আজঃ সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

বিজয় দিবসে ছাত্র ইউনিয়নের শ্রদ্ধা নিবেদন

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মিউনিসিপ্যাল মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের অস্থায়ী শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানায় চট্টগ্রাম জেলা ছাত্র ইউনিয়ন।শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দারুল ফজল মার্কেটে সংগঠনের কার্যালয়ে বিজয় দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম জেলা জেলা সভাপতি ইমরান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক টিকলু কুমার দে’র সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা নুরুচ্ছাফা ভূঁইয়া, চট্টগ্রাম জেলার সহ সভাপতি অয়ন সেন গুপ্ত, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর এলাহি, পাহাড়তলী থানার সহ সভাপতি নিশান রায়, সাংস্কৃতিক সম্পাদক প্রিন্স দাশ, কোতোয়ালি থানার সহ সভাপতি অরিত্র ভট্টাচার্য ও হাটহাজারি থানার সদস্য রানা নাথ।
সভায় বক্তারা বলেন, ঐতিহাসিক ১৬ ডিসেম্বর সারাদেশে বিজয় দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। কিন্তু ৫২ বছর পরে এখন দেশবাসী অনুভব করছে কাঙ্ক্ষিত বিজয় এখনও বহুদূর। রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয় শাসন, ব্যক্তি শাসন এবং গোষ্ঠী শাসনের পালাবদলের প্রক্রিয়ায় এখন আপামর জনগণের হাতে পায়ে শিকল, মুখ বাকরুদ্ধ। বিজয়ের এতো বছর পরও আমরা রাজাকারের সঠিক তালিকা দেখতে পাই না। মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা বাড়ে আর কমে। তাছাড়া বীর শহীদদের স্মৃতি বিজরিত স্মৃতির দেয়াল গুলো আজ জরাজীর্ণ। অনেকগুলোর আজ অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। স্বাধীনতার ৫২ বছর পরেও দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তি ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সহায়তায় রাজনীতি করে যাচ্ছে। আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয়া হয়নি৷ তাই বিজয় দিবসে আমরা দাবি জানাই দেশে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হোক এবং সকল জাতিসত্বার স্বীকৃতিসহ ৭২ এর সংবিধান পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হোক।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম মহানগরের ৫ স্থানে হচ্ছে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার নতুন ব্রিজ পুলিশ বক্স এলাকায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, একজন কর্মজীবী বা বাইরে অবস্থানরত মায়ের জন্য শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নগরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর মাধ্যমে মায়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের শিশুদের প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য আব্দুল করিম ভুট্টো, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এন. মোহাম্মদ রিমন, হালিশহর বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মেহেদী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নোমান সিকদার সোহাগ। এসময় ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাফরাশ নুরী সিজ্জি প্রকল্পের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বর্ণনা দেন।

ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ এর নেতৃত্বে বাস্তবায়নাধীন এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরের নতুন ব্রিজ, পতেঙ্গা, কদমতলী কারখানা এলাকা, আগ্রাবাদ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
চসিক মেয়র আরও বলেন, শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের মর্যাদা রক্ষায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ।এটি শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক নগর গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব, মানবিক ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, খেলাধুলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

ফের কর্ম চঞ্চল্য চট্টগ্রাম বন্দর, ধর্মঘট স্থগিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘট এক সপ্তাহের জন্য স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারী সংগঠন ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এর ফলে আজ সোমবার সকাল থেকে বন্দর সচল হয়েছে, ফিরেছে কর্মচাঞ্চল্য। এর আগে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে ধর্মঘট স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা দেয়ার চুক্তি হবে না বলে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী ঘোষণা দেওয়ায় ধর্মঘট স্থগিতের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও ইব্রাহিম খোকনের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পবিত্র রমজানে পণ্য খালাসের স্বার্থে ধর্মঘট কর্মসূচি সোমবার সকাল ৮টা থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। তবে বন্দর কর্মচারীদের গ্রেফতার, হয়রানিমূলক বদলি, সাময়িক বরখাস্তসহ পাঁচটি সমস্যা সমাধান না হলে ১৬ ফেব্রুয়ারি আবার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গত সপ্তাহে দফায় দফায় কর্মবিরতির কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার অচলাবস্থার পর গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট কর্মসূচি শুরু করে সংগ্রাম পরিষদ। এ অবস্থায় রোববার বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক কোম্পানি ডিপিওয়ার্ল্ডের কাছে ইজারা দেওয়ার চুক্তি সইয়ের সম্ভাবনা নেই।

এর আগে গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা করে তিনদিন কর্মবিরতির পর ৩ ফেব্রুয়ারি ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। ৪ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে তারা অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি শুরু করেন। এতে চট্টগ্রাম বন্দর পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে। সব ধরনের অপারেশনাল কার্যক্রমের পাশাপাশি বন্দরে জাহাজ আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।

এ অচলাবস্থার মধ্যে ৫ ফেব্রুয়ারি সকালে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে এসে শ্রমিক-কর্মচারীদের তোপের মুখে পড়েন নৌপরিবহন উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন। আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারীরা বন্দর ভবনে প্রবেশের পথে উপদেষ্টার গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাদের ‘ডিপি ওয়ার্ল্ডের দালালেরা- হুঁশিয়ার সাবধান, গো ব্যাক অ্যাডভাইজার গো ব্যাক, মা মাটি মোহনা- বিদেশিদের দেব না’- এমন নানা স্লোগান দিতে শোনা যায়। অনেকে উপদেষ্টার গাড়ির সামনে গিয়ে ‘ভুয়া ভুয়া, দালাল দালাল’ বলে স্লোগান দেন।কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ভবনে প্রবেশ করে নৌ উপদেষ্টা বন্দরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, আন্দোলনকারী শ্রমিক-কর্মচারী প্রতিনিধি দল এবং বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বৈঠকে পরিষদের পক্ষ থেকে চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল। দাবিগুলো হচ্ছে- নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) সংযুক্ত আরব-আমিরাতভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার চুক্তির প্রক্রিয়া বাতিল ঘোষণা, বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীদের বদলি আদেশ প্রত্যাহার করে আগের পদে ফিরিয়ে নেওয়া, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের মামলা-হয়রানি না করা এবং চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার করা।চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দাবি, বৈঠকে নৌ উপদেষ্টা বদলি ও মামলা সংক্রান্ত দাবি নৌ মন্ত্রণালয় থেকে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। বাকি দুটি দাবি সরকারের উচ্চপর্যায়ে অবহিত করবেন বলে জানান।

শ্রমিক-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠকের পর তাদের দাবির বিষয়ে নৌ উপদেষ্টা বলেছিলেন, দাবিগুলো তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন। তবে চুক্তি ঠেকানো যাবে না জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, চট্টগ্রাম বন্দর সচল করার কাজে কেউ বাধা দিলে সরকার হার্ডলাইনে যাবে।
এরপর সংগ্রাম পরিষদ ৪৮ ঘণ্টা জন্য কর্মবিরতি স্থগিত ঘোষণা করে। ৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে কাজে যোগ দেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। তবে এর মধ্যে সরকার দাবি মেনে নেওয়ার সুস্পষ্ট ঘোষণা না দিলে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আবারও অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরুর ঘোষণা দিয়ে রেখেছিল সংগঠনটি। সেই ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে লাগাতার ধর্মঘট শুরু করে সংগ্রাম পরিষদ।

এর আগে, কর্মবিরতি চলাকালে সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়কসহ ১৫ জনকে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বদলি করা হয়। কিন্তু তারা কেউই বদলি করা কর্মস্থলে যোগ দেননি। যেদিন নৌ উপদেষ্টা বৈঠক করেন, সেদিনই ১৫ কর্মচারীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ও দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তাদের সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য চিঠি দেয় বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে আন্দোলনকারীরা আরও ক্ষুব্ধ হন। সর্বশেষ লাগাতার ধর্মঘট কর্মসূচি ঘোষণার পর পুলিশ পাঁচ কর্মচারীকে আটক করে। এছাড়া বদলি হওয়া ১৫ কর্মচারীর সরকারি বাসার বরাদ্দ বাতিল করে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

আলোচিত খবর

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে তার বাসায় যান।এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে জামায়াত আমিরের বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসায় পৌঁছান তিনি। এ সময় তারেক রহমানের সঙ্গে ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।বাসায় জামায়াতের নায়েবে আমির ড. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের ও সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত রয়েছেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ