আজঃ শুক্রবার ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

রাউজানে পূর্বআবুরখীল শান্তিময় বিহারে কঠিন চীবর দান সম্পন্ন

রতন বড়ুয়া সিনিয়র রিপোর্টার:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার ধর্মগ্রাম আবুরখীলে জম্মজাত ১৭তম সংঘনায়ক ভদন্ত দ্যুবরাজ মহাস্থবীর প্রতিষ্ঠিত পূর্ব আবুরখীল তালুকদার পাড়া শান্তিময় বিহারে প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভিয্যের মধ্য দিয়ে বৌদ্ধদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসৰ দানোত্তম স্তুত কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১১ নভেম্বর রোজ শনিবার সারাদিন ব্যাপি এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সকালবেলা জাতীয় পতাকা ও ধর্মীয় পতাকা উত্তোলন, বিশ্বশান্তি কামনায় মঙ্গল সুত্রপাঠ, বুদ্ধপূজা উৎসর্গ ও সদ্ধর্ম আলোচনা অষ্টপরিস্কার সহ পঞ্চশীল গ্রহন।

এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার অর্থসচিব ভদন্ত সোবিতানন্দ মহাথের।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শান্তিময় বিহারের অধ্যক্ষ বুদ্ধানন্দ থের।

দুপুর ২ ঘটিকায় শুরু হয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব। ভদন্ত করুনা প্রিয় থের এর মঙ্গলাচরণের মধ্য দিয়ে সূচনা করা হয় অনুষ্ঠানের।

বিহার পরিচালনা কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদাক সাংবাদিক রতন বড়ুয়ার সঞ্চালনায় কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার অর্থসচিব ভদন্ত সোবিতানন্দ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী স্বপন কুমার বড়ুয়া।

প্রধান ধর্মদেশক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার ধর্মরাজিক বৌদ্ধ বিহারের উপাধ্যক্ষ রাঙ্গুনিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ভদন্ত ধর্মানন্দ মাহাথের।

কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার সাংগঠনিক সম্পাদক ও অজন্তা বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত পরমানন্দ মহাথের।
প্রধান জ্ঞাতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার উর্দ্ধতন সহ-সভাপতি তদন্ত জ্ঞানানন্দ মহাথের ও বিশেষ জ্ঞাতী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ বৌদ্ধ ভিক্ষু মহাসভার ধর্মীয় সম্পাদক আবুরখীল কেন্দ্রিয় বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত অরুণানন্দ মহাথেরো ও কেউটিয়া খামার বাড়ী সার্বজনীন ধর্মদূত বিহারের অধ্যক্ষ তদন্ত ধর্মানন্দ মহাথের,ভদন্ত পূর্ণানন্দ থের।
পঞ্চশীল প্রার্থনা করেন সমাজ সেবক প্রদীপ বড়ুয়া।

সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গণিত সমিতির সদস্য ও পটিয়া সরকারি কলেজের গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডক্টর রুপেন বড়ুয়া।

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শান্তিময় বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি রুপতি রঞ্জন বড়ুয়া সাধারণ সম্পাদকের প্রতিবেদন পাঠ করেন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিকলু বড়ুয়া।

উক্ত পূন্যময় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লাঠিছড়ি সার্বজনীন বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি লায়ন রুপন বড়ুয়া, রাউজান বিমলানন্দ কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি, সমাজ সেবক সমাজ সেবক সমাজ সেবক ভূষণ বড়ুয়া , রাউজান প্রেসক্লাবের সভাপতি শফিউল আলম , সমাজসেবক প্রকৌশলী প্রীতিময় বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ কৃষ্টি প্রচার সংঘ যুব এর সভাপতি পুস্পেন বড়ুয়া কাজল।

উপস্থিত ছিলেন বিহার পরিচালনা কমিটির কার্যকরী সভাপতি আনন্দ প্রসাদ বড়ুয়া, আবুরখীল জনকল্যান প্রাইমারী স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রবেশ কুমার বড়ুয়া, বাংলাদেশ বৌদ্ধ মহিলা সমিতির সভাপতি সঞ্চিতা তালুকদার,অর্থ সম্পাদক কমল বড়ুয়া।

এছাড়াও পন্ডিত প্রবর ভিক্ষু সংঘ দানের উপর আলোচনায় অংশগ্রহন করেন। সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্জলন ও ফানুষ উত্তোলন করা হয়।

৷ ছবির ক্যাপশন সংবর্ধিত অতিথির বক্তব্য রাখছেন ডক্টর রুপেন বড়ুয়া

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক মনজিলে হুজুর গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র মহান চাহরম শরীফ অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ১০ মাঘ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর, বাংলাদেশের উপর,মুসলিম উম্মাহর উপর আল্লাহর রহমত বর্ষণের প্রার্থনা করেছেন হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভান্ডারী (মাঃ)

মহান ১০ মাঘ, ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র পবিত্র উরস্ ওরশ মোবারকের বদৌলতে এই বিশ্ববাসীর উপর , এই বাংলাদেশের উপর, মুসলিম উম্মাহর উপর রহমত বর্ষণ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেছেন মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল-এর সম্মানিত সাজ্জাদানশীন রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মাঃ)।

মহান ১০ মাঘ ইমামুল আউলিয়া হযরত শাহ্ সুফি সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)’র পবিত্র ১২০তম বার্ষিক উরস্ শরীফের চাহরম শরীফ উপলক্ষে বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মাজার শরীফে কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম শেষে অনুষ্ঠিত মোনাজাতে তিনি এই ফরিয়াদ জানান।

তিনি পবিত্র চাহরম শরীফকে মাইজভাণ্ডার শরীফ দরবারের ঐতিহ্যবাহী উর্ফ বা প্রথা উল্লেখ করে এই চাহরম শরীফের ফলার ফাতেহার তবাররুকাতে সকলের রুহানি-জিসমানী বিমারীর শেফা দান করার জন্য তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

তিনি হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র মহান আদর্শকে,মানবাত্মার উন্নয়নের আদর্শ ও সমাজ উন্নয়নের আদর্শ উল্লেখ করে এই আদর্শ যাতে দিকে দিকে পৌঁছে দিতে পারে, উপযুক্তভাবে উপস্থাপন করতে পারে,সেই তৌফিক কামনা করে তিনি আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান। এই উপস্থাপনের মাধ্যমে বিশ্বঅলি শাহান শাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ) ‘র আশেকগণ যাতে সমাজের কল্যাণ সাধন করতে পারে,দেশ দশের কল্যাণ সাধন করতে পারে তিনি আল্লাহর কাছে সেই তৌফিক কামনা করেন।

তিনি এ মহান ত্বরীকা-র অনুসরণ করে আল্লাহর বান্দারা যে অগণিত দ্বীনি-সামাজিক-মানবিক কর্মসূচিগুলো,অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠান গুলো আয়োজন করে চলেছে,গড়ে তুলেছে, পরিচালনা করে চলেছে, সেই সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা জানান।

তিনি মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ-এর সমস্ত খেদমতকে কবুল করার জন্য আল্লাহ সুবহানাহুতাআলার কাছে ফরিয়াদ জানান।পরিশেষে আগত অগণিত আশেক-ভক্ত-জায়েরীণদের তবাররুকাত পরিবেশন করা হয়।

সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আওলাদে রাসুল (দ.),আওলাদে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী, মাইজভান্ডার দরবার শরীফের মহান আধ্যাত্মিক সাধক মজ্জুবে রহমান, ছানিয়ে ওয়াইজ আল করনী, হযরত শাহসুফি সৈয়দ ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী (ক.) প্রকাশ চেয়ারম্যান বাবাজানের পবিত্র চল্লিশা শরীফ আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হবে।

এই উপলক্ষে ফটিকছড়ি আজিমনগরে আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী মন্জিলে বড় শাহজাদী সৈয়দা কিশোয়ারা রহমান এবং ছোট শাহজাদী সৈয়দা মাহবুবা রহমানের উপস্থিতিতে ১ম প্রস্তুুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে গাউছিয়া রহমানিয়া ছদরুল উলা মাইজভাণ্ডারী কেন্দ্রীয় খেদমত পরিষদের সদস্যবৃন্দ ও বিভিন্ন শাখা কমিটির সদস্যবৃন্দসহ আাশেক ভক্তবৃন্দ।

আলোচিত খবর

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ সংক্রান্ত মামলায় ক্ষতিপূরণ পাওয়ার রায় পেয়েছে বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক সালিশি আদালত কানাডাভিত্তিক জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে বাংলাদেশ সরকারকে ৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর সেটেলমেন্ট অব ইনভেস্টমেন্ট ডিসপিউটস (আইসিডি/ICSID)-এর ট্রাইব্যুনাল এই রায় ঘোষণা করে। জ্বালানি মন্ত্রণালয় সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।


জ্বালানি সচিব বলেন, বাংলাদেশ এই মামলায় প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছিল। প্রাপ্ত অর্থ সেই দাবির তুলনায় অনেক কম। রায়ের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনার জন্য সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে এবং পরবর্তী করণীয় ঠিক করা হবে।প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৬ অক্টোবর টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে খনন ও উন্নয়ন কাজের দায়িত্ব পায় কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান নাইকো।

পরবর্তীতে নাইকোর পরিচালনাধীন অবস্থায় টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি এবং একই বছরের ২৪ জুন গ্যাসক্ষেত্রে পরপর দুটি মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়। এসব বিস্ফোরণের ফলে বিপুল পরিমাণ মজুদ গ্যাস পুড়ে যায় এবং আশপাশের অবকাঠামো, পরিবেশ ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়। টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্র কার্যত অচল হয়ে পড়ে, যা দেশের জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ