আজঃ সোমবার ১৮ মে, ২০২৬

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে সামাজিক সংগঠন আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একটি গাছ লাগান, একটি প্রাণ বাঁচান, একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ুন” স্লোগানে জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলা ও সবুজায়নে বিশেষ অবদান রাখার লক্ষ্যে দেশব্যাপী বৃহৎ পরিসরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্প হাতে নিয়েছে সামাজিক সংগঠন আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি দূষণমুক্ত অক্সিজেনের মাধ্যমে সুস্বাস্থ্য অর্জনে প্রতিষ্ঠানটি এই ব্যতিক্রমী ও সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

১৭ মে (রবিবার) সকাল ৮ টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার আটি স্কুল জয়নগর মাঠ ও খাল পাড়ে সামাজিক সংগঠনটি চলতি বছরে এক হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়ে প্রকল্পটি উদ্বোধন করেন।
এসময় সংগঠনটির চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম বলেন, নগরায়নের এই যুগে পরিবেশের উষ্ণতা রোধে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন শুধুমাত্র গাছ লাগানোর আনুষ্ঠানিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং দীর্ঘমেয়াদে নদী, খাল ভাঙ্গন ও দূষিত অক্সিজেনজনিত রোগ দূরীকরণে উন্নত জাতের বনজ গাছ বিতরণে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় বাছাই করা ফলের চারাও বিতরণ করা হচ্ছে।

সংগঠনের মহাসচিব মোহাম্মদ সারোয়ার হোসেন বলেন, ইসলামে বৃক্ষরোপণকে সদাকায়ে জারিয়াহ (অব্যাহত সওয়াব) হিসেবে গণ্য করা হয়। আল ফীদ্ দ্বীন ফাউন্ডেশন এই ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করছে।
তিনি আরো জানান, একটি ফলদ গাছ রোপণের মাধ্যমে পরিবেশ যেমন সুন্দর হয়, তেমনি মানুষ ও পশুপাখি ফল খেয়ে উপকৃত হলে রোপণকারী নিয়মিত নেকি লাভ করেন।

সংগঠনের সদস্য রেজয়ান গাজী বলেন, সঠিকভাবে চারা বিতরণ ও পরিচর্যা নিশ্চিত করার জন্য আমরা একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল অনুসরণ করেছি। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মসজিদগুলোর ইমাম এবং স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে মাটিক্ষয়রোধে এই চারাগুলো নদী, খাল ও পুকুরপাড়ে লাগানোর জন্য উদ্বুদ্ধ করছু। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীরা বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত হচ্ছে, অন্যদিকে গাছগুলো বড় হওয়ার পর স্থানীয়রা এর সুফলভোগ করতে পারবে।

প্রতিষ্ঠানটি চলতি বর্ষা মৌসুমসহ সারা বছর ধরেই এই সবুজায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।এসময় উপস্থিত ছিলেন মো. শাহীন ,মো. মহিউদ্দিন, আফরিন, সাজ্জাদ হোসেন ও বিদ্যালয়ের শিক্ষিকাসহ সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে হাইওয়ে পুলিশের নীরবতায় মহাসড়কে নিষিদ্ধ থ্রী-হুইলারের দৌরাত্ম্য।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে দিন দিন বেড়েই চলছে নিষিদ্ধ ব্যাটারিচালিত থ্রী-হুইলারের বেপরোয়া চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসোয়ারার বিনিময়ে কিছু অসাধু চক্রের ছত্রছায়ায় মহাসড়কে অবাধে চলাচল করছে এসব যানবাহন। ফলে চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুলতা, গাউছিয়া, গোলাকান্দাইলসহ মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত শত শত থ্রী-হুইলার চলাচল করছে। আইন অনুযায়ী মহাসড়কে এসব যান চলাচল নিষিদ্ধ হলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।


এলাকাবাসীর অভিযোগ, নিয়মিত মাসিক টাকা দিলেই নির্বিঘ্নে চলতে পারছে অবৈধ যানবাহন। মাঝে মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হলেও সেটিকে লোক দেখানো বলেই মনে করছেন অনেকে। এমনকি অভিযানের আগেই চালকদের কাছে খবর পৌঁছে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চালক বলেন, “মাসিক টাকা দিলে সমস্যা হয় না। অভিযান হওয়ার আগেই খবর পেয়ে যাই।

স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, ধীরগতির এসব যানবাহনের কারণে ঢাকা–সিলেট মহাসড়কে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। দ্রুতগতির বাস ও ট্রাকের সঙ্গে প্রায়ই অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানোর ঘটনা ঘটছে।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন— মহাসড়কে নিষিদ্ধ যান চলাচল বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা কোথায়? আইন কি শুধু সাধারণ মানুষের জন্যই? দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর নজরদারি কেন দৃশ্যমান নয়?

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ভুলতা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জসিম। তিনি বলেন, “আমরা কোনো মাসোয়ারার টাকা নেই না।এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত অবৈধ থ্রী-হুইলারের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে।

চট্টগ্রামে রাস্তার উপর মিলল শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর পাহাড়তলী থানা এলাকায় সাইফুল ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল (৩৫) নামে এক শ্রমিকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে সাগরিকা রোডের কোস্ট ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার ওপর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।নিহত সাইফুল ইসলাম প্রকাশ ইসমাইল ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার পশ্চিম অলকা এলাকার মীর কাশেম হীরুর ছেলে। বর্তমানে তিনি চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার মুরগি ফার্ম এলাকায় জাকির সওদাগরের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে পাহাড়তলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাসুদুর রহমান জানান, সাগরিকা রোডের কোস্ট ফ্যাক্টরির সামনে রাস্তার ওপর তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।তিনি জানান, নিহতের পেটের বাম পাশে গভীর কাটা জখম ছিল এবং নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে আসে। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ