
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মী মো. কাউসার ফারুক স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) নির্বাচনে ১০ নং আহলা-কড়লডেঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জনগণের সমর্থন,ভালবাসা ও দোয়া চেয়েছেন।
মো. কাউসার ফারুক মরহুম হাবিবুর রহমান সওদাগরের পুত্র। তাঁর পিতা ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সদস্য এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একজন সৈনিক ছিলেন।
তিনি জানান, ১৯৮৮ সালে ছাত্র ইউনিয়নের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু হয়। পরবর্তীতে তিনি ছাত্র ইউনিয়ন বোয়ালখালী থানা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা কমিটির সহ-সভাপতি এবং কানুনগোপাড়া স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৩ সালে তিনি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পরবর্তীকালে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)-র বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে সাধারণ মানুষের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করেন।
রাজনীতির পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও শিক্ষামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত। তিনি আহলা সমাজ কল্যাণ সংস্থার সহ-সভাপতি, আল কোরআন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক, বোয়ালখালী ফোরাম, চট্টগ্রাম-এর সহ-সভাপতি, চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং আহলা চাইল্ড কেয়ার একাডেমি পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও শিশুকিশোর সংগঠনের মাধ্যমে মানবকল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক পরিবর্তন, গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও সামাজিক উদ্যোগে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে বোয়ালখালী উপজেলা ও ১০ নং আহলা-কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হয়ে কাজ করার চেষ্টা করেছেন।
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জনগণের সমর্থন প্রত্যাশা করে মো. কাউসার ফারুক বলেন,আমি বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধি হওয়া মানে ক্ষমতা নয়, বরং মানুষের সেবার দায়িত্ব গ্রহণ করা। জনগণ যদি আমাকে তাদের সেবার সুযোগ দেন, তাহলে একটি দুর্নীতিমুক্ত, মাদকমুক্ত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, শিক্ষাবান্ধব ও মানবিক ইউনিয়ন গড়ে তোলার জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও সততার সঙ্গে কাজ করব।”
তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে সমান উন্নয়ন, যুবসমাজের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থরক্ষা এবং আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গঠনে তিনি জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করতে চান।
সবশেষে তিনি আহলা-কড়লডেঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের দোয়া, ভালোবাসা ও মূল্যবান সমর্থন কামনা করেন এবং বলেন, “আমি প্রতিশ্রুতি নয়, কাজের মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করতে চাই। আপনাদের সমর্থনই হবে একটি সুন্দর, নিরাপদ ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ার শক্তি।