আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

তিস্তার ধূ-ধূ বালুচরে রবিশস্য চাষে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন।

মো: আনোয়ার ডিমলা নিলফামারী প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নীলফামারী ও লালমনিরহাট দুই জেলায় প্রবাহিত তিস্তা নদীর ধু-ধু বালুচরে এখন সবুজের হাসি। যতদূর চোখ যায় সবুজ আর সবুজ। আর এ চকচকে বালুতে রবিশস্য চাষ করে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন তিস্তা পাড়ের কৃষকরা।নীলফামারীর ডিমলা ও তৎসংলগ্ন জলঢাকা উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চলে গিয়ে দেখা গেছে, তিস্তা নদীর বুক চিরে জেগে ওঠা হাজার হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের রবি শস্য চাষ করা হচ্ছে। প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের সাথে নুড়ি পাথর, কাকনযুক্ত বালি ও মাটি বয়ে আসায় দ্রুত তিস্তার তলদেশ ভরাট হয়ে গিয়ে অসংখ্য চর জেগে উঠেছে। বালুর সাথে পলি মাটির স্তর পড়ে এসব চরকে আবাদী করে তুলছে তিস্তা পারের মানুষ । পলি মিশ্রিত এসব চরে ভুট্টা, কাউন, মিষ্টি কুমড়া, পেঁয়াজ, রসুন, মরিচ, বরবটি, মিষ্টি আলু, বাদাম, করলা, বেগুন, পুঁই শাক, লাউ শাক সহ বিভিন্ন রবিশস্য চাষের ধুম পড়ে গেছে। বর্ষা মৌসুমের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এসব চরে রবিশস্য চাষে কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। আর তাই যতদুর চোখ যায় এসব চরাঞ্চল শুধু সবুজ আর সবুজ।চরঞ্চলের কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জনা গেছে, গত বর্ষা মৌসুমে তিস্তার চরে আমন ধান চাষ হয়নি। আমনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে এলাকার কৃষকেরা তিস্তার চরে বিভিন্ন ধরনের রবিশস্য চাষ করেছেন ।ডিমলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের চর এলাকার কৃষক রফিকুল ইসলাম ও হাফিজুল ইসলাম জানান, ধান, গম আবাদ করলে যে লাভ হয়, তার চেয়ে দ্বিগুণ লাভ হয় রবিশস্যে। বিশেষ করে ভুট্টা চাষ করে বেশি লাভ হয়ে। প্রতি বিঘায় ৪০ থেকে ৪৫ মণ পর্যন্ত ভুট্টা হয়। যার মূল্য প্রায় ৩০ থেকে ৩২ হাজার টাকা। আর ব্যয় হয় বিঘা প্রতি ১০-১২ হাজার টাকা। ভুট্টা ঘরে তোলার সময় পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে সব ভুট্টা চাষি বেশ লাভবান হবেন।গোলমুন্ডা ইউনিয়নের তিস্তা নদীর বেড়ি বাঁধ এলাকার কৃষক আমিনুর রহমান জানান, আগে তিস্তার চরাঞ্চলের জমিগুলো পতিত ছিল। অন্য ফসলের আশানুরূপ ফলন না হওয়ায় এসব জমিতে ফসল ফলানো হয়নি। এখন আধুনিক পদ্ধতিতে এসব চরে বিভিন্ন ফসল চাষ করা হচ্ছে। এতে ভালো ফলন এবং দামও পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।এ উপজেলার তিস্তার চরাঞ্চল গুলোতে এ বছর রবিশস্যের ব্যাপক চাষ হয়েছে। পরিবেশ অনুকূলে থাকায় প্রতিটি চরাঞ্চলে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। জলঢাকা উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি এবং ডিমলাউপজেলার ৫টি ইউনিয়ন তিস্তা চরাঞ্চলের কৃষকরা তাদের চরের জমিতে বিভিন্ন প্রকার রবি শস্যের চাষ করেছেন। রবি শস্যকে ঘিরে নদী গর্ভে নিঃস্ব হওয়া হাজার হাজার মানুষ এখন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছে। তিস্তার নাব্যতা হ্রাস পাওয়ায় জেগে উঠা ছোট বড় চরগুলোয় নিঃস্ব হওয়া পরিবারগুলো বাঁচার তাগিদে নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখাচ্ছে ধুধু বালু চাষে। আর এসব চরে কৃষকেরা এখন রবি শস্য চাষ করে জীবিকার নতুন দ্বার উন্মোচন করেছেন। এক্ষেত্রে এসব চাষীদের বিনামূল্যে সার-বীজ দিয়ে সহায়তাও করা হয়েছে। গত বন্যায় আমন ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় যে সমস্ত জমি পতিত ছিল সেগুলোতে আগাম জাতের রবিশস্য চাষ করতে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে। কৃষকরাও উদ্বুদ্ধ হয়েছে।জলঢাকা উপজেলা কৃষি অফিসার সুমন আহমেদ এবং ডিমলা উপজেলার কৃষি অফিসার সেকেন্দার আলী জানিয়েছে, তিস্তার বুক চিরে জেগে ওঠা চরগুলোতে পলি মিশ্রিত মাটি থাকায় এগুলোতে পেয়াজ, রসুন, ভুট্টা, কাউন, মিষ্টি কুমড়া, বাদাম, মিষ্টি আলুর ফলন বেশ ভালো হয় তাই কৃষকরা এসব ফসল চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। কম খরচে অধিক ফলন পাওয়ায় এবং লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা আবাদের দিকেই বেশি ঝুঁকছেন কৃষকরা

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সবজির বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে উৎপাদিত নানান জাতের সবজিতে আর্থিক সচ্ছলতার পাশাপাশি উন্নত হচ্ছে গ্রামীণ জীবনযাত্রা। চলতি মৌসুমে রকমারি শীতকালীন সবজির বাম্পার ফলন হয়েছে, যা দেখে যে কারোই চোখ জুড়িয়ে যাবে। তবে জৈবসার ও সনাতন নানা পদ্ধতির মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করলেও রোগবালাই নিয়ে শঙ্কিত কৃষক। বেসরকারি কোম্পানির বালাইনাশক ব্যবহারে বিপাকে পড়ছেন কৃষকেরা।

বোয়ালখালীর চরনদ্বীপ, খরনদ্বীপ,পোপাদিয়া, আমুচিয়া সারোয়াতলী, কধুরখীল , চরখিজীরপুর বিভিন্ন এলাকার ফসলের মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, এখন বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে শোভা পাচ্ছে শীতকালীন বিভিন্ন শাক-সবজি। যার মধ্যে ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, বেগুন, মরিচ, মুলা, টমেটো, মিষ্টি কুমড়া, লাউ, তিতে করলা, ঢেঁড়স, ধুন্দল, চিচিঙ্গাসহ শাকসবজির ভালো ফলন হয়েছে। এতে বাজারদর ভালো পাওয়ায় কৃষকরা অত্যন্ত খুশি। এছাড়া, চরাঞ্চলে তরমুজের বাণিজ্যিক আবাদও সম্ভাবনার নতুন দুয়ার খুলেছে, যেখানে ৭৫ দিনেই মিলছে ভালো ফলন।

চরনদ্বীপ, কধুরখীল,খরণদ্বীপ এলাকার কর্ণফুলি নদীর পারের জমিগুলোতে গিয়ে দেখা গেছে সবুজ সবজির চাদরে ঢাকা। মাঠের এই চিত্র শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায়নি বরং কৃষকদের মুখেও হাসি ফুটিয়েছে।
এবার কৃষি অফিসের প্রদর্শনী পেয়ে ১৪ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের “গ্রীণ বল” বেগুন লাগিয়েছেন শ্রীপুর খরণদ্বীপ এলাকার কৃষক সুবল দে। এতে খরচ বাদে ৫০-৬০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে জানান তিনি।
৬০ শতক জমিতে স্নো-ওয়াইট জাতের ফুলকপি চাষ করে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন ওই এলাকার কৃষক রূপক দে। তিনি বলেন, ফুলকপি বিক্রির পর পরই একই জমিতে মিষ্টি কুমড়া লাগানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। আরো ৩০-৪০ হাজার টাকা বিক্রির আশা করছেন তিনি।
সারোয়াতলীর খিতাপচর এলাকার দক্ষিণা বিলে গিয়ে দেখা গেছে, ধনিয়া পাতার সবুজ সমারোহ। এছাড়াও ঢেঁড়স, ধুন্দল, লাউ, শীম, টমেটোসহ নানান জাতের শাকসবজি।নপাওয়ার ট্রিলারের অভাবে যথাসময়ে চাষাবাদ করা সম্ভব না হলেও কোদালে কুপিয়ে ৬০ শতক জমিতে হাইব্রিড জাতের “রাজা সুপার ” ঢেঁড়স লাগিয়েছেন কৃষক মাহাবুব। এখন ফলন আসতে দেখা গেছে। পাশাপাশি ৬০ শতক জমিতে ধনিয়া পাতার চাষ করেছেন ওই এলাকার কৃষক মো সাজ্জাদ হোসেন। এতে ৬ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এ পর্যন্ত ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন বলে জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. শাহানুর ইসলাম বলেন, চলতি মৌসুমে বোয়ালখালীতে শীতকালীন সবজির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। সরকারি সহায়তা সরকারি প্রণোদনা ও সঠিক পরামর্শের কারণে মৌসুমি শাকসবজি তরমুজসহ বিভিন্ন ফসল চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। এ ধারা অব্যাহত থাকলে আগামীতে লক্ষ্যমাত্রা আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

নেত্রকোনায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের মাঝে ধান চাষের উপকরণ বিতরন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

এলএসটিডি প্রকল্পের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর বাস্তবায়নে নেত্রকোনার ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়ের আওতায় কৃষক পর্যায়ে ধান চাষের উপকরণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর( ৯ জানুয়ারী২০২৬) বাদেবিন্না গ্রামে স্হানীয় চল্লিশ জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার বাদেবিন্না গ্রামে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে নতুন ছয়টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে এলএসটিডি প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে মাঠ পর্যায়ে প্রায়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের ধানের বীজসহ প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের পরিচালক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, নেত্রকোনার প্রধান ও সায়েন্টিফিক অফিসার মোঃ খালিদ হাসান তারেক।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিতরণকৃত এসব উপকরণ ব্যবহার করে কৃষকরা নিজ নিজ জমিতে নতুন জাতের ধান ও আধুনিক প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষা করবেন। এর মাধ্যমে স্থানীয় পরিবেশ উপযোগী ধানের জাত নির্বাচন সহজ হবে এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

কৃষকরা এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, গবেষণাভিত্তিক এই সহায়তা ধান চাষে তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এলএসটিডি প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার মাঠপর্যায়ে আরও বিস্তৃত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ