ হলে সড়কটি দিয়ে চলাচল আরও স্বাচ্ছন্দ্য ও নিরাপদ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, নগরবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করাই আমাদের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। গুরুত্বপূর্ণ ও দীর্ঘদিন সংস্কারবঞ্চিত সড়কগুলো পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের আওতায় আনা হচ্ছে। কাজের গতি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রতিটি প্রকল্পের গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সিটি করপোরেশনের উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা পূরণে আমরা মাঠে থেকে কাজের অগ্রগতি তদারকি করছি।

কার্পেটিং কাজ শেষ হলে অক্সিজেন-মুরাদপুর সড়ক ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক মানুষের যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার পাশাপাশি নগরের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ