আজঃ শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম:

জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধ করেননি, আমি তার সাক্ষী: ড. অনুপম সেন।

চট্টগ্রাম অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

একুশে পদকপ্রাপ্ত সমাজবিজ্ঞানী ও প্রগতিশীল পেশাজীবী পরিষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. অনুপম সেন বলেছেন, ‘বাঙালির ইতিহাস কয়েক হাজারের বছরের। ১৯৭১ সালের মতো সশস্ত্র জনযুদ্ধ বিশ্ব ইতিহাসে আমি আর পড়িনি। আলবেনিয়া ও ভিয়েতনাম জনযুদ্ধও বিশাল। জনযুদ্ধে আলবেনিয়ায় ১৫ লাখ মানুষের প্রাণ গিয়েছিল আর ভিয়েতনামে সাত লাখ। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ হারিয়েছে ৩০ লাখের বেশি মানুষ। এরকম ইতিহাস আর কোনও দেশের নেই।

মঙ্গলবার (০২ জানুয়ারি) বিকালে চট্টগ্রাম নগরীর থিয়েটার ইনস্টিটিউটে ‌‘মুক্তিযোদ্ধা-সৈনিক হত্যা ও হত্যার রাজনীতি: ১৯৭৫ থেকে বর্তমান’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আশায় বসতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জীবনের পড়ন্ত বিকেল
ঝাপসা হয় আঁখি পাতা
হৃদয়ের গহীনে মলিন হয়
প্রেমের ব্যাকুলতা ।

সময় বদলায় আপন রূপে
কখনো সোজা পথ
কখনো বাঁকা পথে ,
বদলায় রূপ রস আশা
ছন্দ গন্ধ প্রেম ভালবাসা।

জীবন হয়ে ওঠে
নি:সঙ্গ পথের ছায়া
নিথর নিস্তব্দ জীবন
প্রেমহীন প্রাণহীন কায়া,
ফিকে হয়ে যায়
জীবনের চাওয়া পাওয়া ।

হারিয়ে যায় ভালবাসা
চারিদিক ফাঁকা
শূন্যতার মায়াজালে
প্রেমের ছবি আঁকা ,
আপনজনের পথ হয়
অমসৃন আকাঁবাঁকা ।

থমকে যায় প্রেমের লেনদেন
হারিয়ে যায় আপনজন,
কুয়াশায় ঢেকে যায়
জীবনের বন্ধন ।

দিনের আলো হারিয়ে যায়
রাতের গভীরে
রাতের তারা লুকিয়ে যায়
দিনের আসরে ।

হাতের উপর হাত রাখা
বাসরের বাহানা কতনা সহজ
সারা জনম বহন
কতনা যন্ত্রণার
অনন্ত দহন ।

জীবনের আলো নিভে যায়
মিটিমিটি জ্বলে
তবুও আশায় বসতি
অবুঝ মনের ছলে ।

চট্টগ্রাম মহানগরের ৫ স্থানে হচ্ছে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার: চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মা ও শিশুবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে বলে তিনি জানান। মঙ্গলবার নতুন ব্রিজ পুলিশ বক্স এলাকায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

মেয়র বলেন, একজন কর্মজীবী বা বাইরে অবস্থানরত মায়ের জন্য শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নগরের গুরুত্বপূর্ণ ও জনসমাগমপূর্ণ স্থানে ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।এর মাধ্যমে মায়েরা স্বাচ্ছন্দ্যে এবং মর্যাদার সঙ্গে তাদের শিশুদের প্রয়োজনীয় যত্ন নিশ্চিত করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি সদস্য আব্দুল করিম ভুট্টো, মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সালাহউদ্দিন শাহেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এন. মোহাম্মদ রিমন, হালিশহর বিএনপি সিনিয়র সহ সভাপতি শেখ মেহেদী, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য নোমান সিকদার সোহাগ। এসময় ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়কারী সাফরাশ নুরী সিজ্জি প্রকল্পের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বর্ণনা দেন।

ডাকবাক্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশ এর নেতৃত্বে বাস্তবায়নাধীন এই পাইলট প্রকল্পের আওতায় নগরের নতুন ব্রিজ, পতেঙ্গা, কদমতলী কারখানা এলাকা, আগ্রাবাদ এবং রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় মোট ৫টি ব্রেস্ট ফিডিং ফিডিং সেন্টার স্থাপন করা হবে। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ টাকা, যা যৌথভাবে অর্থায়ন করছে ডাকবাক্স ফাউন্ডেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
চসিক মেয়র আরও বলেন, শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের মর্যাদা রক্ষায় ব্রেস্ট ফিডিং সেন্টার একটি যুগোপযোগী উদ্যোগ।এটি শুধু একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, বরং মানবিক নগর গঠনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাইলট প্রকল্পটি সফল হলে ভবিষ্যতে চট্টগ্রামের আরও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এ ধরনের কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি স্বাস্থ্যবান্ধব, মানবিক ও আধুনিক নগর হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা জলাবদ্ধতা নিরসন, খাল পুনরুদ্ধার, আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম, খেলাধুলার মাঠ আধুনিকায়ন এবং নাগরিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণসহ একাধিক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছি।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ