রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক গণপতি হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি

ডেস্ক নিউজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক গণপতি হত্যাসহ সারা দেশ খুন, বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে হামলা ও জমি দখলের প্রতিবাদে চট্টগ্রামে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।সমাবেশে বক্তারা বলেছেন, গত ছয় মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুন, সংখ্যালঘুদের নির্যাত, জমি জবর দখলের ঘটনা আমাদের হতাশ করছে। দেশ যদি মৌলবাদী ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর অধীনে চলে যায় তবে সকল প্রগতিশীল মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হবে। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চার হত্যার বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি ও চট্টগ্রাম মহানগর পূজা কমিটির উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে সভাপতিত্ব করেন জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি চন্দন তালুকদার। মহানগর পূজা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নিখিল নাথের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পূজা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী, জন্মাষ্টমী পরিষদের সহসভাপতি তপন কান্তি দাশ, আশুতোষ দাশ, কার্যকরী সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ, সহসভাপতি চন্দন দাশ, বিদ্যালাল শীল, অরবিন্দ পাল অরুন, বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা অধ্যক্ষ বিজয় লক্ষ্মী দেবী প্রমুখ।
আরও পড়ুন

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিএনপির কাছে হিন্দুদের প্রত্যাশা ছিল অনেক। কিন্তু গত ছয় মাসে দেশের বিভিন্ন জায়গায় খুন, হিন্দুদের ওপর হামলা, জমি জবর দখলের ঘটনা হিন্দুদের হতাশ করছে। এছাড়া হিন্দুদের বিভিন্ন ট্যাগ দিয়ে চাকরিসহ বিভিন্ন দপ্তরে হয়রানি ও চাকরিচ্যুত করছে। বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ হলেও সরকার, প্রশাসন ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী ঘাপটি মেরে বসে আছে। তারা সময় সুযোগ পেলে এ দেশের ধর্মীয় সংখ্যালঘু সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

তারা আরও বলেন, রংপুরসহ সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতন, মঠ-মন্দির, দোকানপাট দখল করছে তাদের কোনো ধর্ম পরিচয় থাকতে পারে না। তাদের অনতিবিলম্বে তদন্তপূর্বক বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারের মাধ্যমে শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীসহ চারজনের হত্যায় প্রকৃত দোষীদের তদন্তপূর্বক গ্রেপ্তার ও বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানানো হয়।পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে চেরাগী পাহাড় হয়ে জেএমসেন হল প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দীপেন তালুকদার দীপুকে সংবর্ধনা দিল কাউখালী উপজেলা বিএনপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবাগত চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপুকে সংবর্ধনার মধ্য দিয়ে বরণ করে নিয়েছে কাউখালী উপজেলা বিএনপি। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) উপজেলার বেতবুনিয়া গোদাপাড় এলাকায় কাউখালী উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপুকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা জানিয়ে বরণ করে নেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা যায়।


সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নবনিযুক্ত জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মামুনুর রশিদ এবং জেলা পরিষদের নতুন সদস্য পাইচিং মং মারমা। এছাড়া বিএনপি রাঙামাটির উপদেষ্টা সৈয়দুল আলম, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোতালেব, যুগ্ম সম্পাদক চিংছাউ মারমা, জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম, জাসাস সভাপতি কামাল উদ্দিনসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বেতবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আকবর, ফটিকছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শশি চাকমা এবং বেতবুনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

বক্তারা বলেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে জেলার উন্নয়ন, জনকল্যাণ এবং পাহাড়ি-বাঙালি সব জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি আরও সুদৃঢ় হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে। তারা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের দায়িত্ব পালনে আন্তরিকতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, পার্বত্য এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে জেলা পরিষদকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, কৃষি, পর্যটনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

সংবর্ধনার জবাবে নবাগত চেয়ারম্যান দীপেন তালুকদার দীপু উপস্থিত নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং রাঙামাটি জেলার সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদের সদস্যদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের সফলতা কামনা করেন। পরে উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শেষ হয়।

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষ নিয়ে বিক্ষোভ , পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যম কর্মীদের হামলা ও মারধর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বরে পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় গণমাধ্যম কর্মীদেী উপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লা ও জেলার স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমান মাদবরসহ বেশ কয়েকজন এ হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১০টার দিকে

ভুক্তভোগী সাংবাদিকবৃন্দ জনান, জেলা প্রশাসন জেলা প্রেসক্লাবকে লিখিত নোটিশ না দিয়ে প্রেসক্লাবের সীমানা প্রাচীর ভেঙে দেন। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার দুপুরে শরীয়তপুর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ করেন।

এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মব সৃষ্টি হয়েছে এমন আখ্যা দিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করছিলো বিএনপি ও তাদের সহযোগী অঙ্গসংগঠনের কিছু লোকজন। সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে যায় নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন, জাগো নিউজ ও খবরের কাগজের প্রতিনিধি বিধান মজুমদার অনি।

এসময় জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি আমান মাদবরসহ বেশ কয়েকজন তাকে মারধর করে। এই ঘটনার কিছুক্ষণ পর সেখানে সংবাদ সংগ্রহকালে পূণরায় শরীয়তপুর ও মাদারীপুর জেলা প্রতিনিধি জাহিদ হাসান রনি এবং এদিনের জেলা প্রতিনিধি বরকত উল্লাহকে একই কায়দায় মারধর করেন জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লাসহ বেশ কয়েকজন।

এমনকি সেখানে জাহিদ হাসান রনির মুঠোফোন ছিনিয়ে নেয়া হয়। পরে স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। পরে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন শরীয়তপুর জেলা প্রেস ক্লাব সহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন।এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক বিধান মজুমদার অনি বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে আমার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে কয়েকজনের সহযোগিতায় কোনোমতে ঘটনাস্থল থেকে নিজেকে রক্ষা করে সরে আসি। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।

এ বিষয়ে দৈনিক এদিনের জেলা প্রতিনিধি বরকত উল্লাহ বলেন, জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফ মোল্লা আমাকে হুমকি দিয়ে বলেন, ‘ও সাংবাদিক, ওকে ধর।’ এরপর তার নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবক দলের আমান মাদবরসহ কয়েকজন সংঘবদ্ধভাবে আমার ওপর হামলা চালান। তারা আমাকে কিল, ঘুষি ও লাথি মারেন। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন আমাকে উদ্ধার করে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। হামলার সময় আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় আমি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ও শঙ্কার মধ্যে রয়েছি।

এ বিষয়ে শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল হোসেন সরদার বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। এ ঘটনায় শরীয়তপুর জেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

ঘটনার বিষয়ে জানতে যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফ মোল্লার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে সংবাদ কর্মীর সাথে উদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেন। মুঠোফোনে তিনি বলেন, অনেকেই লিস্টে আছে সন্ধ্যার পর খবর পেয়ে যাবে। তুমি নিজেও তৈরি থাকো , আছো কোথায়, থাকো আসতেছি। তোমরা লেখবা আর আমরা তো তোমাদের পিটাবো।

শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আব্দুস সালাম বলেন, সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের সাথে অন্যায় আচরণ করেছেন। তারা এভাবে তার প্রত্যাহার চাইতে পারে না। সাংবাদিকতার আড়ালে কিছু সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদের দোসরা বিএনপি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এমন কাজ করেছেন। এ কারণে আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছি। সেখানে কোন সাংবাদিক নিগৃহীত বা মারধরের শিকার হয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই।এ বিষয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম এন্ড অপস) তানভীর হোসেন বলেন, গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে বিষয়টি ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ