চট্টগ্রাম বন্দরে জেটি সরকারকে ঘুষি মারার অভিযোগে তদন্ত কমিটি

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে গাড়ির পাস নিয়ে তর্কের জেরে এক জেটি সরকারকে ঘুষি মারার অভিযোগ উঠেছে বন্দরের এক চেকারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি তদন্তে মঙ্গলবার(৬ অক্টোবর) তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। ঘটনায় মো. আতিকুর রহমান (৪৫) নামে ওই জেটি সরকার আহত হয়েছেন।
তবে কী কারণে জেটি সরকার ও চেকারের মধ্যে গাড়ির পাস নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত এবং হামলার ঘটনায় কার কী ভূমিকা ছিল, তা তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
আহত মো. আতিকুর রহমান সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স টক ট্রেডের জেটি সরকার। ঘটনার পর তাকে প্রথমে চট্টগ্রাম বন্দর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. মোশারফ হোসেন বলেন, সোমবার বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে আতিকুর রহমান বন্দরের ৮ নম্বর ইয়ার্ডে যান। সেখানে বন্দরের নিম্নমান বহিঃসহকারী (জেআরওএ) বা চেকার জুয়েলের সঙ্গে গাড়ির পাস নিয়ে তার তর্ক-বিতর্ক হয়।
তিনি বলেন, একপর্যায়ে চেকার জুয়েল দে আতিকুর রহমানকে ঘুষি মারেন। এতে তার চোখের নিচে জখম হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ কেফায়েত হামিম বলেন, ঘটনাটি তদন্তে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বন্দরের টার্মিনাল ম্যানেজার মুহাম্মদ আনিস উদ্দিন আহাম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি দুপক্ষের সঙ্গে মীমাংসা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বন্দর কর্তৃপক্ষ তদন্ত কমিটি গঠনসহ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

লোহাগাড়ায় বিএনপির মতবিনিময় সভা দলীয় সমর্থনের প্রত্যাশায় এক মঞ্চে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা 

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় সমর্থিত প্রার্থী বাছাই ও নির্বাচনী কার্যক্রম নিয়ে চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় বিএনপির জরুরি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপজেলার নয় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মতামত নেওয়া হয়।

রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার আমিরাবাদ ইউনিয়নের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি  আসহাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সভায় দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য  সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরী, সাজ্জাদুর রহমান, সালাহউদ্দিন চৌধুরী সোহেল ও ফৌজুল কবির ফজলু বক্তব্য দেন।

সভায় বক্তারা বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে হবে। সম্ভাব্য প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তৃণমূলের মতামত, সাংগঠনিক ভূমিকা, জনসম্পৃক্ততা ও স্থানীয় পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।

এ সময় বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নিজেদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। তারা দলের দুঃসময়ে নিজেদের ভূমিকা, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং নিজ নিজ এলাকায় দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ডের কথা উল্লেখ করে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশা করে একাধিক সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপি সাবেক যুগ্ম আহবায়ক এসএম আবু সাইদ চৌধুরী টিটু,  বিএনপি নেতা মোঃ জসিম উদ্দিন,  লোহাগাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আমিরাবাদ ইউনিয়নের সাবেক ছাড়ানেতা সাংবাদিক খলিল চৌধুরী, কলাউজান ইউনিয়নের আবুল কাশেম ও আধুনগর ইউনিয়নের সোহেল আরিফসহ অনেক।

মতবিনিময় সভায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিষয়ে তৃণমূলের মতামত গ্রহণ, দলীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।সভায় লোহাগাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন যুবদল নেতা বাহাদুর চৌধুরী ও মো. সেলিম উদ্দিন।

চউক’র অভিযান, গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার মইজ্জ্যারটেক মোড়ে সোমবার (৫ অক্টোবর) দুপুর ১২টার পর সিডিএর স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ) হামীমুন তানজীনের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে সিডিএর মইজ্জ্যারটেক প্রকল্পের প্রকল্প কর্মকর্তা (পিডি) ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ হাসান, কর্ণফুলী থানা পুলিশ ও স্পেশাল পুলিশের সদস্যরা অংশ নেন। প্রায় ৪০ জন শ্রমিক ও একটি এক্সকাভেটরের সহায়তায় অবৈধ স্থাপনাগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে মইজ্জ্যারটেক মোড়ে আব্দুল মন্নানের দখলে থাকা ওয়েলফুড, এস আলমের চেমন ইস্পাত লিমিটেডের সীমানাপ্রাচীর, কুলিং কর্নার, মুদির দোকান, বিকাশের দোকান, গোডাউন, বেকারি এবং সড়কের ওপর নির্মিত ঝুপড়ি দোকানসহ বিভিন্ন স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।চউকের প্রকল্প কর্মকর্তা মোহাম্মদ হাসান বলেন, মইজ্জ্যারটেক মোড়ের জংশনটি উচ্ছেদ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য অবৈধ স্থাপনাও উচ্ছেদ করা হবে।

আলোচিত খবর

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্ক ও যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ডেনমার্ক গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ইস্যুতে সমঝোতায় পৌঁছেছে । আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইড মিটিং এ দুই দেশের মধ্যে এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এ বিষয়ে বক্তব্য স্পষ্ট, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের সুযোগ পাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ