আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটিতে পুরকৌশল বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠান

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র পুরকৌশল বিভাগের উদ্যোগে স্প্রিং সেমিস্টার—২০২৪ এর শিক্ষার্থীদের”নবীনবরণ অনুষ্ঠান ১৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস, বায়েজিদ আরেফিন নগরে হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিভাগের প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক প্রকৌশলী মো. আবুল হাসানের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্টুডেন্টস এন্ড এলামনাই অ্যাফেয়ার্স দফতরের পরিচালক ও ইইই বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আশুতোষ নাথ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থীরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পরিশ্রমী এবং উদ্যোগী হওয়ার পরামর্শ দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. আশুতোষ নাথ বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের চার বছর পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়ম—শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে এবং বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগীদের সাথে প্রতিযোগিতা করার জন্য শিক্ষার্থীদের পুরকৌশল বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করে দক্ষ হতে হবে।” বক্তব্য শেষে নতুন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেয়া হয়। এরপর একাডেমিক কো অর্ডিনেটর প্রকৌশলী মুহাম্মদ আয়ানুল হক চৌধুরী শ্রেণি কার্যক্রম ও নিয়ম শৃঙ্খলার বিষয়ে দিকনির্দেশনা মূলক বক্তব্য দেন। পরিশেষে বিভাগীয় প্রধান প্রকৌশলী মো. আবুল হাসান তার সমাপনী বক্তব্যে নবীনদের উদ্দেশ্যে তাদের ভবিষ্যৎ গঠনের উপদেশ প্রদান করেন এবং শুভকামনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি:চসিক মেয়র

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। মঙ্গলবার চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঈদ উপহার বিতরণকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মহানগরের কাজীর দেউরি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই উপহার হস্তান্তর করেন মেয়র। এবার চসিকের মোট ৩ হাজার ২৭০ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রত্যেকে ৫ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার পাচ্ছেন। এর আগে গত রোববার বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের জন্য ঈদ উপহারের অর্থের চেক সংশ্লিষ্ট মেয়র ও প্রশাসকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিচ্ছন্নতা কর্মীরাই একটি শহরের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতার মূল চালিকাশক্তি। তারা দিন রাত পরিশ্রম করে, রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে নগরবাসীর জন্য একটি বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করেন।

তাদের এই অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই ঈদ উপহার একটি মানবিক উদ্যোগ, যা কর্মীদের মনোবল আরও বাড়াবে।তিনি বলেন, চট্টগ্রামকে একটি ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শহরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কাজ, যার উপর পুরো নগরের ভাবমূর্তি নির্ভর করে।
মেয়র আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে পরিবর্তন এনে রাতের বেলায় ময়লা অপসারণ কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে, যার ফলে শহরের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা অনেকটাই উন্নত হয়েছে। তবে এখনও কিছু ক্ষেত্রে ঘাটতি রয়েছে। বিশেষ করে ময়লা পরিবহনের সময় রাস্তায় বর্জ্য পড়ে যাওয়া, যানবাহন দ্রুত চালানোর কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন তিনি।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের সুরক্ষার জন্য প্রদত্ত ইউনিফর্ম ও সুরক্ষা সামগ্রী নিয়মিত ব্যবহার করার আহ্বান জানান। মেয়র বলেন, এই সরঞ্জামগুলো আপনাদের নিরাপত্তার জন্যই দেয়া হয়েছে। এগুলো ব্যবহার করলে যেমন আপনাদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, তেমনি নগরের ভাবমূর্তিও উন্নত হবে। মেয়র নগরবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে চসিক বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বর্জ্য থেকে সম্পদ উৎপাদনের লক্ষ্যে রিসাইক্লিং, বায়োগ্যাস, গ্রিন ডিজেল এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের মতো প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, উন্নত দেশগুলো বর্জ্যকে সম্পদে রূপান্তর করছে, আর আমাদের দেশে এখনো অনেকেই অনিয়মভাবে বর্জ্য ফেলছেন, যা জলাবদ্ধতা ও পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ।তিনি জানান, বাসা থেকে সরাসরি বর্জ্য সংগ্রহের একটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও নাগরিকদের আর্থিক আপত্তির কারণে তা বন্ধ করা হয়েছে। এখন থেকে চসিক নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বিনামূল্যে বাসা থেকে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

মেয়র পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, এই শহর আমাদের সবার। আপনারা যদি আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন, তাহলে চট্টগ্রামকে একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা সম্ভব। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী ও প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা প্রমূখ।

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ