আজঃ রবিবার ২১ জুন, ২০২৬

শিক্ষার মানোন্নয়নে বোয়ালখালীর সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও অভিভাবকদের কর্মশালায় বক্তব্য রাখছেন আবদুচ ছালাম এমপি

শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত হলে সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহি করতে হবে

ডেস্ক নিউজ:

শিক্ষার মানোন্নয়নে বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের কর্মশালায় আবদুচ ছালাম এমপি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা পরিষদ হল শিক্ষার চার স্তম্ভ। স্তম্ভ শক্তিশালী হলে যেমন ভবন মজবুত ও নিরাপদ হয়, তেমনি শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও পরিচালনা কমিটি দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করলে শিক্ষার মান অবশ্যই উন্নত হবে।
আজ শনিবার বোয়ালখালী উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপার, পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের নিয়ে কর্মশালায় চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ আবদুচ ছালাম এ মন্তব্য করেন।
তিনি আরো বলেন, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরীর মাধ্যমে দেশের শিক্ষার মানোন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে নন্দিত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বিনামূল্যে বই প্রদান, উপবৃত্তি প্রদান, পর্যাপ্ত ভবন নির্মান করে দিয়ে শিক্ষার হার যেমন বাড়াতে সক্ষম হয়েছেন, তেমনি শিক্ষার মাস উন্নয়নে শিক্ষকদের জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ, বেতন-ভাতাদি বর্ধিতকরণ, শিক্ষায়নে মাল্টিমিডিয়া ল্যাব স্থাপনসহ নানামূখী সুবিধার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এত সুবিধাদির ব্যবস্থার পরও যদি আমাদের শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় উন্নতি করতে না পারে তা হবে আমরা শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটির ব্যর্থতা। একজন অভিভাবকের সচেতনতা ও সিদ্ধান্ত একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের গতিপথ বদলে দিতে পারে, যার প্রত্যক্ষ প্রমান আমি নিজে। আমার মা যদি স্থির সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানোর চাপ না দিতেন, তবে হয়তো বাবা ও অন্যদের সিদ্ধান্তে আমি একজন মেকানিক হতাম। সফল ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সিডিএ চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য আবদুচ ছালাম আমি হতে পারতাম না। আমরা সকলে সচেতন হলে, নিষ্ঠাবান হলে, দক্ষতার সাথে কাজ করলে শিক্ষার্থীরা পড়াশুনায় অবশ্যই মনযোগী হবে। শিক্ষার মানের ব্যাপারে আমার বক্তব্য পরিস্কার। আমাদের যে কোন পক্ষের গাফিলতির কারণে যদি বোয়ালখালীর শিক্ষার পরিবেশ বিঘিœত হয়, শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ে, তবে সংশ্লিষ্টদের জবাদিহির আওতায় আনা হবে। সভায় দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন দক্ষিন জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রদূত এস, এম, আবুল কালাম।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেন সজীবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রেজাউল করিম (রাজা), ভাইস চেয়ারম্যান এস, এম, সেলিম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামিম আরা বেগম, বোয়ালখালী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সালমা ইসলাম, স্যার আশুতোষ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ পার্থপ্রতিম ধর, সিরাজুল ইসলাম ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহসীন উদ্দিন, ৫নং সারোয়ালী ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, আমুচিয়া ইউপি চেয়ারম্যান কাজল দে, শাকপুরা ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মান্নানসহ উপজেলার সকল স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার প্রধানগণ, পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মন্ডলী ও অভিভাবক সদস্যবৃন্দ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শারীরিক প্রতিবন্ধী দম্পতির মার্কেটসহ বাড়ি দখলের অভিযোগ উঠেছে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন ও ছোট জামাই সোহেলের বিরুদ্ধে। সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন বড় জামাই এ.কে আজাদ। আজ শনিবার (২০ জুন) সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের হুজরাপুরে অবস্থিত চাঁপাই প্রেসক্লাবে হল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলে ধরেন তিন।

লিখিত বক্তব্য এ. কে আজাদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের মহিপুরে অবস্থিত মার্কেটসহ বাড়ি দখলের বিরোধের জেরে আদালতে মামলা দায়ের করা হলে উক্ত আর.এস দাগ নং ১১৪৯ জমির উপরে আদালত ১৪৪ ধারা জারি করেন। এর পরেও মোশাররফ হোসেন ও তার ছোট জামাই সোহেল রানা আদালতের আইন অমান্য করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে গত ১ বছর ধরে তার নামে থাকা একটি মার্কেটসহ বাড়ী জোর পূর্বক দখল করে নেন। সে সঙ্গে বাড়ি ও মার্কেটের প্রতিমাসে ৩০ হাজার টাকা শশুর এবং তার ছোট জামাই উত্তোলন করে আসছেন। মার্কেটসহ বাড়ির বর্তমান মালিক এ.কে আজাদ দখল ছাড়তে বললে বিভিন্ন প্রকার হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে এমন অভিযোগ করেন তিনি।

উক্ত ঘটনার বিষয়ে জানতে অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মোশারফ হোসেনের মুঠোফোনে ঘটনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান, তার বিরুদ্ধে আনিত সব অভিযোগ সম্পন্ন মিথ্যা।

বিএসএফের টাকার টোপে সীমান্তের দরিদ্ররা সহযোগিতা করছেন পুশ-ইনে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সীমান্তজুড়ে পুশ-ইন ইস্যু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অভিযোগ উঠেছে, বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলা দিয়ে নারী-পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে কড়া নজরদারির কারণে অনেক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও এ কাজে সীমান্ত এলাকার কিছু দরিদ্র মানুষকে অর্থের প্রলোভনে ব্যবহার করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্তে গিয়ে জানা গেছে, সীমান্তঘেঁষা নদীপথগুলো এখন নতুন কৌশলের অংশ হয়ে উঠেছে। আগে যেসব এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া কিংবা স্থলপথে কড়াকড়ি ছিল, এখন সেখানে নদীপথকে ব্যবহার করে রাতের অন্ধকার কিংবা ভোরের সময় পুশ-ইনের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন একাধিক ঘটনার তথ্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছেও এসেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী দরিদ্র কিছু বাংলাদেশিকে টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এসব কাজে ব্যবহার করছে বিএসএফ।

সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন কার্যক্রমে কিছু বাংলাদেশি নাগরিকের সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী- একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিএসএফের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে এসব পুশইনে সহায়তা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযোগ রয়েছে, সীমান্তের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, বিজিবির টহলের সময় ও অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ, এমনকি সুবিধাজনক রুট দেখিয়ে দেওয়ার মতো কাজেও কিছু লোককে ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে একজনকে পুশ-ইন করতে পারলে দেওয়া হচ্ছে ১০ হাজার টাকা। এতে সীমান্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে পুশ-ইনের চেষ্টা আরও সংগঠিতভাবে চালানো হচ্ছে।

তবে সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশইনের চেষ্টা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না এবং যেকোনো পুশ-ইনের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ