চবি কর্মচারী ইউনিয়নের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি কর্মচারী ইউনিয়নের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। ২৯ ফেব্রæয়ারি ২০২৪ চবি কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয় কর্মচারী ইউনিয়নের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৪ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিন সকাল ১০ টায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন-ফেস্টুন উড়িয়ে উক্ত প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন চবি কেন্দ্রীয় বার্ষিক ক্রীড়া উপদেষ্টা কমিটির সভাপতি ও চবি মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর বেনু কুমার দে। চবি কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মোহাম্মদ আলী হোছাইনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চবি শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক (দায়িত্বপ্রাপ্ত) মোঃ হাবিবুর রহমান জালাল ও কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাজিম উদ্দিন।
মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) তাঁর বক্তব্যে কর্মচারী ইউনিয়নের সদস্যবৃন্দসহ উপস্থিত সকলকে শুভেচ্ছা ও স¦াগত জানান। তিনি বলেন, এ বিশ^বিদ্যালয় পরিচালনায় কর্মচারীদের সম্পৃক্ততা অন¯^ীকার্য। কাজে-কর্মে একাগ্রতা সৃষ্টি ও কর্মস্পৃহা বাড়ানোর জন্য খেলাধুলা ও শরীরচর্চার বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। ক্রীড়া ও শরীরচর্চা শারীরিক ও মানসিক ¯^াস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। এছাড়াও প্রতিবছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ^বিদ্যালয়ের কর্মচারীদের সুস্থ দেহ ও সুন্দর মন তৈরীর পাশাপাশি পারস্পরিক হৃদ্যতা ও ভ্রাতৃতবোধ জাগ্রত হয়। মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বহুমুখী দক্ষতাসম্পন্ন কর্মী হিসেবে সুস্থ ও সুন্দর মন নিয়ে কাজে মনোযোগী হয়ে এ বিশ^বিদ্যালয় তথা দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে নিজেকে সম্পৃক্ত করার আহবান জানান। তিনি কর্মচারী ইউনিয়নের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের সুর ও মুর্চ্ছনায় মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) জাতীয় পতাকা, চবি রেজিস্ট্রার বিশ^বিদ্যালয় পতাকা, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি ইউনিয়নের পতাকা এবং শারীরিক শিক্ষা বিভাগের পরিচালক অলিম্পিক পতাকা উত্তোলন করেন। চবি কর্মচারী ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূরুল হুদার নেতৃত্বে ক্রীড়াবিদগণ মার্চপাস্টে অংশগ্রহণ করেন। মশাল হাতে মাঠ প্রদক্ষিণ করেন চবি কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সদস্য মাইনুল ইসলাম বাবু। মাননীয় উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) বিচারকদের পক্ষে চবি ডেপুটি রেজিস্ট্রার (৩য় শ্রেণী সেল) সৈয়দ মনোয়ার আলীকে এবং ক্রীড়াবিদদের পক্ষে কর্মচারী ইউনিয়নের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক নূরুল হুদাকে শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াত করেন চবি কর্মচারী ইউনিয়নের কোষাধ্যক্ষ মোঃ আবদুল ওহাব। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন চবি ডেপুটি রেজিস্ট্রার (তথ্য) মোহাম্মদ হোসেন।
অনুষ্ঠানে চবি বিভিন্ন অফিস প্রধানবৃন্দ, অফিসার সমিতি, কর্মচারী সমিতি, কর্মচারী ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ সদস্যবৃন্দ, সুধীবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাঙামাটি-খাগড়াছড়ির সঙ্গে বন্ধ যান চলাচল,সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক উজোবাজারে (গঙ্গারাম বাজার) আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী ও অবরোধকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনার জেরে রাঙামাটিতে চলছে আধাবেলা অবরোধ। ছাত্র-জনতার সংগ্রাম পরিষদ নামের একটি সংগঠনের ডাকে সকাল থেকে এ অবরোধ শুরু হয়, যা দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে।শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ি সড়কের কুতুকছড়ি এলাকায় গিয়ে যায়, সাপছড়ি খামারপাড়া ও কুতুকছড়ি ধর্মঘর এলাকায় সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে অবরোধকারীরা পিকেটিং করছে। এছাড়া কুতুকছড়ি হাফবাজার থেকে ধর্মঘর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

নাটোরে বড়াইগ্রামে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নাটোরের বড়াইগ্রামে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বিকেল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার থানার মোড় এলাকায় বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জাহেদুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে; চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করে শান্তিপূর্ণ ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রাম নগরের জেএম সেন হলে শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করে অংশ নেননি। সবার লক্ষ্য ছিল দেশকে স্বাধীন করা, গণতন্ত্র রক্ষা করা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।তিনি বলেন, আমরা মুসলমান হই, হিন্দু হই, বৌদ্ধ হই কিংবা খ্রিস্টান হই, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নাগরিক।

যে ধর্মেরই হই না কেন, যেহেতু এই দেশে আমরা জন্মেছি, এই দেশে বড় হচ্ছি, তাই আমাদের পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সালে লাখ লাখ মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন।

অনেকে শহীদ হয়েছেন। সেদিন কেউ দেখেননি কে মুসলমান, কে হিন্দু, কে বৌদ্ধ কিংবা কে খ্রিস্টান। সবাই দেশকে স্বাধীন করার লক্ষ্য নিয়ে লড়াই করেছেন। একইভাবে বিভিন্ন সময়ে গণতন্ত্র রক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে রাজপথে নেমেছেন।

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ওই সময় স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ মানুষ রাজপথে নেমে এসেছিলেন। নারী-পুরুষ, শিশু, তরুণসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ আন্দোলনে অংশ নেন। গুলিবিদ্ধ কিংবা আহত ব্যক্তির ধর্মীয় পরিচয় জানতে চেয়ে কেউ তাঁদের পাশে দাঁড়াননি। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে। বাকিরা তাঁদের ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। কেউ জিজ্ঞেস করেননি, কী তাঁর ধর্ম পরিচয়। এসব ঘটনা প্রমাণ করে, মানুষের অধিকার ও মানবিকতার প্রশ্নে ধর্মীয় পরিচয় মুখ্য নয়।প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংখ্যাগরিষ্ঠ কিংবা সংখ্যালঘু পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বিচার করা উচিত নয়।

তিনি নিজেকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তাঁকে দীর্ঘদিন বিদেশে থাকতে হয়েছে। বাংলাদেশে তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মের অনুসারী হলেও লন্ডনে অবস্থানের সময় সেই পরিচয় তাঁকে সংখ্যাগরিষ্ঠ করেনি। তাই সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু পরিচয় নয়, একজন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিক কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।

তারেক রহমান বলেন, দেশের আইন সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। রাষ্ট্রের ওপর প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে। রাষ্ট্র একজন নাগরিককে যে অধিকার ও সুযোগ দেবে, অন্য নাগরিকও তা পাবেন। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারও অধিকার খর্ব করা যাবে না।

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন এবং জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব আন্দোলনে যাঁরা জীবন দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যাশা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যেখানে সবাই শান্তিতে বসবাস করবেন এবং মিলেমিশে থাকবেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে যদি সেই বাংলাদেশ গড়তে হয়, আপনাদের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আপনাদের সকলের সহযোগিতা চাই। আপনি হিন্দু হোন, মুসলমান হোন, বৌদ্ধ হোন কিংবা খ্রিস্টান হোন, যাই হোন না কেন, আপনার সহযোগিতা আমার দরকার। কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীমসহ বিভিন্ন সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য ও নেতারা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ