আজঃ বৃহস্পতিবার ৫ মার্চ, ২০২৬

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের অভিযোগের সত্যতা তদন্তে ড. ইউনূসকে জিজ্ঞাসাবাদ,দুদক সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তদন্তের অংশ হিসেবে নোবেলজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মাহবুব হোসেন।

তিনি আরও বলেছেন, তারা কারও নাম দেখে কাজ করেন না, তাই তদন্তে প্রভাবিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ইউনূসকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন দুদক সচিব।

ড. ইউনূস যে মামলায় জিজ্ঞাসাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন, সেটি হয়েছে তার আরেক প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের আনা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে।

গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চলতি বছরের ৩০ মে মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। এতে কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে ইউনূস ছাড়াও আসামি হয়েছেন আরও ১২ জন।

এই ১৩ জনকেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুদক। ইউনূস আসার আগের দিন বক্তব্য দিয়ে যান গ্রামীণ টেলিকমের পরিচালক নাজনীন সুলতানা, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী। সব মিলিয়ে সাত জনের বক্তব্য জেনেছে সংস্থাটি।

সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সেগুনবাগিচায় দুদক প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন ইউনূস। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বেরিয়ে যান বেলা ১১টা ৫৬ মিনিটে।

যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “মামলাটি মিথ্যা, এ ব্যাপারে আমি শঙ্কিত নই।

তার আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, “কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে ড. ইউনুসের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দেশীয় আন্তর্জাতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে এই ভিত্তিহীন মামলা করা হয়েছে। দুদকে আমরা বলেছি, যে মামলা করা হয়েছে, তার আইনগত কোনো ভিত্তি নেই।

পরে দুদক সচিব সাংবাদিকদের বলেন, “কলকারখানা অধিদপ্তরে গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের দায়ের করা অভিযোগের সত্যতা পেয়ে বিষয়টি দুদকে পাঠানো হয়। অভিযোগগুলো যাচাই করে তা দুদকের তফসিলভুক্ত হওয়ায় মামলা হয়। বর্তমানে তদন্ত চলছে।

ইউনূসের ব্যক্তি পরিচয়ের কারণে তদন্ত প্রভাবিত হবে কি না- এই প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘দুদক কারো ব্যক্তিগত পরিচয় দেখে না বলে প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই।

বিদেশ যাত্রায় নিষেধাজ্ঞা এবং গ্রেপ্তারের বিষয়ে এক প্রশ্নে দুদক সচিব বলেন, “তদন্ত কর্মকর্তা যদি মনে করেন যার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি আত্মগোপন করতে পারেন কিংবা আলামত নষ্ট করতে পারেন অথবা সাক্ষীদের প্রভাবিত করতে পারেন, সে ক্ষেত্রে তার আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে এস ড্রাইভ অভিযানে ৫ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদককারবারি গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে বিশেষ এস ড্রাইভ অভিযানে ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুজনকে গ্রেফতার করেছে মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা উত্তর বিভাগ। বুধবার ভোরে মহানগর গোয়েন্দা উত্তর বিভাগের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খুলশী থানার দামপাড়া এলাকার কে-স্কয়ার কনভেনশন হলের বিপরীত পাশে বাস কাউন্টারের সামনে অভিযান পরিচালনা করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. রাসেল (২৯) ও মো. মোফাজ্জল হোসেন (৬২)।

অভিযানকালে সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরবর্তীতে তাদের দেহ তল্লাশি করে রাসেলের কাছ থেকে ৩ হাজার পিস এবং মোফাজ্জল হোসেনের কাছ থেকে ২ হাজার পিসসহ মোট ৫ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।

সীতাকুণ্ডের ঘটনায় অপরাধীদের শাস্তির আওতায় আনা হবে : মীর হেলাল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার কথা জানালেন চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী-বায়েজিদ বোস্তামী আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেছেন, সাম্প্রতিক মর্মান্তিক ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। এ ধরনের ঘটনা আমাদের সবার জন্য অত্যন্ত বেদনাদায়ক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অবগত আছেন এবং তিনি গভীরভাবে ব্যথিত। বিচার নিশ্চিত করতে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।সীতাকুণ্ড উপজেলায় সম্প্রতি সংগঠিত পৈশাচিক ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত শিশু কন্যার পরিবারের খোঁজ খবর ও সমবেদনা জানাতে বুধবার কুমিরা বাজার এলাকায় গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

অপরাধীদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে জানিয়ে মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি করার সাহস না পায়, সে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনা আমাদের সবাইকে মানসিকভাবে আঘাত করেছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে আছি এবং থাকবো।
শিশু-কিশোরদের নিরাপদ ও স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, তারা যেন নিরাপদে খেলাধুলা করতে পারে এবং স্বাভাবিক শৈশব-কৈশোর কাটাতে পারে, সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এর আগে গত সোমবার সীতাকুণ্ড পৌর সদরের ইকোপার্কে গলা কাটা অবস্থায় জান্নাতুল নাইমা ইরা (৭) নামের এক শিশুকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ১ মার্চ রাতে শিশুটির মা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) ভোরে হাসপাতালের আইসিইউতে শিশুটির মৃত্যু হয়। এদিন বাবু শেখ ওরফে মাহবুব আলম (৪৫) নামের এক ব্যাক্তিকে গ্রেফতারের পর পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুকে চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করা হয়। পরে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা করা হয়।

আলোচিত খবর

জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দল থেকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজনৈতিক সমঝোতার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার পদে বিরোধী দল থেকে প্রতিনিধি নেওয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন- জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সোমবার ২ মার্চ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ তথ্য জানান। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, রাজনৈতিক ঐকমত্যকে গুরুত্ব দিয়ে প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ডেপুটি স্পিকারের জন্য একটি নাম প্রস্তাব করতে অনুরোধ করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে মৌখিক ও সরাসরি যোগাযোগও করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্পিকার নির্বাচনের দিনই ডেপুটি স্পিকার পদেও নির্বাচন সম্পন্ন করা যেতে পারে। এতে সংসদ পরিচালনায় ভারসাম্য ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়- জাতীয় সনদের আলোকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ