কক্সবাজার:

স্কুলছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি গ্রেপ্তার।

কক্সবাজার প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার শহরে চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব।

র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন জানান, রোববার মধ্যরাতে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের লিংকরোড এলাকায় এ অভিযান হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. তারেক (১৯) কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম কুতুবদিয়া পাড়ার বাসিন্দা মো. হামিদের ছেলে।

মামলার নথির বরাতে সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কিছুদিন আগে টেকনাফ থেকে বাবার সঙ্গে কক্সবাজার শহরে বড় ভাইয়ের বাসায় বেড়াতে আসে চতুর্থ শ্রেণী পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রী। গত ২৪ জানুয়ারি রাতে শহরের কুতুবদিয়া পাড়ায় পারিবারিক আয়োজনে সামাজিক অনুষ্টান চলাকালে তাকে নিজের এক বড় ভাই বসত ভিটার টিউবওয়েল থেকে পানি আনতে পাঠান।

“ এসময় স্থানীয় মো. তারেক ওই স্কুলছাত্রীকে মুখ চেপে ধরে তুলে নিয়ে যায়। পরে সৈকত সংলগ্ন ঝাউবাগানে তাকে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এসময় ওই স্কুলছাত্রী শোর-চিৎকার করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তারেককে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এরপর ধর্ষক তারেককে ভূক্তভোগী ছাত্রীর ভাইয়ের বাড়ীতে নিয়ে আসে। “

র‌্যাবের এ কর্মকর্তা বলেন, “ স্থানীয়রা জানিয়েছে, হাতেনাতে ধরা পড়া তারেক ঘটনার পরপরই ধর্ষণের কথা স্থানীয়দের কাছে স্বীকার করে। এক পর্যায়ে ভূক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বড় ভাইয়ের বাড়ী থেকে কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে অভিযুক্ত যুবক ভূক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বড় ভাইয়ের স্ত্রীসহ স্বজনদের প্রাণনাশসহ নানাভাবে হুমকি প্রদান করে। “

এদিকে ভূক্তভোগী স্কুলছাত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা গত ২৫ জানুয়ারি সকালে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে বলে জানান সাজ্জাদ হোসেন।

এ ঘটনায় গত ২৭ জানুয়ারি ভূক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে মো. তারেককে আসামি করে কক্সবাজার সদর থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

লে. কর্নেল সাজ্জাদ বলেন, ঘটনাটি র‌্যাব অবহিত হওয়ার পর মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। রোববার মধ্যরাতে অভিযুক্ত আসামি কক্সবাজার সদর উপজেলার লিংকরোড এলাকায় আত্মগোপন অবস্থায় থাকার খবর পায় র্যাব। পরে অভিযান চালিয়ে রাতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার আসামিকে কক্সবাজার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই : সিএমপি কমিশনার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেছেন, আমরা জনগণের পুলিশ হতে চাই, নিপীড়ক হতে চাই না। পুলিশ ভালো কাজ করছে কি না, তার প্রধান মাপকাঠি নাগরিক সন্তুষ্টি। সাধারণ মানুষ পুলিশের সেবা ও আচরণে সন্তুষ্ট হলে বুঝতে হবে পুলিশ সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করছে।শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় পুলিশ কমিশনার এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক। এসময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মিয়া মো. আরিফ। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাহবুব মাওলা রিপন।

হাসান মো. শওকত আলী বলেন, আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষায় জনসচেতনতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কার্যকর পুলিশিংয়ের অন্যতম প্রধান উপাদান হলো কমিউনিটির সক্রিয় অংশগ্রহণ। পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা যত বাড়বে, পুলিশ তত ভালোভাবে কাজ করতে পারবে।

পুলিশের আচরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গ টেনে পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশ আলাদা, এটা শুধু পুলিশ নিজে মনে করলে হবে না। সাধারণ মানুষকে পুলিশের কাজ ও আচরণের মাধ্যমে সেটি মনে করতে হবে।
জুলাই বিপ্লবের পর সাধারণ মানুষের সঙ্গে পুলিশের সম্পর্ক পরিবর্তন টেনে হাসান মো. শওকত আলী বলেন, আমরা নিপীড়ক পুলিশ হতে চাই না। সিএমপির পক্ষ থেকে বলতে চাই, আমরা জনগণের পুলিশ হিসেবে জনগণের জন্য কাজ করতে চাই।

সিএমপি পুলিশ কমিশনার আরও বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ। একজন সাংবাদিক পুলিশের কোনো কর্মকাণ্ড নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করলে সেটিকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওই প্রতিবেদনটি গুরুত্ব দিয়ে বিশ্লেষণ করে সেখান থেকে প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো অনুধাবন করতে হবে।

এসময় দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, সাংবাদিক ও পুলিশ একে অন্যের পরিপূরক। তারা যদি সঠিক সংবাদটি পরিবেশন করতে পারে, সেখানে আর কোনো বিভাজন তৈরি হয়না। সংবাদ হতে হবে সত্যনিষ্ঠ। ওই সত্যের মধ্যে সংবাদ প্রকাশ করতে হবে। পুলিশের সেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সিএমপিতে পুলিশ রয়েছে প্রায় ১২শ, নগরে বসবাসরত ৭০ লাখ মানুষের খবর রাখা সম্ভব না। তাদেরকে যদি একটু তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করি, তাহলে বিষয়টি সমাধান করা পুলিশের জন্য সহজ হবে।

সভাপতির বক্তব্যে প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, একটি কল্যাণ রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য একই বিষয়ে দিনরাত কাজ করছেন পুলিশ ও সাংবাদিক। প্রতিকূলতার মধ্যে জনগণের সেবায় কাজ করছেন এই দুই পেশার মানুষ। সাংবাদিক ও পুলিশ সুসম্পর্ক গড়ে উঠার মাধ্যমে জনগণের প্রত্যাশা পুরণ হবে। তিনি বলেন, এই জুলাই মাসে গত সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হয়েছে। এই পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবও পরিবর্তন হয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে পুলিশ ও সাংবাদিক একসাথে কাজ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা।

মতবিনিময় সভায় প্রেস ক্লাবের পক্ষে বক্তব্য রাখেন, কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ) বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের সাধারণ সম্পাদক ওসমান গণি মনসুর, প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দীন কাদেরী শওকত, কাজী আবুল মনসুর, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সালেহ নোমান, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান ও সাইফুল ইসলাম শিল্পী, এটিএন নিউজের চট্টগ্রামের প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম পারভেজ, কালের কণ্ঠের সিনিয়র রিপোর্টার ফারুক মুনির ও সকালবেলার ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ আলী। এসময় ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম,

প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সিএমপির পক্ষে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভুইয়া, ডিসি (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান ও কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ নূর। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিসি (ট্রাফিক-উত্তর) নেছার উদ্দীন আহমেদ, ডিসি (ট্রাফিক-পশ্চিম) নিষ্কৃতি চাকমা, ডিসি (ট্রাফিক-দক্ষিণ) মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, ডিসি (ক্রাইম এন্ড অপারেশনস্)

মো. রইছ উদ্দিন, ডিসি (ট্রাফিক-বন্দর) কবীর আহম্মেদ, ডিসি (সিএসবি) মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস, ডিসি (পশ্চিম) মো. আলমগীর হোসেন, ডিসি (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম, ডিসি (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, এডিসি মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী, এডিসি মোহাম্মদ বদিউজ্জামান, এডিসি (সদর) শ্রীমা চাকমা ও এসি (সদর) আমিনুর রশিদ।

শিবগঞ্জে ১ কেজি হেরোইন ৯০০ পিচ ইয়াবাসহ ১ মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে এক কেজি হেরোইন ও নয়শত পিঁচ ইয়াবাসহ রসুল মিয়া (৪২) কে আটক করা হয়েছে। আটককৃত ব্যাক্তি হলেন, শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের আজমতপুর হুদমাপাড়া এলাকার মুত ফয়েজ উদ্দিনের ছেলে রসুল মিয়া।

 শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার জনাব,গৌতম কুমার বিশ্বাস এর নির্দেশক্রমে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এস.আই হরেন্দ্রনাথ এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ ২৪ জুলাই মধ্যরাতে আনুমানিক সাড়ে ১২ টার দিকে মাদক পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের আজমতপুর হুদমাপাড়া এলাকায় রাসুল মিয়ার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।

পরে তাঁর হেফাজতে থাকা স্টোর রুমের ভেতরে থাকা ১০ প্যাকেট সাদা রংয়ের ১ কেজি মাদকদ্রব্য হেরোইন ও পাঁচ প্যাকেটে নয়শত পিচ লালচে রংয়ের ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্যের আনুমানিক মূল্য ৩১লাখ পয়ত্রিশ হাজার টাকা।পরবর্তীতে আইনগত ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য, শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মতিউর রহমান বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে শিবগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আসামী কে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ