চট্টগ্রাম মহানগরের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক পয়েন্টে দেখা যাচ্ছেনা ৩৬ ট্রাফিক সহায়ক

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) ট্রাফিক সহায়তাকারী গ্রুপ (ট্যাগ)-এর কার্যক্রম বন্ধ হয়েছে। যার ফলে নগরের যানজট নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নতুন করে আবারো চাপ তৈরির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অর্থ সংকটের কারণে ট্রাফিক সহায়তাকারী গ্রুপ (ট্যাগ)-এর এমন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যার ফলে নগরের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রাফিক পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন না ৩৬ জন ট্যাগ সদস্য। তবে ট্রাফিক পুলিশ বলছেন, এই পরিস্থিতিতে সিএমপির নিজস্ব জনবল দিয়েই চলবে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চট্টগ্রামের দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে ট্রাফিক পুলিশের পাশাপাশি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সহায়ক সদস্যদের সম্পৃক্ততা ইতিবাচক ভূমিকা রেখে আসছিল। তাদের কার্যক্রম সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। কিন্তু বাজেট সংকটের কারণে তাদের কার্যক্রম হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ট্রাফিক পুলিশকে যানজট নিরসনে বেগ পেতে হবে।

এদিকে কার্যক্রম বন্ধ হওয়ার পরপরই সেবা পুনরায় চালুর দাবিতে সরকারের উচ্চপর্যায়, পুলিশ সদর দপ্তর ও সিএমপি কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন ট্যাগ সদস্যরা। আবেদনে তারা উল্লেখ করেন, সংকটময় সময়ে পুলিশের সহযোগী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে নগরের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ, অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাই মানবিক ও প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে কার্যক্রম পুনর্বহাল এবং সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী পরিস্থিতিতে যখন নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ সংকটে পড়ে, তখন শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত ট্রাফিক সহায়তাকারী গ্রুপ মাঠে নামে। এরপর থেকে ট্রাফিক কনস্টেবল, সার্জেন্ট, ট্রাফিক পরিদর্শক (টিআই) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
ট্রাফিক সহায়তাকারীদের দাবি, আয়তনের তুলনায় চট্টগ্রাম নগরে প্রয়োজনীয় সড়ক না থাকায় প্রতিদিনই তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। বন্দর নগরীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিবেচনায় বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত নগরের ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করে যানজট নিয়ন্ত্রণ, পথচারী ও চালকদের ট্রাফিক আইন সম্পর্কে সচেতন করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাজ করেছেন তারা।

আবেদনে দাবি করা হয়েছে, দায়িত্ব পালনকালে তারা প্রায় ১৭ হাজারের বেশি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা আটক করে ডাম্পিংয়ে পাঠাতে ট্রাফিক বিভাগকে সহায়তা করেছেন। এছাড়া ট্রাফিক আইন ভঙ্গের দায়ে ৭ হাজারের বেশি যানবাহন আটক এবং ৯ হাজারেরও বেশি যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন। একই সময়ে বিভিন্ন ট্রাফিক পয়েন্ট থেকে ১৫০ জনের বেশি মোবাইল চোর ও ছিনতাইকারীকে আটক করে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া অন্তত আটটি হত্যা মামলার সাক্ষী হিসেবে ট্যাগ সদস্যরা আদালতে সাক্ষ্য দিচ্ছেন। ফলে তাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে তারা নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়বেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ট্যাগ সদস্যদের দাবি, তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে তৎকালীন সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ ২০২৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর পুলিশ অর্ডিন্যান্স, ১৯৭৮-এর ১০ ধারা অনুযায়ী সহায়ক পুলিশ হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরে একটি প্রস্তাব পাঠান। ওই আবেদনের সঙ্গে ৩৬ জন সদস্যের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকাও সংযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১৩ অক্টোবর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিষয়টি প্রয়োজনীয় কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখায় পাঠানো হলেও এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

ট্যাগ সদস্যদের পক্ষে ইনচার্জ মো. আজিম উদ্দিন ছিদ্দিকী বলেন, আমরা শুরু থেকেই জনস্বার্থে পুলিশের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দায়িত্ব পালন করেছি। শুধু ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নয়, অপরাধী ধরতেও সহযোগিতা করেছি। আজ অর্থ সংকটের কারণে কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেল। কিন্তু এতে শুধু আমরা নই, নগরবাসীও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।তিনি বলেন, আমরা সবাই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী। এখানে যে সম্মানী পেতাম, তা দিয়েই পড়াশোনার খরচ ও পরিবারকে সহায়তা করতাম। এখন কার্যক্রম বন্ধ হওয়ায় অনেকেই আর্থিক সংকটে পড়বেন। তাই সরকারের কাছে আমাদের আবেদন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পটি পুনরায় চালু করা হোক।

অন্যদিকে লিখিত আবেদনে ট্যাগ সদস্যরা পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে- মামলার সাক্ষী হওয়ায় সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, ট্রাফিক সহায়তাকারী কার্যক্রম পুনরায় চালু রাখা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও নগরবাসীর সেবার স্বার্থে প্রকল্প অব্যাহত রাখা, আর্থিক সংকটে শিক্ষাজীবন ব্যাহত না হওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা এবং নগরীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় আগের মতো দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া।

সিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া বলেন, ট্রাফিক সহযোগী সদস্যরা মূলত বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় অতিরিক্ত সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাদের স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তবে তাদের সম্মানী, ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক বিষয় জড়িত রয়েছে। এ কারণে আপাতত ট্যাগ সদস্যদের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। এখন সিএমপির নিজস্ব জনবল দিয়েই ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করা হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চুরির বিরোধে কৃষককে পিটিয়ে হত্যা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার হুমায়ন কবির (৬০) নামে এক কৃষককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।বুধবার (৪ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে সোমবার ২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফেনীর সোনাগাজীর চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ন কবির কোম্পানীগঞ্জ ও ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরদরবেশ ইউনিয়নের চরচান্দিয়া গ্রামের আলী আহম্মদের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ছিলেন। তার বাড়ি সোনাগাজীতে হলেও তিনি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার।

নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, তারা সোনাগাজীর চরচান্দিয়া গ্রামে বসবাস করলেও তাদের ভোটার ও অন্যান্য কার্যক্রম কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায়। প্রায় ১৫-১৬ দিন আগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের জিন্না মাঝি বাড়ির মো. ইলিয়াছের (৫৫) ছেলে নূর আমিনের (৩০) পাম্প মেশিন ভাড়া নিয়ে তাদের একটি পুকুরে সেচ দিয়ে মাছ ধরা হয়। ওই সময় নূর আমিন তাদের তেল ও মাছ চুরি করেন। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। পরে মুছাপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য জহিরুল হক দুই পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করে বিষয়টি মীমাংসা করে দেন।

তিনি আরও বলেন, সোমবার বিকেলে তার বাবা প্রতিবেশী আব্দুস ছাত্তারের সঙ্গে দাড়িয়ে কথা বলছিলেন। এ সময় ইলিয়াছ ভুল বুঝে মনে করেন, তার বাবা তাদের নিয়ে কথা বলছেন। তাৎক্ষণিক ইলিয়াছ তার দুই ছেলে নূর আমিন ও শুক্কুরকে ফোন করে সেখানে ডেকে আনেন। পরে তারা কয়েকজন মিলে লোহার রড, ধারালো কিরিচ ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তার বাবার ওপর হামলা চালান।

মিজানুর রহমানের অভিযোগ, হামলাকারীদের একজন লোহার রড দিয়ে তার বাবার মাথায় আঘাত করেন। আরেকজন ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি সরে যান। এতে তার মুখের বাম পাশে ও বাম চোখের নিচে দুটি স্থানে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তার পকেটে থাকা মহিষ বিক্রির বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকাও নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে শারীরিক অবস্থার অবনতি ও বমি হওয়ায় চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। পরে তাকে ঢাকার উত্তরার বাংলাদেশ ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার বিকেলে তার মৃত্যু হয়।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তবে ঘটনাটি ফেনীর সোনাগাজী থানার আওতাধীন এলাকায় হওয়ায় বিষয়টি সেখানকার পুলিশকে অবহিত করা হয়েছে।সোনাগাজী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল হাসিম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তিনিও ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরীমনির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন আদালত। উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেওয়া হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রাহমান এ আদেশ দেন।২০২২ সালের ১৮ জুলাই ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ পরীমনির বিরুদ্ধে মারধর, ভাঙচুর, হত্যাচেষ্টা ও হুমকির অভিযোগে ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন।

মামলার অভিযোগে নাসির উদ্দিন উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন পরীমনি ও তার সহযোগীরা সাভারের বোট ক্লাবে প্রবেশ করে ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন তারা। রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ক্লাব ছাড়ার সময় পরীমনি তাকে ডাক দেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনা মূল্যে দেওয়ার জন্য চাপ দেন।
এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। একপর্যায়ে হত্যার উদ্দেশ্যে একটি গ্লাস ছুড়ে মারেন, যা তার মাথা ও বুকে আঘাত করে বলে অভিযোগ করেন নাসির উদ্দিন।

মামলাটি তদন্ত করে গত বছরের এপ্রিলে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমির বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।পুলিশ ও আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, তদন্তে ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনকে মারধরের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পিবিআই। পাশাপাশি পরীমনির ছোড়া মদের গ্লাসে নাসির উদ্দিনের আঘাত পাওয়ার ঘটনারও সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ