আজঃ শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা

প্রেস রিলিজ

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট পরিচলিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমুহের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করলেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম। উত্তর কাট্টলী আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজসহ আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ও আলহাজ্ব হোছনে আরা মনজুর ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত কলেজ, মাদ্রাসা,উচ্চ বিদ্যালয় ও কেজি স্কুলসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। রাসমনি ঘাটস্থ শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ১৯ ফেব্রæয়ারী ২০২৪ খ্রি: সকালে অনুষ্ঠিত হয় বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতা। অলিম্পিক মশাল প্রজ্জলন, ছাত্র-ছাত্রীদের কুচকাওয়াজ, জাতীয় পতাকা ও অলম্পিক পতাকা উত্তোলন,বিভিন্ন ইভেন্টে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড অনুষ্ঠিত হয়। বেলুন উড়িয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতা শুভ উদ্বোধন করেন সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মনজুর আলম ও অত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচলনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব মোস্তফা হাকিম বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আলহাজ্ব মোহাম্মদ শাহীন আলম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন অত্র কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীর। শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক আবু ছগির। অধ্যাপক কাজী মাহবুবুর রহমান ও লায়লা নাজনিন রব এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে আরো বক্তব্য রাখেন সমাজসেবক নেছার আহম্মদ, সাবেক অধ্যক্ষ বাদশা আলম, উপাধ্যক্ষ মাহফুজুর রহমান চৌধুরী, অধ্যক্ষ সেলিম জাহাঙ্গীর, প্রধান শিক্ষক মৌসুমী দাশসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও মাদ্রাসার প্রধানগন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম বলেন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতিক চর্চার জন্যই আমরা ১০ কোটি টাকা ব্যয় করে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম প্রতিষ্ঠা করেছি। তিনি বলেন, আমরা আমাদের ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে একই ছাতার নিচে শিশু শ্রেণি থেকে অনার্স-মাষ্টার্স এবং কারিগরি শিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের মন-মানসিকতায় উৎকর্ষ সাধন, শরীরচর্চা ও সুশিক্ষা অর্জনের সকল পথ খুলে দিয়েছি। আমরা চাই সুশিক্ষিত নাগরিক এবং দেশগড়ার কারিগর গড়ে উঠুক। তিনি বলেন, শিক্ষা, সহশিক্ষা, নৈতিক শিক্ষার সব ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছে মোস্তফা হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। সাবেক মেয়র বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠিত শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম সকল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। পরে মেয়র বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় বিজয়ীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তরুণ বিজ্ঞানীদের সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সায়েন্স অলিম্পিয়াড ২০২৬ (সিজন–১) উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ. এইচ. এম. ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা তরুণ প্রজন্মকে উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান এস. এম. খালিদ হোসেন। প্রধান বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সরকারি সাদাত কলেজ, করটিয়া, টাঙ্গাইলের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর শাহজাহান আলী।

বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কালিয়াকৈর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ ইফতেখারুল ইসলাম, শাহজাহান আলী কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. শহিদুর রহমান এবং আব্দুল মান্নান ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ শাহ আলম।
অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সরোয়ার হোসেন আকুল, যিনি সায়েন্স অলিম্পিয়াড প্রোগ্রামের আহ্বায়ক ও পূর্ববচন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব (পিএসসি)-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক।পূর্ববচন্দ্র স্পোর্টিং ক্লাব (পিএসসি) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন

চট্টগ্রামে মানবিক ডিসির সহায়তায় এগিয়ে গেল দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীর শিক্ষার পথ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নওগাঁ জেলার রানীনগর উপজেলার খটেশ্বর গ্রামের রিকশাচালক আমজাদ ফকির ও গৃহকর্মী ছামেনা বেগম দম্পত্তির কন্যা মাফিয়া খাতুন। জন্ম থেকেই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী হলেও তার স্বপ্ন দেখার চোখ কখনো অন্ধ হয়নি। চরম প্রতিকূলতার মাঝেও মাফিয়া খাতুন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগ থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি মাস্টার্সে ভর্তিও অপেক্ষায়। কিন্তু অর্থাভাবে সেই স্বপ্ন আজ থমকে যাওয়ার মুখে। মাফিয়ার বাবা আমজাদ ফকির রিকশা চালিয়ে আর মা ছামেনা বেগম বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানোর চেষ্টা করতেন। ২০২০ সালে আমজাদের মৃত্যুর পর পরিবারটির জীবনসংগ্রাম আরও কঠিন হয়ে ওঠে। একা ছামেনার পক্ষে চার সন্তানের ভরণপোষণই হয়ে পড়ে প্রায় অসম্ভব। সেখানে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন ছিল কল্পনাতীত। মাফিয়ার সংগ্রাম শুধু তার একার নয়। তার আরেক ভাই মোহাম্মদ আশিকও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। আশিক বর্তমানে সিরাজগঞ্জের একটি কলেজে এইচএসসি পর্যায়ে পড়াশোনা করছে বলে জানিয়েছে পরিবার। সীমাহীন দারিদ্র্যের মাঝেও দুই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী সন্তানের শিক্ষার স্বপ্ন আঁকড়ে ধরে রেখেছেন মা ছামেনা বেগম। তবে একার আয়ে সেই স্বপ্ন টিকিয়ে রাখা দিন দিন আরও কঠিন হয়ে পড়ছে।

তবু থেমে যাননি মাফিয়া। মানুষের কাছে ধার-দেনা করে কোনোভাবে পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন তিনি। কিন্তু মাস্টার্সে ভর্তির ফি ও আনুষাঙ্গিক শিক্ষা ব্যয় জোগাড় করা তার পক্ষে আর সম্ভব হয়ে উঠছিল না। কেবল অর্থাভাবে একজন মেধাবী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
এমন পরিস্থিতিতে মাফিয়া বৃহস্পতিবার হাজির হন সারাদেশে ‘মানবিক ডিসি’ হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞার কার্যালয়ে। সেখানে নিজের জীবনের করুণ বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

মাফিয়ার কাহিনি শুনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন,‘একজন মেধাবী শিক্ষার্থী, তাও আবার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন—টাকার অভাবে মাস্টার্স শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে না, এটা জেলা প্রশাসক হিসেবে মেনে নেওয়া কষ্টকর।’
নির্বাচনী কাজে চরম ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি মাফিয়াকে কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান। সরকারি নানা সীমাবদ্ধতার মাঝেও তার পাশে দাঁড়ান, যেন সে বুঝতে পারে-রাষ্ট্রঅসহায় মানুষের পাশেই থাকে।

মাফিয়া খাতুন জানান, তিনি বরিশালের এ.আর.এস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজতত্ত্ব বিভাগে। বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামসুন্নাহার হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।
জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা পাওয়ার পর এই প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মাফিয়া। তিনি বলেন, ‘এত ব্যস্ততার মাঝেও ডিসি স্যার আমাকে সময় দিয়েছেন। উনি মানবিক না হলে নিশ্চয়ই আমার মতো মানুষের পাশে দাঁড়াতেন না।’

আলোচিত খবর

র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতিসংঘের পাশাপাশি বিভিন্ন মানবাধিবকার সংগঠন বহুদিন ধরে পুলিশের বিশেষ বাহিনী র‌্যাব বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়ে এলেও তার বদলে নাম বদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ান বা র‌্যাবের নতুন নাম হবে স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স বা এসআইএফ।

মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা–সংক্রান্ত কোর কমিটির সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন-ইতোমধ্যে এ ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন দিয়েছেন। শিগগিরই একটি সরকারি আদেশ জারি হবে।নামের সঙ্গে পোশাকেও পরিবর্তন আসছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন-ইতোমধ্যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এসআইএফ সদস্যদের নতুন পোশাকে দেখতে পাবেন।বিএনপি নেতৃত্বাধীন চার দলীয় জোট সরকারের সময়ে জঙ্গিবাদের উত্থান ও আইনশৃঙ্খলার ক্রমাগত অবনতির মধ্যে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমান বাহিনী, আনসার ও ভিডিপি, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড সদস্যদের নিয়ে র‌্যাব গঠিত হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ