৬০তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনে যোগ দিতে জার্মানির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর যাত্রা।

ঢাকা অফিস:

জাতীয়:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৬০তম মিউনিখ সিকিউরিটি কনফারেন্স (এমএসসি) ২০২৪-এ যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে জার্মানির উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট (বিজি-২০৭) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
ফ্লাইটটি মিউনিখ সময় ১৭: ২০মিনিটে জার্মানির মুনচেন ফ্রাঞ্জ জোসেফ স্ট্রস বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। ১৬ থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারি মিউনিখে অবস্থানকালে শেখ হাসিনা নিরাপত্তা সম্মেলনের ফাঁকে জার্মানির চ্যান্সেলর এবং ডেনমার্ক ও নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রীদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন।
ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
১৬ ফেব্রুয়ারি সকালে উইমেন পলিটিক্যাল লিডারসের (ডব্লিউপিএল) সভাপতি সিলভানা কোচ-মেহরিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার আবাসভবনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। দুপুরে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র, কমনওয়েলথ ও উন্নয়নবিষয়ক সেক্রেটারি লর্ড ক্যামেরন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বাসভবনের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক কক্ষে সাক্ষাৎ করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি, প্রধানমন্ত্রী হোটেল বেয়েরিশার হফ-এ কিংডম অব নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর পর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর হোটেল বেয়েরিশার হফ-এ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
১৮ ফেব্রুয়াররি প্রধানমন্ত্রী মিউনিখ সময় ২১:১০টায় বিমান বাংলাদেশের একটি ফ্লাইট বিজি-২০৮-এ ঢাকার উদ্দেশে জার্মানির মুনচেন ফ্রাঞ্জ জোসেফ স্ট্রস বিমানবন্দর ত্যাগ করবেন। ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় (ঢাকা সময়) প্রধানমন্ত্রীর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ভারতীয় জাহাজে সৌদি হামলা, ১৪ ভারতীয়কে উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভারতীয় জাহাজে লোহিত সাগরের জুকার দ্বীপে একটি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। ওই জাহাজ থেকে ১৪ ভারতীয়কে উদ্ধার করার দাবি করেছে ইয়েমেনের হুথিরা। তারা জানায়, ওই নৌকাটি বাব এল-মান্দেব প্রণালির কাছে ছিল।বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) এমন দাবি করে হুথিদের সামরিক শাখার মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারে টেলিগ্রামে এক পোস্টে জানান, হুথিরা ভারতীয়দের উদ্ধার করেছে এবং এব্যাপারে পরবর্তীতে বিস্তারিত তথ্য জানাবে।

এছাড়া ভারতীয় জাহাজে সৌদির বিমান হামলার সমালোচনাও করেছেন ইয়াহিয়া। তিনি বলেন, সৌদির শত্রুদের এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ লোহিত সাগরে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলকে হুমকিতে ফেলছে। আন্তর্জাতিক মহলকে সৌদির শত্রুদের এ ধরনের দায়িত্বহীন কাজ থামাতে হবে।

আমিরাত মিলিপোল কাতার আন্তর্জাতিক সম্মেলন’এর ১৬তম সংস্করণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কাতারে শুরু হয়েছে ‘মিলিপোল কাতার ২০২৬’ (স্বদেশ নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বৈশ্বিক প্রদর্শনী) এবং ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নিরাপত্তা বিষয়ক দোহা আন্তর্জাতিক সম্মেলন’-এর ১৬তম সংস্করণ৷ কাতারের মহামান্য আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির সদয় পৃষ্ঠপোষকতায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী “লেখুইয়া”-এর কমান্ডার মহামান্য শেখ খলিফা বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি, ২০২৬ সালের ২০ থেকে ২২ অক্টোবর দোহা এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে (ডিইসিসি) অনুষ্ঠিত ‘মিলিপোল কাতার ২০২৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র, বিচার ও নিরাপত্তা মন্ত্রীসহ বিভিন্ন ভ্রাতৃপ্রতিম ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের পুলিশ প্রধান, কমান্ডার এবং কমিশনারগণসহ বিশিষ্ট অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও কাতারের ঊর্ধ্বতন সামরিক ও নিরাপত্তা কর্মকর্তা, বিশ্বজুড়ে বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও বিশেষায়িত ব্যক্তিবর্গ এবং স্বদেশ নিরাপত্তা ও সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞ শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। এই সংস্করণে ২৭০টিরও বেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রদর্শক অংশ নিয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর, মহামান্য শেখ খলিফা বিন হামাদ বিন খলিফা আল থানি, বিশিষ্ট অতিথিবর্গ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে প্রদর্শনী হল ও প্যাভিলিয়নগুলো পরিদর্শন করেন, যেখানে তিনি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষার সর্বশেষ সরঞ্জাম, প্রযুক্তি, পরিষেবা এবং উদ্ভাবনী ব্যবস্থাগুলো দেখেন। প্রদর্শিত নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলোর বৈশিষ্ট্য, উন্নত প্রযুক্তি এবং সমন্বয় ক্ষমতা, সেইসাথে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদার করা ও অপরাধ প্রতিরোধে সেগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে মহামান্যকে অবহিত করা হয়।

মিলিপোল কাতার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষতা বিনিময় এবং সর্বশেষ প্রযুক্তি ও সমাধান প্রদর্শনের জন্য একটি শীর্ষস্থানীয় আন্তর্জাতিক মঞ্চ হিসেবে কাজ করে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও নিরাপত্তা বিষয়ক দোহা আন্তর্জাতিক সম্মেলনটি নিরাপত্তা কার্যক্রমে এআই-এর প্রয়োগ অন্বেষণ এবং উদীয়মান চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলার জন্য একটি ফোরাম প্রদান করে, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করার ক্ষেত্রে কাতারের বিশিষ্ট ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ