আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

আগামী দিনের রাষ্ট্রের সেবকরা এখানে বসে রয়েছে

নিজস্ব সংবাদদাতা:

ভোলা জেলা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের প্রতিষ্টা বার্ষিকী ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোলা জেলা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন এর ৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বক্তাগণ
বলেছেন-আগামী দিনের রাষ্ট্রের সেবকরা এখানে
বসে রয়েছে। যাদের মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে আগামীর
ভবিষ্যৎ। কাজেই এভবিষ্যতের কারিগরদের মন বাঁধতে
হবে। আজকে যারা ছাত্র হিসেবে ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দ্বীপ জেলা ভোলা থেকে এসেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখা -পড়ার জন্য,তাদের সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে পিতা-মাতা অনেক স্বপ্ন নিয়ে এখানে পাঠিয়েছেন লেখা-পড়ার জন্য। সে স্বপ্ন পূরণে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে। বাবা-মায়ের স্বপ্ন পূরণ হলেই দেশ ও সমাজ উপকৃত হবে, এতে কোন সন্দেহ নেই। ১০ ফেব্রুয়ারী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরী মিলনায়তনে সংগঠনের সভাপতি তামিম হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন -চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফাহমিদা সুলতানা তানজি,ভোলা জেলা সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক -কিরন শর্মা,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক মোঃ শাহে আলম,গণপূর্ত বিভাগ -১ এর প্রকৌশলী মনোজ কুমার দে,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত মোঃ নাসিম, ভোলা জেলা স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন সাবেক নেতা- সংবর্ধনা ও প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী সোলাইমান আল হাসান, রাজিব আহমেদ, মেহেরাব হোসেন, মাহমুদুল হাসান শিল্পী প্রমূখ।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও বরণ অনুষ্ঠানে বক্তাগণ আরও বলেন -এ সংগঠনের সেবা কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
সংগঠনের ভিত মজবুত করতে হবে। এজন্য নিবন্ধনসহ অন্যান্য পদক্ষেপ গ্রহনের গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে নবীনদের বরণ, ক্রেস্ট প্রদান ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোণায় বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণায় বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ প্রেসক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার উদ্যোগে দিনটি উপলক্ষে র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

রবিবার (৩ মে) জেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার সংলগ্ন মূল সড়কে র‌্যালি ও বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার মোক্তারপাড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব নেত্রকোণা জেলা শাখার আহবায়ক মাহমুদুল হাসান শামীম তালুকদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আলোচক প্রফেসর ননী গোপাল সরকার।

এ সময় আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র সাংবাদিক অরবিন্দ ধর, সিনিয়র সাংবাদিক অধ্যাপক বিজয় দাস, সাংবাদিক সুস্হির সরকার,সাংবাদিক সারোয়ার, সাংবাদিক মোনায়েম খান, সাংবাদিক মানিক মিয়া, প্রভাষক সিরাজুল ইসলাম খান সোহেল,মেহেদী হাসান,সম্পাদক ও প্রকাশক ডেইলি নেত্রনিউজ,সাংবাদিক ওবায়দুল ইসলাম সাগর,সাংবাদিক মনিরুল ইসলাম,সাংবাদিক হাবীবুর রহমান,মাহবুব আলম, রফিক প্রমুখ।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে তথ্যপ্রবাহ দ্রুততর হলেও ভুয়া খবরের বিস্তারও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়; বরং সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একটি মুক্ত ও শক্তিশালী গণমাধ্যমই স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক হতে পারে।এসময় আরো বক্তব্য দেন, সিনিয়র সদস্য সিরাজুল করিম মানিক, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, নির্বাহী সদস্য ও এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার আরিচ আহমেদ শাহ, কর্ণফুলী পত্রিকার বার্তা সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এম এ হোসাইন, নিউজ গার্ডেন পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হুদা, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনিরুল ইসলাম মুন্না, রিদুয়ান সিদ্দিকী, সাঙ্গু পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম এবং রূপালী বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার মো. শাহাবুদ্দীন সহ প্রমুখ।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ