আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

রাউজানে পূর্বআবুরখীল শান্তিময় বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পন্ন

রতন বড়ুয়া সিনিয়র রিপোর্টার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ধর্মগ্রাম আবুরখীলে জম্মজাত ১৭তম সংঘনায়ক ভদন্ত দ্যুবরাজ মহাস্থবীর প্রতিষ্ঠিত পূর্ব আবুরখীল তালুকদার পাড়া শান্তিময় বিহারে প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভিয্যের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসৰ দানোত্তম স্তুত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১১ নভেম্বর রোজ শনিবার সারাদিন ব্যাপি এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকালবেলা জাতীয় পতাকা ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, বিশ্বশান্তি কামনায় মঙ্গল সুত্রপাঠ, বুদ্ধপূজা উৎসর্গ ও সদ্ধর্ম আলোচনা অষ্টপরিস্কার সহ পঞ্চশীল গ্রহন।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার অর্থসচিব ভদন্ত সোবিতানন্দ মহাথের।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শান্তিময় বিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধানন্দ থের।

দুপুর ২ ঘটিকায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব। ভদন্ত করুনা প্রিয় থের এর মঙ্গলাচরণের মধ্য দিয়ে সূচনা করা হয় অনুষ্ঠানের।

বিহার পরিচালনা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদাক সাংবাদিক রতন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার অর্থসচিব ভদন্ত সোবিতানন্দ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী স্বপন কুমার বড়ুয়া।

প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ রাঙ্গুনিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ভদন্ত ধর্মানন্দ মাহাথের।

কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সাংগঠনিক সম্পাদক ও অজন্তা বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত পরমানন্দ মহাথের।
প্রধান জ্ঞাতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি তদন্ত জ্ঞানানন্দ মহাথের ও বিশেষ জ্ঞাতী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার ধর্মীয় সম্পাদক আবুরখীল কেন্দ্রিয় বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত অরুণানন্দ মহাথেরো ও কেউটিয়া খামার বাড়ী সার্বজনীন ধর্মদূত বিহারের অধ্যক্ষ তদন্ত ধর্মানন্দ মহাথের,ভদন্ত পূর্ণানন্দ থের।
পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন সমাজ সেবক প্রদীপ বড়ুয়া।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণিত সমিতির সদস্য ও পটিয়া সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর রুপেন বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শান্তিময় বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুপতি রঞ্জন বড়ুয়া সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিকলু বড়ুয়া।

উক্ত পূন্যময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাঠিছড়ি সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি লায়ন রুপন বড়ুয়া, রাউজান বিমলানন্দ কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি, সমাজ সেবক সমাজ সেবক সমাজ সেবক ভূষণ বড়ুয়া , রাউজান প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিউল আলম , সমাজসেবক প্রকৌশলী প্রীতিময় বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুব এর সভাপতি পুস্পেন বড়ুয়া কাজল।

উপস্থিত ছিলেন বিহার পরিচালনা কমিটির কার্যকরী সভাপতি আনন্দ প্রসাদ বড়ুয়া, আবুরখীল জনকল্যান প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রবেশ কুমার বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ মহিলা সমিতির সভাপতি সঞ্চিতা তালুকদার,অর্থ সম্পাদক কমল বড়ুয়া।

এছাড়াও পন্ডিত প্রবর ভিক্ষু সংঘ দানের উপর আলোচনায় অংশগ্রহন করেন। সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফানুষ উত্তোলন করা হয়।

৷ ছবির ক্যাপশন সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখছেন ডক্টর রুপেন বড়ুয়া

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শোহাদা-ই কারবালা মাহফিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

৫ই মহররম, ২১ জুন, ২০২৬ খ্রি:রবিবার হামজারবাগ, বিবিরহাট, পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম’র ব্যবস্থাপনায় মাদ্রাসা-ই-শাহানশাহহযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী মিলনায়তনে ধারবাহিক প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র আহলে বাইতে রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহী ওয়াসাল্লাম) স্মরণে ৫ দিনব্যাপী শোহাদা-ই কারবালা মাহফিল ১ম দিবসে মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদ এর সম্মানিত সহ-সভাপতি ও কাফকো,র সাবেক অপারেশন চিফ অফিসার ইঞ্জিনিয়ার আজিজুর রহমান চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন-। আহলে বায়াতে রাসুল (দ.) এর প্রতি ভক্তি শ্রদ্ধা ভালবাসাই, হলো ঈমান ও প্রকৃত ইসলামের মূল ভিত্তি। প্রধান আলোচক ছিলেন কুমিল্লা গিলাতলা দরবার শরীফে সাজ্জাদানশীন মাওলানা মুফতি বাকী বিল্লাহ আযহারী তিনি বলেন-ঈমানদ্বার মুসলমান আর মোনাফিক চিহ্নিত করার অন্যতম কষ্টি পাথর হলো শোহাদা-ই কারবালা।

বিশেষঅতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সমকাল চট্টগ্রামের জ্যেষ্ঠ ব্যুরো চিফ জনাব নাসির উদ্দিন হায়দার। বিশেষ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উম্মুল আশেকিন মুনাওয়ারা বেগম হেফজখানা ও এতিমখানার সাবেক প্রধান হাফেজ, হাফেজ মাওলানা আবুল কালাম। মাদরাসা-ই শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ সোহাইল উদ্দিন জেহাদী। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় পর্ষদের সম্মানিত সদস্য আলহাজ্ব নুরুল করিম নুরু, অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন মাওলান মুজিবুল হক। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শোহাদা-ই কারবালা উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ আলী, কো-চেয়ারম্যান ফজলুল হক ফজু, এম মাকসুদুর রহমান হাসনু, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবীব বাবু, উদযাপন পরিষদের সচিব মাওলানা কাজী হাবীবুল হোসাইন, উদযাপন পরিষদের মধ্যে আকতার মিয়া, মুহাম্মদ ওমর – ফারুখ, শফিকুল ইসলাম শফিক, মুহাম্মদ শওকত হোসাইন রুবেল, মোহাম্মদ খুরশিদ আলম, সাংবাদিক বরুন কুমার আচার্য বলাই, আবদুল মান্নান, রোকনুজ্জামান টুটুল, কাজী আশরাফ হোসাইন, আবু সাদাত সায়েম সুমন, সাইফুল ইসলাম, আহসানউল্লাহ চৌধুরী বিভন, মোহাম্মদ ফারুক, মাওলানা হারুনুর রশিদ, সৈয়দ আনিসুল ইসলাম আলম, দিদারুল আলম, টিপু, মোহাম্মদ নুরমিয়া, জাহেদ সরওয়ার, মজিবুর রহমান রাসেল, মোহাম্মদ ওসমান, রাজা , জুয়েল, রিমন, রানা, ইকবাল, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপস্থিত ছিলেন।

৫ দিন শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের ১ম দিবসের প্রধান অথিতির বক্তব্য-রাখছেন ইঞ্জিনিয়ার আলহাজ্ব আজিজুররহমান চৌধুরী

গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস ও ফাতেহা আগামী ৬ জুলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২শে আষাঢ়, ৬ জুলাই ২০২৬ সোমবার গাউছুল আজম বাবা ভান্ডারী কেবলা কাবার প্রিয়তম সেজ পুত্রবধু, আওলাদে রাসুল (স.) ছানীয়ে ফারুকে আজম শাহসূফি হজরত সৈয়দ মাহবুবুল বশর মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র সহধর্মিণী, দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর আম্মাজান হজরত সৈয়দা রওশন আরা বেগম মাইজভাণ্ডারী (ক.)’র পবিত্র বার্ষিক ওরস মোবারক ও ফাতেহা গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মঞ্জিলে মহাসমারোহে উদযাপিত হবে। জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের দাওয়াত জানানো হয়। আরজগুজার- দয়াল মাওলা ছদরুল উলা চেয়ারম্যান বাবা মাইজভাণ্ডারীর ৩ শাহজাদীগন ও আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী খেদমত পরিষদ।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ