আজঃ বুধবার ১৮ মার্চ, ২০২৬

রাণীশংকৈলে ঠান্ডাাজনিত সমস্যায় শিশু ও বয়স্করা

সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাণীশংকৈলে ঠান্ডাাজনিত সমস্যায় শিশু ও বয়স্করা
সফিকুল ইসলাম শিল্পী, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি: শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ব্যাপক হারে বাড়ছে শীতজনিত রোগ। সর্দি-কাশি, জ্বর, নিউমোনিয়া, টনসিলাইটিস, অ্যাজমা, চর্মরোগ, হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট ও ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু থেকে সব বয়সের মানুষ। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু ও বয়স্করা। প্রায় প্রতিটি হাসপাতালে শীতজনিত রোগীর চাপ কিছুটা বেড়েছে।

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলের উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে সরেজমিনে দেখা যায়, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া নিয়ে শুধু শহর থেকেই নয়, রোগী আসছে প্রত্যান্ত গ্রাম থেকেও। আবার অনেকেই বহিরবিভাগ থেকে সাথে সাথে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন যাচ্ছেন ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে দেখা যায়, উপজেলার হোসেনগাঁও এলাকা থেকে আজাঝারুল ইসলামের স্ত্রী ২০ মাসের মেয়ে নিয়ে ডায়রিয়াজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

সুন্দরী মোড়ের শামসুদ্দীনের ১২ মাসের শিশুকে ডায়রিয়ার চিকিৎসা নিতে ভর্তি করেছেন। তিনি বলেন, ডায়রিয়া সমস্যায় ভুগছে তার শিশুটি। পরিবারের প্রথম সন্তান তাই চরম দুঃশ্চিন্তার মধ্যে আছেন তারা। চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে এসেছেন।
এদিকে হাসপাতালের আরেক বেডে মুরসালিন নামে ১৮ মাসের শিশুকে আমগাঁও এলাকার সোহেল নামের এক বাবা ডাইরিয়া অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছেন। চিকিৎসা নিয়ে তাদের শিশুটি এখন বেশ সুস্থ্য আছে বলে জানান তার পরিবারের লোকজন।

এদিকে শীতের শুরতেই ঠান্ডাাজনিত সমস্যায় ভুগছে বেশি করে শিশুরা। অনেকেই দূরদুরান্ত থেকে তাদের প্রিয় সন্তাানটিকে নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছেন এমন কথায় জানালেন রুগীদের স্বজনরা।

রাণীশংকৈল স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের আর,এম,ও ডাক্তার ফিরোজ আলম বলেন, “আমরা রোগীর স্বজনদের পরামর্শ দিচ্ছি শিশুদের প্রতি আরও বেশি যত্নবান হতে। বিশেষ করে গরম কাপড় পরানো, উষ্ণ গরম পানি পান করাতে বলছি।”

উপজেলা স্বাস্থ্য ও প,প, কর্মকতার্ আব্দুস সামাদ চৌধুরী জানান, “শীতের কারণে কিছু রোগী অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আসলেও চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফিরে যাচ্ছে । হাসপাতালে শিশুরোগীসহ অন্যান্য রোগীদের ঔষুধ সরবরাহ ঠিকমতো চলছে। তবে আতঙ্কের কারণ নেই, সময়মত বাচ্চাদের যত্ন ও চিকিৎসকের পরামর্শ নিলেই সুস্থ হবে শিশুরা।”ং

স্বাস্থ্য বিভাগ বলছেন ,উত্তরের প্রত্যন্ত এ এলাকায় প্রকৃতিতে ক’দিন আগে থেকেই মিলছে কন্ কন্ েশীতের অনুোভূতি। এ অবস্থায় কিছুটা বেড়েছে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, যাদের অধিকাংশই শিশু। ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা নিউমোনিয়ায় অসুস্থ শিশুদের নিয়ে স্বজনেরা হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে সেবা নিচ্ছেন। যদিও এ অবস্থায় রাণীশংকৈলে বেড়েছে শীতজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা, যাদের অধিকাংশই শিশু। ডায়রিয়া, শ্বাসকষ্ট কিংবা নিউমোনিয়ায় অসুস্থ শিশুদের নিয়ে স্বজনেরা ভিড় করছেন হাসপাতালসহ বিভিন্ন চিকিৎসা কেন্দ্রে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত ডাইরিযার রোগীর সংখ্যা ৫২ জন ও নিওমোনিয়া রোগীর সংখ্যা ৪ জন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ফুটপাতে উদ্ধার নবজাতকের চিকিৎসা শেষে জিম্মায় দিল পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর কোতোয়ালী থানা এলাকায় পরিত্যক্ত এক নবজাতককে উদ্ধার করে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে আইনি প্রক্রিয়ায় নিরাপদ জিম্মায় দিয়েছে পুলিশ।

কোতোয়ালী থানা পুলিশ জানায়, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি কোতোয়ালী থানাধীন ব্রিজঘাট সংলগ্ন এস আলম বাস কাউন্টারের বিপরীত পাশের ফুটপাতে পরিত্যক্ত অবস্থায় একদিন বয়সী একটি ছেলে নবজাতক উদ্ধার করা হয়। এ সময় শিশুটিকে গামছা ও তোয়ালে জড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দুর্বল থাকায় কোতোয়ালী থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়।

কোতোয়ালী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নূরে আল মাহমুদ জানান, প্রায় ২০ দিনের চিকিৎসা শেষে শিশুটি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শিশুটিকে হাটহাজারী উপজেলার চিকনণ্ডী ইউনিয়নের বাদামতল এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের জিম্মায় দেওয়া হয়। শিশুটির সার্বিক খোঁজখবর নিয়মিত রাখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

পথশিশুদের আইন দিয়ে নয় আদর দিয়ে মূলধারায় ফিরিয়ে আনুন – আমীরুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পথশিশুদের প্রতি সহমর্মিতা ও ভালোবাসা প্রদর্শনের মাধ্যমে তাদের সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উত্তর জোনের ডিসি আমীরুল ইসলাম। তিনি বলেন, পথশিশুরা আমাদেরই সন্তান। অযত্ন ও অবহেলায় বেড়ে উঠলেও এদের মধ্যেও রয়েছে অসীম মেধা ও সম্ভাবনা। সঠিক পরিচর্যা ও দিকনির্দেশনা পেলে তারাও সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে “আমরা চাটগাঁবাসী” সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত পথশিশু ও কিশোরদের জন্য ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নয়, বরং ভালোবাসা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে পথশিশুদের কাছে টানতে হবে। তাদের পাশে দাঁড়াতে পারলে সমাজে অপরাধ প্রবণতাও উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল এবিএম ইমরানের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি গোলাম মওলা মুরাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবুল হাছান রুমী, পাঁচলাইশ থানার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুল করিম এবং প্রোগ্রামের স্পন্সর ওয়াহিদ ইলেক্ট্রিশিয়ান্স ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার অধ্যক্ষ মো. আব্দুল বাতেন।

আমরা চাটগাঁবাসীর যুগ্ম সম্পাদক জানে আলম চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পাঁচলাইশ থানার সেকেন্ড অফিসার নুরুল আবসার, স্বর্ণলতা স্কুলের উদ্যোক্তা মোহাম্মদ রবিউল হোসেন, আরটিআর তারেক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংগঠক তাহসান হাবিব, অধরা মেঘ কলি ও মোঃ আলীসহ অনেকে।অনুষ্ঠানে পথশিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয় এবং তাদের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে ডিসি মহোদয় বাছাইকৃত শিশু-কিশোরদের নিজ কার্যালয়ে তুলে এনে ঈদের জামা উপহার দেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ