বহিবিশ্ব:

জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞদের মত বাংলাদেশকে অবশ্যই মানবাধিকারে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

ঢাকা অফিস:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশ সরকার টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় এসেছেন। তাদেরকে অবশ্যই মানবাধিকারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। দেশে দমনমূলক প্রবণতা পরিহার করতে হবে এবং অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির দিকে ঝুঁকতে হবে। এজন্য বড় ধরনের সংস্কার প্রয়োজন।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ভোটের আগে কয়েক মাস ধরে হাজার হাজার বিরোধী সমর্থককে নির্বিচারে আটক করা বা ভয় দেখানো, সুশীল সমাজ, মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা এবং হয়রানি; এসব খবরে আমরা উদ্বিগ্ন। যা সাম্প্রতিক নির্বাচনকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

তারা বলেন, নির্বাচনের আগে প্রায় ২৫ হাজার বিরোধী সমর্থককে নির্বিচারে আটক করা হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থার ওপর বলপ্রয়োগ করা হয়েছে এবং অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। কেবল নির্বাচনী সহিংসতায় ৫৬ জন নিহত হয়েছেন। অথচ এসব সহিংসতার কোন স্বাধীন তদন্ত হয়নি।

বিবৃতিতে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল আস্থার অভাবে নির্বাচন বয়কট করেছে। ভোটারদেরকে ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে। এমনকি ভোট না দিলে নানা ধরনের সহিংসতা এবং সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলো হারানোর হুমকি দেওয়া হয়েছে।

তারা বলছেন, আমরা বাংলাদেশ সরকারকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে চিঠি দিয়েছি। তাদেরকে স্বাধীনভাবে তদন্ত করতে অনুরোধ জানিয়েছি।

এছাড়াও বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশকে তার গতিপথ পরিবর্তন এবং সত্যিকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্রের জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শ্রীলঙ্কার একটি কারাগারে আবারও কয়েদিরা সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছেন। এবারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত একজন কয়েদি নিহত এবং ছয়জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামলাতে কর্তৃপক্ষ সেনা মোতায়েন করেছে।

সৌদির নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোটে ১৪ দেশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপত্তা জোরদার করতে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশকে নিয়ে নতুন একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে । এই জোটের মূল লক্ষ্য হলো বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নিরাপদ নৌ-চলাচল নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ রুট সুরক্ষিত রাখা

এজোটে রয়েছে সৌদি আরব,তুরস্ক, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, মিসর, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, জর্ডান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভবিষ্যতে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আরও দেশ এই জোটে যোগ দিতে পারবে।যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাত এবং হুথি হামলার কারণে লোহিত সাগর ও আশপাশের সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই নতুন জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ