ঝিনাইদহ:

ঝিনাইদহ-হরিনাকুন্ডু ২ আসনে নৌকার পালে ক্ষুরধার ঈগলের থাবা,গণজোয়ার মহুলের।

ইনছান আলী ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝিনাইদহের প্রতিটা ইউনিয়নে গনসংযোগ পথসভা করছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল। সে সময় গণজোয়ার আর মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন তিনি। ঝিনাইদহ হরিনাকুন্ডুর জনগনের চাওয়া এবার পরিবর্তন হবে জনপ্রতিনিধি, ব্যাপক জনসংযোগের মাধ্যমে ইতিমধ্যে তৃনমূলের মন জয় করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল।

জানা যায়, এবার ঝিনাইদহের দুই(২) আসনের মোট ভোটার সংখ্যা চর লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার তিনশতো(৪,৭৬,৩০০) যার মধ্যে পুরুষ ভোটার, দুই লক্ষ সাইত্রিশ হাজার পাচশতো তেত্রিশ(২,৩৭,৫৩৩) জন এবং মহিলা ভোটার দুই লক্ষ আটত্রিশ হাজার সাতশত বাষট্টি(২,৩৮,৭৬২) জন। মোট কেন্দ্রের সংখ্যা ১৮৫ টি। সার্বিক জরিপে এখন পর্যন্ত গণজোয়ার রয়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুলের ঈগল পাখি মার্কায়।
মাঠ জরিপে হরিনাকুন্ডুর সাধারণ জনগণের সাথে কথা হলে তারা সাংবাদিকদের জানান,গত দশ(১০) বছরে হরিনাকুন্ডুর দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন হয়নি,সাধারণ জনগণ সংসদ সদস্যকে কখনোই জনগণের কাছে পাইনি, অবহেলিত জনপদে পরিনত হয়েছে হয়েছে হরিনাকুন্ডু আটটি ইউনিয়ন। জানা যায়,ভায়না, জোড়াদাহ,তাহেরহুদা,দৌলতপুর,কাপাসহাটিয়া,ফলসি,রঘুনাথপুর,চাঁদপুর কোনো ইউনিয়নে দৃশ্যমান কোনো উন্নয়ন করেননি বর্তমান সংসদ সদস্য।
এদিকে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে সাংসদ নির্বাচনের দুই(২) আসনে ১৪ টি ইউনিয়ন অংশ নিবে সাধুহাটি,মধুহাটি,সাগান্না,কুমড়াবাড়ীয়া, পাগলাকানাই, পোড়াহাটি,দৌগাছি,হরিশংকরপুর, পদ্মকর,গান্না,কালীচরনপুর,ফুরসন্ধি,হলিধানি,সুরাট
সরেজমিনে প্রতিটি ইউনিয়নে তৃনমুল পর্যায়ের মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, দীর্ঘ দশ(১০) বছরের অবহেলিত জনগোষ্ঠীর নাম ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নবাসী, এবার আমরা পরিবর্তন চাই, সকলেরই একটাই কথা নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল একজন ভালো মানুষ তিনার হাতেই ঝিনাইদহের উন্নয়ন হবে,আমরা এবার স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঈগল পাখি মার্কায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবো।

ঝিনাইদহের নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক হারে জনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল, আর প্রতিটি গণসংযোগে বাধভাঙ্গা জনগণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তারাও নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুলের ঈগল মার্কায় ভোট দিবেন। হাজার হাজার জনগণের সামনে মনোমুগ্ধকর বক্তব্য রেখে মানুষের মন জয় করছেন নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুল।

আসন্ন ৭ ই জানুয়ারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে কথা হয় ঝিনাইদহের জনগণের মধ্যমনি নাসের শাহরিয়ার জাহেদী মহুলের সাথে তিনি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জনগণের উদ্দেশ্য বলেন, দীর্ঘদিনের অবহেলিত জনপদের সার্বিক অবকাঠামোর উন্নয়ন ও জনগণের জীবনযাপনের মান উন্নয়ন করতে এবার ঈগল পাখি মার্কায় ভোট দিন আমি নির্বাচিত হলে ঝিনাইদহের বেকারত্ব সমস্যা সবার আগে দূর করবো।সেই সাথে স্কুল,কলেজ,বিশ্ববিদ্যালয়,আধুনিক মানসম্পন্ন মেডিকেল কলেজ সহ,হাসপাতাল রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়নের আপ্রান প্রচেষ্টা থাকবে।তিনি তার সংসদীয় আসনের জনগনকে সাংবাদিকদের মাধ্যমে আরও জানান,আপনারা উৎসবমুখর ও নির্বিঘ্নে ভোট দিতে ভোট কেন্দ্রে আসবেন।এছাড়াও তিনি জনগণের কাছে ভোট ও দোয়া চেয়েছেন ঈগল পাখি মার্কায়।তিনি আরও জানান,জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ধরে রাখতে আমাকে আপনাদের মহামূল্য ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করুন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বোয়ালখালী থানা পুলিশের অভিযানে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোহাম্মদ নুরুল আলমসহ পুলিশের একটি দল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— বোয়ালখালী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চাঁন্দারপাড়ার বাসিন্দা মো. হোসেন (২৪), পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইমন (১৯) এবং একই ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান (৫৫)।পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার মো. হোসেন বোয়ালখালী পৌর যুবলীগের নেতা, ইমন পোপাদিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সেক্রেটারি এবং আব্দুস সোবহান ওরফে ফোরকান বোয়ালখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত।

তাঁদের মধ্যে মো. হোসেন বোয়ালখালী থানার মামলা নম্বর ০৭-এর এজাহারনামীয় আসামি। মামলাটি ২১ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৬(১), ৬(২), ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২ ও ১৩ ধারায় দায়ের করা হয়েছে। অপর দুজনকে তদন্তে প্রাপ্ত আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।আইনগত ব্যবস্থা: গ্রেপ্তার তিন আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মোজাফ্ফর হোসেন।

বর্তমান অস্থির বিশ্বে বুদ্ধের মহান বাণীই শান্তি ফেরাতে পারে: সাংসদ নুরুল আমিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাই উপজেলাধীন পাঁচটি বৌদ্ধ গ্রামের বৌদ্ধ বিহারের ভিক্ষু, বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিনিধি এবং সাধারণ বৌদ্ধ জনগণের সাথে সাথে মিরসরাইয়ের সংসদ সদস্য নুরুল আমিনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অদ্য ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলেলে মিরসরাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য নুরুল আমিন। ভিক্ষু মহাসভার সহ-সভাপতি শ্রীমৎ প্রিয়ানন্দ মহাথেরের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন লক্ষ্মীপুর জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক পুষ্পেন্দু বড়ুয়া।

অগ্রণী ব্যাংকের ডিজিএম বিজয় বড়ুয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, অবসরপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিব পুলক কান্তি বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেলের নেফ্রোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. বিপ্লব কুমার বড়ুয়া, দমদমা নবাবপুর ধর্মকীর্তি বৌদ্ধ বিহারের আজীবন অধ্যক্ষ বিশ্বনাগরিক ড. ধর্মকীর্তি মহাথেরো এবং শাষন বংশ মহাথরসহ প্রতিটি বৌদ্ধ গ্রামের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ।
প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান অস্থির বিশ্বে বুদ্ধের মহান বাণীই শান্তি ফেরাতে পারে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার সারাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষায় বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে মিরসরাই উপজেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ গ্রামে বৌদ্ধ বিহারের নিরাপত্তা ও বৌদ্ধ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তায় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদলের সাধারণ কর্মীরা উনার নির্দেশে অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে কাজ করেছিল। তিনি মিরসরাই উপজেলার প্রতিটি বৌদ্ধ বিহারে তিন লক্ষ টাকা করে অনুদান প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। পরিশেষে সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ