আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বহিবিশ্ব:

মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুকে অভিশংসনের চেষ্টা।

বহিবিশ্ব নিউজ ডেস্ক:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মালদ্বীপের নতুন প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জুর বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়া শুরু করতে চায় দেশটির প্রধান বিরোধী দল মালদিভিয়ান ডেমোক্রেটিক পার্টি (এমডিপি)। ইতমধ্যে দলটি সংসদ সদস্যদের স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে শুরু করে দিয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, মালদ্বীপের পার্লামেন্টে এমডিপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তারা চীনপন্থী মুইজ্জুকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। ক্ষতাগ্রহণের পর থেকে একের পর এক ভারতবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে বিরোধীদের বিরাগভাজন হয়েছেন মুইজ্জু। সম্প্রতি তিনি চীনের একটি গোয়েন্দা জাহাজকে মালেতে নোঙর করার অনুমতি দিয়েছেন। এরপর থেকে মুইজ্জুর বিরুদ্ধে আরও একাট্টা হয়েছে বিরোধী দলগুলো। এবার তারা মুইজ্জুর বিরুদ্ধে অভিশংসন প্রক্রিয়াই শুরু করে দিল।

অভিশংসনপ্রক্রিয়া শুরু করার পর গতকাল রোববার মালদ্বীপের পার্লামেন্টে ব্যাপক হট্টগোল হয়েছে। সরকারি ও বিরোধী সংসদ সদস্যদের মধ্যে হাতাহাতিও হয়েছে।

মালদ্বীপের পার্লামেন্টে মোট আসন সংখ্যা ৮০। তাদের পার্লামেন্টকে ‘মজলিশ’ বলা। বর্তমান মজলিশে ৮০ আসনের মধ্যে ৫৫ আসন রয়েছে এমডিপি ও ‘দ্য ডেমোক্র্যাট’ নামের আরেকটি দল। এ দুটি দলই এখন মুইজ্জু সরকারের সবচেয়ে বেশি সমালোচনা করছে।

গত বছরের অক্টোবরে ৫৪ শতাংশ ভোটে জিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন মোহামেদ মুইজ্জু। এরপরই তিনি জানিয়ে দেন, মালদ্বীপে অবস্থানকারী ৮৮ ভারতীয় সেনাকে দেশে ফিরে যেতে হবে। পরে তাঁর সরকার ১৫ মার্চ সময়সীমাও বেঁধে দেয়।

মুইজ্জুর অতিরিক্ত ভারতবিরোধী অবস্থান মালদ্বীপকে গুরুতর বিপদের মুখোমুখি দাঁড় করাতে পারে বলে মনে করছেন প্রধান দুই বিরোধী দল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ট্রাম্পেরব মন্তব্যকে অসংলগ্ন অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ বলেছেন জশওয়াল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শেয়ার করা একটি পোস্টের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে অসংলগ্ন অনুপযুক্ত এবং কুরুচিপূর্ণ বলে আখ্যা দিয়েছে।

গত বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জন্মসূত্রে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার আইন নিয়ে একটি দীর্ঘ পডকাস্ট শেয়ার করেন। সেখানে অভিযোগ করা হয়, ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো থেকে আসা অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রে আসে সন্তান জন্ম দিতে। একই সঙ্গে তারা প্রযুক্তিখাত দখল করে নিচ্ছে ও শ্বেতাঙ্গ মার্কিনিদের কর্মসংস্থান নষ্ট করছে।

ওই পোস্টে আপত্তিকর ভাষায় বলা হয়, জন্মের পর একটি শিশু তাৎক্ষণিক নাগরিক হয়ে যায়। তারপর চীন, ভারত বা গ্রহের অন্য কোনো ‘জাহান্নাম’ থেকে তাদের পুরো পরিবারকে নিয়ে আসে।ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল এট প্রতিক্রিয়ায় বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শেয়ার করা এই মন্তব্যগুলো স্পষ্টতই তথ্যহীন এবং সুরুচিহীন। এটি ভারত-মার্কিন সম্পর্কের প্রকৃত প্রতিফলন নয়, যা দীর্ঘকাল ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অভিন্ন স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত নেতা আমি বেরা এই পোস্টটিকে ‘আপত্তিকর ও অজ্ঞতাসূচিত’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন-প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতো মানুষ, যিনি সম্পদ ও বিলাসিতার মধ্যে বড় হয়েছেন- তিনি কোনোদিন অভিবাসী পরিবারের সংগ্রাম বুঝতে পারবেন না।

আরব আমিরাতে দুই বাংলাদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এস এস সি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আরব আমিরাতে দুই বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি বাংলাদেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনের পরীক্ষা।

আবুধাবির শেখ খালিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং উত্তর আমিরাতের রাস আল খাইমাহ বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুলের পরীক্ষা কেন্দ্রে বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

আবুধাবির শেখ খালিফা বিন জায়েদ বাংলাদেশ ইসলামিয়া ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের উপাধ্যক্ষ ও হল সুপার কিরণ আখতার জানান, তার প্রতিষ্ঠান থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন ৫০ জন পরীক্ষার্থী। এর মধ্যে নিয়মিত ৩৮ জন এবং অনিয়মিত ১২ জন।

অন্যদিকে, উত্তর আমিরাতের রাস আল খাইমাহ বাংলাদেশ ইংলিশ প্রাইভেট স্কুল থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন ৪৫ জন। তবে পরীক্ষায় অংশ নেন ৪৪ জন, ১ জন অনুপস্থিত ছিলেন বলে জানান বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক আবু তাহের মোহাম্মদ শাহনেওয়াজ। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ২৪ জন বিজ্ঞান বিভাগের এবং ২১ জন ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ