আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা:

চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার ৩৪টি খাদ্যগুদামের (ওসি-এলএসডি)কে বদলি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলার ৩৪টি খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি-এলএসডি) বদলি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ২৪ জনকে একযোগে বদলি করা হয়। তবে এই বদলির ক্ষেত্রে গুদামভেদে ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর গত অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে এসব কর্মকর্তাকে বদলি করে। যদিও খাদ্য বিভাগ বলছে, কর্মকর্তা বদলির ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা টাকা লেনদেন হয়নি।

দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ১৪ সেপ্টেম্বর খাদ্য বিভাগের বোরো সংগ্রহ শেষ হয়। এরপর গত ২৩ নভেম্বর থেকে শুরু হয় ২০২৩-২৪ মৌসুমের আমন সংগ্রহ। এ উপলক্ষে ওই ৩৪ জন ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বদলি হওয়া একাধিক কর্মকর্তা জানান, এসব বদলির ক্ষেত্রে কর্মস্থলভেদে তাঁদের ৩ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপরি দিতে হয়েছে। খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের শফিউল হাবিব ভূঁইয়াকে টেকনাফ খাদ্যগুদামের (ওসি-এলএসডি) হিসেবে বদলি করা হয়।

কুমিল্লা সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমানকে বান্দরবান সদর গুদামে, দেওয়ানহাট সিএসডির পরিদর্শক সৈয়দ আলমকে সাতকানিয়া গুদামে বদলি করা হয়। রাঙামাটির বরইছড়ি গুদাম থেকে বাঁশখালীতে বদলি করা হয়েছে নিপুণ দাসকে। হালিশহর সিএসডি গুদাম থেকে এরশাদ হোসেনকে সীতাকুণ্ডে, হালিশহর সিএসডি থেকে মনির হোসেনকে মিরসরাইয়ে, রাউজান গুদামের ইমরান হোসেনকে রাঙ্গুনিয়ায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া থেকে রাজীব কুমারকে চান্দিনা খাদ্যগুদামে, কুমিল্লা সদরের আবদুল গণিকে খাগড়াছড়ির গুইমারায়, চট্টগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ডিসি ফুড) দপ্তর থেকে আবুল মনছুর হাবিবকে মাটিরাঙার তবলছড়িতে বদলি করা হয়।

দেওয়ানহাট সিএসডির পরিদর্শক মামুনুর রশিদকে পানছড়িতে, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির দেবাশীষ দাশকে দীঘিনালায়, কুমিল্লা ডিসি ফুড দপ্তরের আনিসুল ইসলামকে ফেনীর ছাগলনাইয়ায় (অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মিরসরাইয়ের হাবিলদার বাসা খাদ্যগুদাম), কুমিল্লার চকবাজারের শহীদ উল্লাহকে ফেনী সদরে, কুমিল্লা ডিসি ফুড দপ্তরের গোলাম মোস্তফাকে রাঙামাটি সদর গুদামে বদলি করা হয়।

ফেনীর পরশুরাম গুদামের শফিকুল ইসলামকে রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে, চট্টগ্রাম চলাচল ও সংরক্ষক নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের পলাশ ঘোষকে রাঙামাটির বরইছড়িতে, নোয়াখালী সদরের অসীম কুমারকে হাতিয়ার (চৌমুহনী বাজার) গুদামে, লক্ষ্মীপুর সদরের মাঈন উদ্দিনকে বেগমগঞ্জে, লক্ষ্মীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তরের (টিআই) আবু নাঈম টিটুকে চর আলেকজান্ডারে, চাঁদপুর সিএসডির অসীম বর্ধনকে রায়পুরে, দেওয়ানহাট সিএসডি থেকে জহিরুল ইসলামকে রামগঞ্জে, দেওয়ানহাট সিএসডি থেকে তারেকুল আলমকে কক্সবাজারের বদরখালীতে, কুমিল্লার দেবীদ্বার থেকে সাখাওয়াত হোসেনকে কুমিল্লার চকবাজারে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিসি (ফুড) কার্যালয়ের জমির হোসেনকে চৌদ্দগ্রামে, কুমিল্লার বরুড়া থেকে মো. সফিউল আলমকে ফেনীর নাঙ্গলকোটে, চাঁদপুর সদর থেকে সাখাওয়াত হোসেনকে দাউদকান্দিতে, কুমিল্লা ডিসি (ফুড) কার্যালয় থেকে কাজী ইকবালকে বরুড়া খাদ্যগুদামে, কুমিল্লার চান্দিনা থেকে সুমন সাহাকে দেবীদ্বারে, ফেনী সদর থেকে আবুল হাসেমকে কুমিল্লার কংসনগরে, চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি থেকে রঞ্জিত কুমার দাসকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে বদলি করা হয়।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. এইচ এম কায়সার আলীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তাঁর সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ১৪ ডিসেম্বর বেলা ৩টার দিকে সদরঘাটে তাঁর কার্যালয়ে গিয়েও দেখা মেলেনি।

চট্টগ্রাম আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রক দপ্তরের সহকারী নিয়ন্ত্রক (এডিডি) দোলন দেব বলেন, সাধারণত ধান সংগ্রহের সময় এলে আমাদের খাদ্যগুদাম কর্মকর্তাদের বদলি হয়ে থাকে। এবারও তা-ই করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা টাকার লেনদেন হয়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

অবৈধ স্থাপনা, খাল দখলের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা দিলেন চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময় তিনি খাল-নালা পরিষ্কার কার্যক্রম তদারকির পাশাপাশি অবৈধ দখল ও নাগরিক অসচেতনতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। সোমবার সকালে মেয়র প্রথমে বহদ্দারহাট কাঁচা বাজার সংলগ্ন সড়ক পরিদর্শন করেন।

এ সময় সড়কের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত উচ্ছেদের নির্দেশ দেন মেয়র। পরে বহদ্দারহাট এলাকায় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চলমান খাল সংস্কার কাজ ঘুরে দেখেন এবং পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা বাঁধগুলো অপসারণের নির্দেশনা দেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলের সুবিধার্থে সেখানে একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণেরও নির্দেশ দেন মেয়র।এরপর তিনি ৪ নম্বর চান্দগাঁও ওয়ার্ডের ফরিদার পাড়া এলাকায় পরিচালিত নালা ও খাল পরিষ্কার অভিযান পরিদর্শন করেন। পরে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খাজা রোড এলাকায় নালা-খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন তিনি।

চসিক সূত্র জানায়, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে মাসব্যাপী নালা-নর্দমা ও খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। জলাবদ্ধতা কমাতে মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানোর পাশাপাশি পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থাকে সচল রাখতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, শুধু প্রকল্প বাস্তবায়ন করলেই হবে না, নগরবাসীকেও সচেতন হতে হবে। মানুষ যত্রতত্র ময়লা ফেললে খাল-নালা আবারও ভরাট হবে এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে। পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম গড়ে তুলতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। নগরবাসীর সহযোগিতা ছাড়া স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ