আজঃ শুক্রবার ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

একই সঙ্গে দুই কর্মসূচির ঘোষণা দিল নিষিদ্ধ ঘোষিত জামায়াত

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এবার একসঙ্গে দুই কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার ভোর ৬টা থেকে দশম দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। এ ছাড়া রবিবার (১০ ডিসেম্বর) মানববন্ধনের কর্মসূচি দিয়েছে জামায়াত।

আজ সোমবার জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এ টি এম মা’ছুম এক বিবৃতি এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন।

বিবৃতিতে নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আগামী ৬ ডিসেম্বর বুধবার ভোর ৬টা থেকে ৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার ভোর ৬টা পর্যন্ত টানা ৪৮ ঘণ্টা শান্তিপূর্ণ অবরোধ কর্মসূচি ঘোষণা করছি। সেই সাথে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আগামী ১০ ডিসেম্বর রবিবার সারা দেশে জেলায় জেলায় মানববন্ধনের কর্মসূচি ঘোষণা করছি।’

বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন জনগণের সেন্টিমেন্টকে অগ্রাহ্য করে ফরমায়েসি তফসিল ঘোষণা করে জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

নির্বাচন কমিশন মূলত দেশে অবাধ, সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পথে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়িয়েছে। দলীয় লোকদের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে দাঁড় করিয়ে এবং ডামি প্রার্থী ঘোষণা করে সরকার দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে নিজেদের দলীয় নির্বাচনে পরিণত করেছে। এভাবে তালগোল পাকিয়ে জোড়াতালি দিয়ে নির্বাচনকে অংশগ্রহণমূলক ও বৈধ করার অপচেষ্টা গণতন্ত্রের প্রতি প্রহসন ও হাস্যকর ছাড়া আর কিছুই নয়।’
তিনি আরো বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে।

জামায়াতসহ বিরোধী দলের অসংখ্য নেতাকর্মীকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। গণগ্রেপ্তার চালিয়ে সারা দেশে ত্রাস সৃষ্টি করা হয়েছে। জুলুম-নির্যাতন চালিয়ে নেতাকর্মীদের ঘরছাড়া করা হয়েছে।’

এর আগে সোমবার বিকেলে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে আগামী ৬ ও ৭ ডিসেম্বর (বুধ ও বৃহস্পতিবার) সারা দেশে অবরোধ কর্মসূচি এবং ১০ ডিসেম্বর সারা দেশে জেলায় জেলায় মানবন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে তোপের মুখে এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলমের বাসায় গিয়ে তোপের মুখে পড়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এমপি হাসনাত আবদুল্লাহ।চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলীর এইচ এম ভিলা থেকে বের হওয়ার সময় মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেল ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন সাবেক মেয়র মনজুর আলম। এর আগে বিএনপির মনোনয়নপত্র নিয়ে তিনি ২০১০ সালে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং ২০১৫ সাথে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আ জ ম নাসির উদ্দিনের কাছে পরাজিত হন । তাক এবার এনসিপির ব্যানারে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন দেয়া হতে পারে, এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে জুলাইযোদ্ধা ও বিএনপি নেতাকর্মীরা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলতে থাকে এবং বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের।

পরবর্তীতে পুলিশ প্রটোকল ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সহায়তায় হাসনাত আবদুল্লাহ ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকাই স্বাভাবিক এবং এটি গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। একই সঙ্গে রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্য দিয়ে পারস্পরিক সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।ঘটনাস্থলে মহানগর যুবদলের সহসভাপতি সাহেদ আকবর, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাজিবুল হক বাপ্পি, মহারম আলী, আকবরশাহ থানা ছাত্রদলের সভাপতি ফাহিম উদ্দিন এবং ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রদলের ইমনসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এনিয়ে মনজুর আলমের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইস্টার্ন রিফাইনারির পরিশোধন কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল) পরিশোধন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে। মঙ্গলবার ১৪ এপ্রিল সকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সবশেষ গত রোববার ১২ এপ্রিল বিকালে তেল পরিশোধন কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এরপর ক্রুড তেলের সংকটের কারণে মজুত ক্রুড তেল শেষ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সংঘাতের প্রভাবে গত প্রায় দুই মাস ধরে ক্রুড তেল আমদানি ব্যাহত হচ্ছে এমনটাই জানা যায়।

পরিশোধনের পরিমাণ কমিয়ে আনা হয় সংকট মোকাবিলায় মার্চ মাস থেকেই। যেখানে দৈনিক গড়ে ৪ হাজার ৫০০ টন ক্রুড তেল পরিশোধন করা হতো, সেখানে তা কমিয়ে ৩ হাজার ৫০০ টনে নামিয়ে আনা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত মজুত শেষ হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে কার্যক্রম বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি।

এদিকে জ্বালানি বিভাগ জানিয়েছে, দেশে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। ফলে সরবরাহ ব্যবস্থায় কোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ