আজঃ শুক্রবার ৮ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত।

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে রবিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।সভায় প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ।সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজের আয়না হিসেবে কাজ করে। প্রযুক্তির অগ্রগতিতে তথ্যপ্রবাহ দ্রুততর হলেও ভুয়া খবরের বিস্তারও বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের পেশাগত সততা ও দায়িত্ববোধ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা শুধু রাষ্ট্রের দায়িত্ব নয়; বরং সমাজের সব স্তরের মানুষের সম্মিলিত দায়িত্ব। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন তিনি।

সভায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। একটি মুক্ত ও শক্তিশালী গণমাধ্যমই স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও উন্নত রাষ্ট্র গঠনে সহায়ক হতে পারে।এসময় আরো বক্তব্য দেন, সিনিয়র সদস্য সিরাজুল করিম মানিক, প্রেস ক্লাবের অর্থ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাত, গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আবদুল্লাহ, নির্বাহী সদস্য ও এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার আরিচ আহমেদ শাহ, কর্ণফুলী পত্রিকার বার্তা সম্পাদক জামাল উদ্দিন হাওলাদার, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এম এ হোসাইন, নিউজ গার্ডেন পত্রিকার সম্পাদক কামরুল হুদা, পূর্বদেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মনিরুল ইসলাম মুন্না, রিদুয়ান সিদ্দিকী, সাঙ্গু পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম এবং রূপালী বাংলাদেশের সিনিয়র রিপোর্টার মো. শাহাবুদ্দীন সহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসে বর্ণাঢ্য আয়োজন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশ্ব রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবস চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে। বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট এবং জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় ও যুব ইউনিটের পরিচালনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপন করা হয়।বৃহস্পতিবার দিবসের শুরুতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন রেড ক্রিসেন্ট চট্টগ্রাম জেলা ইউনিটের চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোতাহার হোসেন।

একই সময়ে রেড ক্রিসেন্ট পতাকা উত্তোলন করেন জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আসিফ চৌধুরী। পতাকা উত্তোলন শেষে বর্ণিল ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও রেড ক্রিসেন্টের নিজস্ব সংগীত সহযোগে আন্দরকিল্লা চত্ত্বরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির ভাইস-চেয়ারপার্সন মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী।

ইউনিট লেভেল অফিসার মো. জিয়াউল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ইউনিট চেয়ারম্যান মো. মোতাহার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও ইউনিটের সাবেক সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।বক্তারা আর্তমানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্টের আন্দোলনকে আরও বেগবান করার শপথ নিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. মোতাহার হোসেন বলেন, মানবতার সেবায় রেড ক্রিসেন্ট সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। আর্তমানবতার সেবায় নিজেদের উৎসর্গ করাই এই দিবসের মূল চেতনা। চট্টগ্রাম জেলা ইউনিট ও জেমিসন হাসপাতাল সেই লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতেও যেকোনো দুর্যোগ ও সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকদের সদা প্রস্তুত থাকতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মোহাম্মদ আছিফ চৌধুরী বলেন, জেমিসন রেড ক্রিসেন্ট মাতৃসদন হাসপাতাল চট্টগ্রামে চিকিৎসাসেবায় আস্থার প্রতীক। রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট দিবসের এই চেতনা আমাদের সেবার মানকে আরও উন্নত করতে উৎসাহিত করে। যুব স্বেচ্ছাসেবকদের ত্যাগ ও পরিশ্রমই আমাদের এই আন্দোলনকে বেগবান রাখছে।

হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, হেনরি ডুনান্টের যে আদর্শ নিয়ে এই আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়েছিল, আমরা চট্টগ্রামে সেই আদর্শ বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করছি। এই আয়োজন আমাদের ভ্রাতৃত্ব ও সেবার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য রায়হানুল আনোয়ার রাহী, জাহাঙ্গীর আলম বাবর, ভারপ্রাপ্ত সিএমও ডা. মাহফুজা বেগম, প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশরাফ উদ্দৌলা সুজন, ডা. মিসবাহ উদ্দিন, চেয়ারম্যানের সহকারী একান্ত সচিব মুহাম্মদ রিয়াজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ মর্জিনা বেগম, প্রশিক্ষণার্থীসহ সাবেক যুব প্রধান ফয়সাল হোসেন। এছাড়াও হাসপাতালের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, যুব সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবকরা অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস)’র সাধারণ সভা ও আহ্বায়ক কমিটি গঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) এর সাধারণ সভার মধ্যে দিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে প্রকৌশলী মোঃ সোহরাব হোসেন আহ্বায়ক ও প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল ইসলামকে সদস্য সচিব করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি আজ ৫ মে, মঙ্গলবার বিকাল ৩.০০ টা থেকে সন্ধ্যা ৭ টা পর্যন্ত আগ্রাবাদস্থ বিদ্যুৎ ভবন চট্টগ্রাম কার্যালয়ে গঠিত হয়। উক্ত সাধারণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী মোঃ সিহাব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ সোরহাব হোসেন, প্রকৌশলী মোঃ সাজিদ, প্রকৌশলী মোঃ রায়হানুর রহমান রুহেল, প্রকৌশলী মোঃ সজীব উদ্দীন, প্রকৌশলী মোঃ ওলিউল ইসলাম, প্রকৌশলী মোঃ নূর ইসলাম, প্রকৌশলী আলাউদ্দীন সোহাগ, প্রকৌশলী মোঃ আনিছুর রহমান সহ অসংখ্য ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠিত সাধারণ সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন- ফ্যাসিস্ট হাসিনা আমলে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতিকে আওয়ামী লীগের লেজুড়বৃত্তি সংগঠনে পরিণত করেছিল ডিপ্লোমা প্রকৌশলী নামধারী কিছু চিহ্নিত সুবিধাভোগী।

১২ ফেব্রুয়ারি অবাধ সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনের সকল সেক্টরকে ফ্যাসিস্টমুক্ত-স্বতন্ত্র পেশাজীবী এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সবার আগে বাংলাদেশ গঠনে ডিপ্লোমা প্রকৌশলীনেতৃবৃন্দ ঐক্যবদ্ধ। সাধারণ ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের দাবি দাওয়া আদায়ে স্বতন্ত্র সংগঠন হিসেবে নতুন কমিটির নেতৃবৃন্দ সাধারণ প্রকৌশলীদের পাশে থাকতে সর্বদা বদ্ধপরিকর। নতুন কমিটি গঠনের মধ্যে দিয়ে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ডিপ্লোমা প্রকৌশলী সমিতি (ডিপ্রকৌস) ফ্যাসিস্ট মুক্ত হইল।

আলোচিত খবর

দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো ইস্টার্ন রিফাইনারি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: দীর্ঘ ২১ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে উৎপাদনে ফিরেছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)। শুক্রবার সকাল ৮ থেকে চট্টগ্রামের এই শোধনাগারটিতে পুনরায় পরিশোধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
ইআরএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) শরীফ হাসনাত বলেন, কুতুবদিয়ায় অবস্থানরত ক্রুড অয়েলবাহী জাহাজ থেকে লাইটারিংয়ের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল রিফাইনারিতে পৌঁছানো শুরু হয়েছে। এর পরপরই চালু করা হয় শোধনাগারটি।ইআরএল সূত্র জানায়, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর নতুন কোনো ক্রুড অয়েলের চালান দেশে পৌঁছায়নি। ফলে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় গত ১২ এপ্রিল রাতে ইস্টার্ন রিফাইনারির ক্রুড অয়েল ডিস্টিলেশন ইউনিট সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।

এর মধ্যে বুধবার দুপুরে এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের জাহাজটি কুতুবদিয়া চ্যানেলে এসে পৌঁছায়। যুদ্ধ শুরুর পর এটিই দেশে আসা প্রথম ক্রুড অয়েলের চালান। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে জাহাজটি বাংলাদেশে আসে। ২৪৯ দশমিক ৯৫ মিটার দীর্ঘ জাহাজটি কর্ণফুলী নদী হয়ে বন্দরের ডলফিন জেটিতে ভিড়তে না পারায় নিয়ম অনুযায়ী ছোট ছোট ট্যাংকারে তেল খালাস করে পতেঙ্গার ইআরএলে নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়াকে লাইটারিং বলা হয়।এদিকে হরমুজ প্রণালী কার্যত বন্ধ থাকায় ‘নর্ডিকস পলাক্স’ নামের আরেকটি জাহাজে থাকা বিপিসির এক লাখ টন অপরিশোধিত তেল সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়ে আছে।

রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান ইস্টার্ন রিফাইনারি বছরে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত জ্বালানি তেল পরিশোধন করে, যা দেশের মোট চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ পূরণ করে। দেশের বাকি জ্বালানি চাহিদার বড় অংশ আমদানিনির্ভর। বর্তমানে দেশে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এছাড়া ফার্নেস অয়েল, পেট্রোল, অকটেন, কেরোসিন ও জেট ফুয়েলেরও উল্লেখযোগ্য চাহিদা রয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) মোট ৬৮ লাখ ৩৫ হাজার ৩৪১ টন জ্বালানি তেল বিক্রি করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ