আজঃ বৃহস্পতিবার ১৪ মে, ২০২৬

এবার ব্যাংক ঋণেও সুদহার বাড়নো হলো।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীতি সুদহার বাড়ানোর এক দিন বাদেই সব ধরনের ব্যাংক ঋণের সুদহার বাড়ান হল, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এই পদক্ষেপ বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নতুন সিদ্ধান্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঠিক করে দেওয়া ‘স্মার্ট (সিক্স মান্থস মুভিং এভারেজ রেট অব ট্রেজারি বিল)’ সুদ হারের সঙ্গে ব্যাংকগুলো সর্বোচ্চ সাড়ে ৩ শতাংশ সুদ যোগ করতে পারবে, এতদিন যা ছিল সর্বোচ্চ ৩ শতাংশ।

অক্টোবর মাসে নতুন ঋণের উপর এ সুদ হার আরোপ হবে। অক্টোবর মাসের জন্য স্মার্ট সুদহার নির্ধারণ করা হয় ৭ দশমিক ২০ শতাংশ। এরসঙ্গে সুদ হার সাড়ে ৩ শতাংশ যোগ করলে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণে সুদহার দাঁড়াবে ১০ দশমিক ৭০ শতাংশ, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত যা ছিল ১০ দশমিক ২০ শতাংশ।

গত বুধবার রাতে রেপো সুদহার বাড়ানোতে আগামী নভেম্বর মাসে স্মার্ট সুদহার আরও বেড়ে গিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে ঋণে সুদহার আরেকটু বাড়বে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারে সুদহার বাড়ানোর পর তার ব্যাখ্যায় বলেছে, “বর্তমান বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অবস্থার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির উপর বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এক্ষণে মূল্যস্ফীতি র্পযায়ক্রমে হ্রাস করার লক্ষ্যে সুদহার নতুন করে নির্ধারণ করতে হবে।”

নতুন সুদহার অনুযায়ী, প্রি-শিপমন্টে রপ্তানি ঋণ এবং কৃষি ও পল্লী ঋণরে সুদহার নির্ধারণ করতে হবে স্মার্ট সুদহারের সঙ্গে সর্বোচ্চ আড়াই শতাংশ, এতদিন যা ছিল ২ শতাংশ। এতে এসব খাতে ঋণ সুদহার গড়াবে ৯.৭০ শতাংশে। অন্যান্য ঋণের মতো এসব খাতের সুদহারও নভেম্বর মাসে বেড়ে যাবে। নিদের্শনা জারির পর অর্থাৎ আগামী ৮ অক্টোবর থেকে নতুন সুদহার কাযকর করার কথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এছাড়া সিএমএসএমই ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) এর সুদহার নির্ধারণের বিষয়ে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) স্মার্ট এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ হারে মার্জিন যোগ করতে পারবে।

কুটির, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (সিএমএসএমই) খাত এবং ভোক্তা ঋণের আওতায় ব্যক্তিগত ঋণ ও গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে ব্যাংক আরও ১ শতাংশ সুপারভিশন চার্জ যোগ করতে পারবে, তবে তা শুধু বছরে একবারের বেশি হবে না।

নতুন সুদহার নির্ধারণের জন্য ব্যাংকগুলো স্থির বা পরিবর্তনশীল যে কোনো একটি নির্ধারণে গ্রাহকের সম্মতি অনুযায়ী হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থাৎ ব্যাংক চাইলে সর্বোচ্চ মার্জিনের মধ্যে যে কোনো একটি অঙ্কে সুদহার নির্ধারণ করে দিতে পারে।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কথা জানিয়ে গত বুধবার নীতি সুদহার বলে পরিচিত রেপো সুদহার শূন্য দশমিক ৭৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


পাবনার ভাঙ্গুড়ায় যমুনা ইলেকট্রনিক্স এর এক্সক্লুসিভ শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন হয়েছে।
আজ ২৭ এপ্রিল সোমবার দুপুরে সঞ্চিতা ইলেকট্রনিক্স এর স্বত্বাধিকারী সংগীত কুমার পালের সভাপতিত্বে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর হেড অব সেলস মাকসুদুর রহমান প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে এই শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ভাঙ্গুড়া বণিক সমিতির সভাপতি সাবেক অধ্যক্ষ মোঃ শহিদুজ্জামান তরুন, ভাঙ্গুড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র আজাদ খান প্রমূখ।
যমুনা ইলেকট্রনিকস এর প্রতিটি পন্য কোয়ালিটিতে ওয়ান নম্বার এবং বিশ্ব মানের বলে দিন দিন মার্কেটে ভোক্তাদের কাছে যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পন্য সামগ্রিই ব্যাপক চাহিদা বাড়ছে।

এছাড়াও দেশব্যাপি যমুনা ইলেকট্রনিকস এর সকল পার্টনারসবৃন্দ যমুনার পন্য বিক্রি করে অনেক বেশি মুনাফা হচ্ছে বলে তারা অনেক খুশি। শো-রুম এর শুভ উদ্বোধন শেষে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ভাঙ্গুড়া বাজারের বিভিন্ন প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শো-রুম এর অফিসে এসে শেষ হয়। অনুষ্ঠানে এলাকার বিভিন্ন রকমের সাধারণ জনগণ,সাধারণ ব্যবসায়ী,রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও পাবনা জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে কেনা হচ্ছে ১ কোটি ৩০ লাখ লিটার পাম ওয়েল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ভর্তুকিমূল্যে পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারীদের জন্য ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল এবং মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এসব এসব প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।বৈঠক শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত পুনঃদরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি ৩০ লাখ ৩২ হাজার লিটার পরিশোধিত পাম ওয়েল কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পাওয়ার হাউস জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি থেকে এই তেল কিনতে ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ২৯ লাখ টাকা।

একই বৈঠকে জাতীয় উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে মসুর ডাল ক্রয়েরও প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। ৮ হাজার টন ডাল সংগ্রহ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ২ হাজার টন ডাল কেনা হবে, যার জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ কোটি ৬৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঢাকার গুলশানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইজ সার্ভিসেস লিমিটেড এই ডাল সরবরাহ করবে।

আলোচিত খবর

চট্টগ্রাম কাস্টমসে নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেয়া ২২০ কন্টেইনার পণ্য বিক্রি হবে নিলামে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া ২২০ টি কন্টেইনার নিলামে তোলার পদক্ষেপ নিয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের জট নিরসনে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। সর্বমোট ১৩৭টি লটে ২২০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে। বিশেষ করে আমদানির পর নির্দিষ্ট সময়ে ডেলিভারি না নেওয়া এসব কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে।এই নিলাম প্রক্রিয়া অনলাইনে (ই-অকশন) সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, পুরো মে মাস জুড়ে দরদাতাদের জন্য সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে সর্বোচ্চ দরদাতাদের পণ্য খালাসের ক্ষেত্রে আমদানি নীতি আদেশ ২০২১-২০২৪ এর শর্তাবলী মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।
চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্দরকে কন্টেইনার জটমুক্ত করতে এবং ভৌত ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের নিলাম কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

কাস্টমস সূত্র জানায়, আমদানিকৃত এসব পণ্য মাসের পর মাস বন্দরে পড়ে থাকায় একদিকে যেমন বন্দরের জায়গা দখল হয়ে আছে, অন্যদিকে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আটকে রয়েছে। এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ও সক্ষমতা কমছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে মে মাসে দুই ধাপে এই ই-অকশন অনুষ্ঠিত হবে।

জানা গেছে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিশেষ আদেশ অনুসারে ‘ই-অকশন-৪/২০২৬’-এর আওতায় ১২০টি লটে ১৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে তোলা হবে।
এই তালিকায় রয়েছে বিভিন্ন ধরণের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, কাগজ, কাপড় (ফেব্রিক্স), গৃহস্থালির সামগ্রী এবং এসি পার্টস। বিশেষ বিষয় হলো, এই পণ্যগুলোর নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য থাকছে না। এই ধাপের দরপত্র আগামী ৯ জুন সকাল ১১টায় খোলা হবে। অন্যদিকে, স্থায়ী আদেশ অনুযায়ী ‘ই-অকশন-৫/২০২৬’-এর আওতায় ১৭টি লটে আরও ৬০ কন্টেইনার পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে।

এর মধ্যে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, স্টিল স্ক্র্যাপ, গাড়ি এবং লবণ। এই ধাপের দরপত্র আগামী ১৪ মে দুপুর ৩টায় উন্মুক্ত করা হবে। নিলাম প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করতে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে কার্যক্রমটি পরিচালিত হচ্ছে। আগ্রহী ক্রেতারা ঘরে বসেই বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে দরপত্র দাখিল করতে পারবে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ