আজঃ রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

নিজেই ভোট দিতে পারেনি কল্যান পাটির ইব্রাহিম

এম মনির চৌধুরী রানা

নিজে ভোট নাদিয়েও এমপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বাসিন্দা বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। কিন্তু আওয়ামী লীগের হাই কমান্ডের নির্দেশে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে তিনি কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন থেকে নির্বাচন করেন। নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হলেও নিজেই ভোট দিতে পারেননি ওই আসনে। চকরিয়া-পেকুয়ার ইবরাহিম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও চকরিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সদ্য বিদায়ী সভাপতির জাফর আলমের বিরুদ্ধে। কিন্তু নির্বাচন চলাকালীন দুপুরে তিনি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।

এরপরও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে জাফর পান ৫২ হাজার ৮৯৬ ভোট। চকরিয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফখরুল ইসলাম এবং পেকুয়া উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউএনও থোয়াইহলা চৌধুরী জানান কক্সবাজার-১(চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মোট ভোটার রয়েছেন ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৮৬৪ জন। মোট কেন্দ্র রয়েছে ১৫৮টি। এসব কেন্দ্রের মধ্যে ৩টি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ স্থগিত করে নির্বাচন কর্মকর্তা।

১৫৫টি কেন্দ্রে ১ লাখ ১০ হাজার ১৪৭ জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করেন। তার মধ্যে বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৩৬৭টি ভোট। ফলে মোট বৈধ ভোট ধরা হয় ১ লাখ ৭ হাজার ৭৮০টি। স্থগীত করা ৩ কেন্দ্র হলো চকরিয়ার চরণদ্বীপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, দক্ষিণ ফুলছড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মরংগোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই ৩ কেন্দ্রে প্রায় ৯ হাজার ভোট রয়েছে।

জানা গেছে,বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান হাতঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম পেয়েছেন ৮১ হাজার ৯৫৫ ভোট। ট্রাক প্রতীকের জাফর আলম পান ৫২ হাজার ৮৯৬ ভোট। এই আসনে আরও ৫ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিলে ও তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছেন। চকরিয়া পৌরসভার মেয়র আলমগীর চৌধুরী বলেন, ২০১৮ সালে বহু আশা নিয়ে চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষ আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাফর আলমকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছিল।

কিন্তু গত ৫ বছরে তিনি এলাকায় কোনো উন্নয়ন করেননি। তিনি নিজের আখের গুছিয়েছেন। নিজের কাছের লোকজনকে দিয়ে ‘জাফর লীগ’ সৃষ্টি করেছেন। মানুষের জমি দখল, চিংড়িঘের দখল, গরু চোর, ডাকাতদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে এলাকার ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তাই মানুষ জাফর আলমের বিরুদ্ধে জবাব দিয়েছে ব্যালেটের মাধ্যমে।

নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বলেন এই বিজয় জুলুমবাজের বিরুদ্ধে, দখলবাজের বিরুদ্ধে, চুরি-ডাকাতের বিরুদ্ধে। আমি নিজে ভোট দিতে না পারলে ও এই এলাকার মানুষ এভাবে আমাকে ভোট দিবে, আমি কখনোই কল্পনা করতে পারিনি। তাই এই আসনের ভোটার থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, সুশীল সমাজ, সাংবাদিকসহ সকলের কাছে প্রতি চিরকৃতজ্ঞ থাকবো।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণার সময় আমি যেসব ওয়াদা দিয়েছি, তা পালন করতে সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে। এলাকায় উন্নয়নের জন্য যা করা দরকার সবই করবো। কোনো চোর-ডাকাত, জমি, চিংড়িঘের দখলবাজ এবং সন্ত্রাসীদের জায়গা হবে না।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গ্যাস সরবরাহ কম, জ্বালানি সংকট চাকা ঘুরছেনা চট্টগ্রামের ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রের, চরম ভোগান্তি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় নগরের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়েছে, ফলে ভ্যাপসা গরমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসিন্দারা। বিদ্যুৎ বিভ্রাটের প্রভাব পড়েছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায়, এমনকি দেখা দিয়েছে পানির সংকটও।জ্বালানি সংকটের কারণে এসব বিদ্যাৎকেন্দ্রগুলোর চাকা বন্ধ রয়েছে। যার ফলে বিদ্যুৎ ঘাটতি তীব্র আকার ধারণ করেছে। উৎপাদন কমে আসলেও গরমের কারণ বাড়ছে চাহিদা। ফলে লোডশেডিং আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

এদিকে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে বাড়ছে ভোগান্তি। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় দিনে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। এছাড়া চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলায় ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছে না বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। নগরীর রাহাত্তারপুল এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবির বলেন, বৈশাখ মাসের গরমে বিদ্যুৎ ছাড়া টিকে থাকা কঠিন হয়ে যাচ্ছে।ফটিকছড়ির ব্যবসায়ী হামিদুল ইসলাম বলেন, দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাচ্ছি না। দোকানে অনলাইনভিত্তিক কাজ করতে হয়। বিদ্যুৎ ছাড়া কাজ করা যায় না। আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি।পিডিবির চট্টগ্রাম নির্বাহী প্রকৌশলী ফাহমিদা জামান জানান, গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়া ও জ্বালানি সংকটের কারণে কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ রয়েছে। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী লোডশেডিং কমবেশি হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) সূত্র জানায়, গত শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় চট্টগ্রামে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১ হাজার ২১১ দশমিক ২০ মেগাওয়াট। উৎপাদন হয় ১ হাজার ৩৫৩ দশমিক ৫০ মেগাওয়াট। তবে এর মধ্যে ১৪২ দশমিক ৩০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করায় স্থানীয়ভাবে ৬৯ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হয়। এর আগে বেলা ১১টায় চাহিদা ছিল ১ হাজার ২৯১ দশমিক ৬০ মেগাওয়াট, বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যায় ১ হাজার ২০০ দশমিক ৭০ মেগাওয়াট। তখন লোডশেডিংয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯০ দশমিক ৯০ মেগাওয়াট।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, চট্টগ্রামের ২৮টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ১০টি কেন্দ্র উৎপাদনের বাইরে রয়েছে। এর মধ্যে এনলিমা (১১৬ মেগাওয়াট), জুডিয়াক (৫৪ মেগাওয়াট), জুলধা-২ ও ৩ (প্রতিটি ১০০ মেগাওয়াট), রাউজান ১ ও ২ (প্রতিটি ২১০ মেগাওয়াট) এবং কক্সবাজারের উইন্ড প্ল্যান্ট উল্লেখযোগ্য। পিডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুক্রবার বেলা ১১টায় ১১টি ও সন্ধ্যা ৭টায় ১৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্রে উৎপাদন ছিল শূন্যের কোঠায়। এরমধ্যে ১০ বিদ্যুৎকেন্দ্রে সকাল-সন্ধ্যা উৎপাদনের বাইরে ছিল। এর মধ্যে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র মাতারবাড়ী কোল পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে সকালে কিছু উৎপাদন মিললেও সন্ধ্যায় তা শূন্যে নেমে আসে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে সচল রয়েছে মাত্র দুটি।

বর্তমানে চট্টগ্রামের বিদ্যুৎ সরবরাহ মূলত নির্ভর করছে কয়েকটি কেন্দ্রের ওপর। সন্ধ্যার হিসাব অনুযায়ী বাঁশখালীর এসএস পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে ৬১২ মেগাওয়াট, শিকলবাহা কেন্দ্র থেকে ২১৮ মেগাওয়াট এবং মিরসরাইয়ের বি-আর পাওয়ার কেন্দ্র থেকে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ পাওয়া গেছে।

শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষা গড়ে তোলাও এখন সময়ের দাবি : মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোর অপরাধ ও গ্যাং সংস্কৃতি এখন সমাজের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এমন মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অভিভাবকদের একসঙ্গে কাজ করা জরুরি।’শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে হাতেখড়ি সিটি কর্পোরেশন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মেয়র বলেন, ‘শুধু একাডেমিক শিক্ষা নয়, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলাও এখন সময়ের দাবি।

অভিভাবকদের সন্তানদের চলাফেরা, বন্ধুবান্ধব ও আচরণের দিকে আরও নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘পরিবার থেকেই সচেতনতা শুরু করতে হবে, না হলে এই সমস্যার সমাধান কঠিন হয়ে যাবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার অনেক ক্ষেত্রে কিশোরদের ভুল পথে ঠেলে দিচ্ছে। তাই শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, শরীরচর্চা ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত রাখার ওপর জোর দিতে হবে।’আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সাফল্যের পেছনে শিক্ষক, অভিভাবক ও প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত ভূমিকা রয়েছে।

পাশাপাশি তিনি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে এবং সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে পরিশ্রম করার পরামর্শ দেন।’চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফয়জুল্লাহ। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিভাবক সদস্য মোহাম্মদ সেকান্দর, মো. হাসান রুবেল, রোকসানা বেগম ও শিক্ষানুরাগী সদস্য মো. মহিউদ্দীন।

আলোচিত খবর

সমুদ্রপথে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে ক্যাডেটরা প্রস্তুত: চট্টগ্রামে নৌ পরিবহনমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেরিটাইম খাতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণরাই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে এবং দেশের সক্ষমতা তুলে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌ পরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেরিটাইম ইনস্টিটিউটে ২৮তম ব্যাচের পাসিং আউট প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেছেন, শিক্ষা শুধুমাত্র জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর মূল লক্ষ্য শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশ।আপনারা শুধু ব্যক্তি নন, আপনারা জাতির সম্পদ। বিশ্বের বিভিন্ন বন্দরে গিয়ে আপনারা বাংলাদেশের পরিচয় তুলে ধরবেন, দেশের সক্ষমতা ও স্মার্টনেস প্রদর্শন করবেন।যারা এই কোর্স সম্পন্ন করে সমুদ্রে যাবেন, তারা নানা প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে শিখেছেন। জাহাজ ব্যবস্থাপনা কিংবা নৌ চলাচল-যেখানেই থাকুন না কেন, দৃঢ়তা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।পৃথিবীর প্রায় ৭০ শতাংশই জলভাগ, যা একসময় ছিল দুর্গম। তবে আধুনিক বিশ্ব সেই সীমাবদ্ধতা জয় করেছে।

কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, একমাত্র অ্যাকাডেমিক সার্টিফিকেটভিত্তিক শিক্ষা অনেক সময় বেকারত্ব তৈরি করে। এর বিপরীতে দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা কর্মসংস্থানের পথ খুলে দেয়। ১৯৯০-এর দশকে প্রতিষ্ঠিত মেরিটাইম প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা থেকে ইতোমধ্যে হাজারো দক্ষ জনশক্তি তৈরি হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। ভবিষ্যতে এই খাত আরও সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের উদ্দেশে তিনি স্বাস্থ্য সচেতনতার কথাও উল্লেখ করেন। দীর্ঘসময় রোদে প্যারেড করার কারণে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন তিনি। এছাড়া অনুষ্ঠানে মেরিটাইম ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অভিভাবকরাও উপস্থিত ছিলেন। পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেওয়া ক্যাডেটদের শৃঙ্খলাবদ্ধ কুচকাওয়াজ ও দক্ষতা উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ