সোনার বাংলা গড়তে শিশুদের গড়তে হবে: এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উন্নত চরিত্র এবং সুগঠিত বিকাশপ্রাপ্ত শিশুর সমš^য়ে একটি জাতি গড়ে তোলার মূল পন্থা আর তাই সোনার বাংলা গড়তে শিশুদের গড়তে হবে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম।

শুক্রবার বিকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে সৃজনশীল প্রকাশনা পরিষদ ও নাগরিক সমাজের সহযোগিতায় অমর একুশে বই মেলা মঞ্চে ‘শিশু উৎসবে’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, শিশুরাই জাতি গঠনের মূল ভিত্তি। একটি জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধির বীজ সুপ্ত অবস্থায় লুকায়িত থাকে শিশুর মধ্যেই। শিশু জন্ম নেওয়া মানে যে শুধু সেই শিশুটার মধ্যে প্রাণের সঞ্চার হয়েছে এমনটা কিন্তু নয়, বরং একটি জাতির উন্নতির সঞ্চার হয় সুষ্ঠু পরিবেশে বিকশিত হওয়া সেই শিশুর মাধ্যমে। ¯^াধীনতার পর সুখী, সমৃদ্ধ, সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সর্ব¶েত্রে সকল শিশুকে পূর্ণ মর্যাদাবান মানুষরূপে গড়ে তোলার ল¶্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন । পরিবার এবং শি¶া প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ¶েত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা র¶া করা একান্ত আবশ্যক। শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংর¶ণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্ম¶ম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ¶েত্রে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার যতœশীল ও সক্রিয়। শিশু এবং মাতৃমৃত্যুর হার হ্রাসে বাংলাদেশে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ও সাফল্য অর্জিত হয়েছে। শিশু মৃত্যুহার হ্রাসে সহস্রাব্দ ল¶্যমাত্রা অর্জনে বাংলাদেশের সাফল্যের জন্য জাতিসংঘ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করে।

এ টি এম পেয়ারুল ইসলাম দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম বেশ কিছু আসক্তিতে অবগাহণ করে আছে। যা তাদের মেধা ও মননকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। সৃষ্টিশীলতাকে বিনাশ করে তাদের অন্ধকার এক জগতে টেনে নিচ্ছে। সেই আসক্তি আর অন্ধকার থেকে তাদের ফিরিয়ে আনতে তিনি পরিবারসহ সমাজের সকলের প্রতি আহŸান জানান।

শিশু উৎসবের উদ্বোধক চট্টগ্রাম মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক শি¶া বোর্ডের চেয়ারম্যান (চলতি দায়িত্ব) ও সচিব প্রফেসর নারায়ন চন্দ্র নাথ বলেন, বই পড়লে জ্ঞানের অধিকারী হওয়া যায়। শিশুদের অধিক জ্ঞানী করতে পিতা, মাতা ও অভিভাবককে বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার আহŸান জানান তিনি।

‘শিশু উৎসবে’ শিশু সাহিত্যিক ও নাট্যজন অধ্যাপক সনজীব বড়ুয়ার সভাপতিত্বে ¯^াগত বক্তব্য রাখেন অমর একুশে বই মেলা কমিটির আহŸায়ক ড.নিছার উদ্দীন আহমেদ মঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি নাজিম উদ্দীন শ্যামল ও কাউন্সিলর আবুল হাসনাত মোঃ বেলাল। আলোচনা সভা শেষে সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুর ছন্দ সংগীত একাডেমি, চ্যানেল আই শিল্পী প্রিয়া ভৌমিক, বেতার ও টিভি শিল্পী জাহেদ হোসেন, নুসরাত জাহান রিনী, নিশা চক্রবর্তী। নৃত্য পরিবেশন করেন ঘুংঘুর নৃত্য কলা একাডেমি ও নৃত্যম একাডেমি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ। এতে নেতৃত্ব দেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সহ সম্পাদক ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুল আলম। মিছিলে মুখে মাস্ক পরিহিত ২০ থেকে ২৫ জনকে অংশ নিতে দেখা গেছে।বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্ট থেকে মিছিলটি বের হয়ে ১ নম্বর সড়কের দিকে চলে যায়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মাহিন জানান, নিষিদ্ধ দল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল করে ক্যাম্পাসের পরিবেশ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছেন।এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলছিলেন, আমরা এখনো কোনো তথ্য পাইনি। জানার চেষ্টা করছি।

জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


জুলাই আন্দোলন ছিল দীর্ঘদিনের জনগণের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এ আন্দোলনের মধ্য দিয়েই একটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাসুদ আলম বিপিএম। তিনি বলেন, এই আন্দোলন কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর নয়, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষের। তাই এর অর্জন রক্ষায় সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। এই ঐক্যে ফাটল ধরলে ক্ষতি হবে সবার।

বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জুলাই আন্দোলনে শহীদ চট্টগ্রামের ওয়াসিম আকবর, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও ওমর ফারুকসহ সব শহীদের স্মরণে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ। এর আগে, সকালে জুলাই বিপ্লবে সকল শহীদদের স্মরণে কুরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মাসুদ আলম বলেন, গত বছরের ১৬ জুলাইয়ের আগে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে কোটা সংস্কার আন্দোলন নতুন মাত্রা পায়। ওই বক্তব্যের পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনের স্লোগানও পরিবর্তিত হতে থাকে। ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদ ও চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকবর, ফয়সাল আহমেদ শান্ত ও ওমর ফারুক নিহত হওয়ার পর আন্দোলনের গতি আরও বেড়ে যায়।

পুলিশ সুপার বলেন, শুরুতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন হলেও ধীরে ধীরে বদলে যায় রাজনৈতিক পরিস্থিতি। ২৩ জুলাই পর্যন্ত আন্দোলন চললেও একপর্যায়ে তা সাময়িকভাবে থেমে যায়।


পরে আন্দোলন ঢাকার ডিবি কার্যালয়ের ‘ভাতের হোটেল’ পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সেখান থেকে ১ আগস্ট আবারও আন্দোলন রাজপথে ফিরে আসে। এরপর সারা দেশে আন্দোলনে ব্যাপক গতি-প্রকৃতিতেও পরিবর্তন আসে। তখন আন্দোলন আর শুধু কোটা ইস্যুতে সীমাবদ্ধ ছিল না, এটি এক দফার দাবির আন্দোলনে পরিণত হয়।

জুলাই আন্দোলনের চেতনা প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন, আন্দোলনের পর শিক্ষার্থীদের আঁকা দেয়ালচিত্র ও গ্রাফিতিতে নতুন প্রজন্মের ভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন দুটি গ্রাফিতির লেখা- ‘যদি তুমি ভয় পাও, তবে তুমি শেষ’ এবং ‘যদি রুখে দাঁড়াও, তুমি বাংলাদেশ’। এসব স্লোগান গবেষণার বিষয় হতে পারে।

প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের আত্মত্যাগ বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতা যে ঐক্য ও আত্মত্যাগের পরিচয় দিয়েছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি বলেন, শহীদদের স্মরণ করা শুধু দায়িত্ব নয়, তাঁদের স্বপ্ন বাস্তবায়নেও সবাইকে কাজ করতে হবে। জুলাইয়ের যে ঐক্য গড়ে উঠেছিল, তা রক্ষার দায়িত্ব সবার।

এসময় বক্তব্যে রাখেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (সিএমইউজে) ও টাইম অব বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রামের আবাসিক সম্পাদক সালে নোমান,

প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতি ডেইজি মওদুদ, যুগ্ম সম্পাদক ও বাসসের বিশেষ প্রতিনিধি মিয়া মো. আরিফ, অর্থ সম্পাদক ও এটিএন বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি আবুল হাসনাত, প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার ও কার্যকরী সদস্য আরিচ আহমেদ শাহ,

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক চট্টগ্রামের সমন্বয়ক আরিফ মঈনুদ্দিন ও সাবেক সমন্বয়ক রিদুয়ান সিদ্দিকী, কালের কণ্ঠ পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার ফারুক মনির, সকালবেলা পত্রিকার ব্যুরো প্রধান মোহাম্মদ আলী, বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার ইমরান এমি, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার স্টাফ রির্পোটার জোবাইর চৌধুরী এবং আমার দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ