আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিএনপি নেতা নাজিমের নেতৃত্বে নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে ‘প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক ফোরাম’ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক দল। রোববার (১৫ অক্টোবর)  চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। দলটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক নেতা ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) ভিপি নাজিম উদ্দিন, মহাসচিব হয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে চাকসুর নির্বাচিত জিএস আজিম উদ্দিন।

নতুন এই রাজনৈতিক দলে বেশিরভাগ সদস্যই বিএনপির পদবঞ্চিত সাবেক নেতাকর্মীরা বলে দাবি করেছেন নাজিম উদ্দিন।
তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, সরকারের ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে নির্বাচনের আগে আগে এই সংগঠন বানিয়ে নেতাকর্মীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে চাকসু ভিপি নাজিম বলেন, ‘দেশে কোনো সাংঘর্ষিক রাজনীতি আমরা চাই না। ভাঙচুর, গাড়ি পোড়ানো, মানুষ হত্যা, হরতাল-অবরোধ রাজনীতির কোনো ভাষা হতে পারে না।

 

‘বর্তমান উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সংকট থেকে পরিত্রাণের উপায় হিসেবে একটি গণতান্ত্রিক ধারার উন্মেষ সময়ের দাবি। তাই আমরা সমমনা, দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের সহযোদ্ধারা একত্রিত হয়ে একটি ভিন্ন ধারার রাজনৈতিক প্লাটফরম গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। বর্তমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে এ উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে আমরা আশাবাদী,’ বলেন তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে নাজিম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে দল ঘোষণার পর ঢাকায় কনভেনশন হবে নতুন দলের। সেখানে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ঘোষণা করা হবে।’
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক নেতা ও সাবেক মন্ত্রী আরিফ মঈন উদ্দিন এ রাজনৈতিক দলে রয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে নির্বাচনের আগে আগে নবগঠিত দলের নিবন্ধন কীভাবে হবে এর কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দেননি তিনি।

এ বিষয়ে নগর বিএনপির আহ্বায়ক ডা. শাহাদাত বলেন, ‘সরকারের ইন্ধনে নির্বাচনের আগে আগে এই রকম দল ঘোষণা ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপিকে বাদ দিয়ে এদেশে কোনো নির্বাচন হবে না। তারা এগুলো করে দলের নেতা কর্মীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও আমরা সবাই এক ও ঐক্যবদ্ধ আছি।’
‘যারা সেখানে গেছেন তারা দল থেকে দূরে আছেন, অনেকেই বহিস্কৃত, তাই দলের ভাবমূর্তি তাদের কাছে এখন কিছুই না। তবে নতুন দল দিয়ে নির্বাচন করানোর চেষ্টা সরকারের সফল হবে না,’ বলেন তিনি।

১৯৯০ সালে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে জাতীয় ছাত্রলীগ থেকে ভিপি পদে নাজিম উদ্দিন এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট থেকে জিএস পদে আজিম উদ্দিন বিজয়ী হন। এরপরে নাজিম বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন। তিনি চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির আগের কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটিতে তাকে কোনো পদে রাখা হয়নি। পদে না থাকলেও দলের বিভিন্ন কর্মসূচিতে সক্রিয় ছিলেন। বিএনপি সূত্র জানায়, গত ৬ মাস তাকে কোনো দলীয় কর্মসূচিতে দেখা যায়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শুক্রবার ১১ ফেব্রুয়ারী সকালের মধ্যে বেশির ভাগ আসনের ফল প্রকাশ: ইসি সানাউল্লাহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহexpand
নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন শেষে যত দ্রুত সম্ভব সময়ের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, ‘আমরা যত দ্রুত সময় সম্ভব ভোটের ফল প্রকাশ করার চেষ্টা কবর। ভোটের পর দিন (শুক্রবার) সকালের মধ্যেই বেশির ভাগ আসনের ফল হয়ে যাবে।বধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের আনুষ্ঠানিক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ