আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

চবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে যোগদান করলেন প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবি’র প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে যোগদান করলেন প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী
মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর এঁর অনুমোদনক্রমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন ১৯৭৩ এর ১৪(১) ধারা অনুসারে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরীকে ৪ (চার) বছরের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী ৬ মার্চ ২০২৪ বুধবার অপরাহ্নে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) হিসেবে যোগদান করেছেন। নবনিযুক্ত মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নিয়ে চবি বঙ্গবন্ধু চত্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. আবু ইউসুফ এর কবর জিয়ারত এবং পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
চট্টগ্রাম বিশ^বিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার চবি নবনিযুক্ত মাননীয় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরীকে উপাচার্যের অফিস কক্ষে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ-ডি ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ থেকে ১ম শ্রেণিতে ১ম স্থান অর্জন করে এম.এ. ডিগ্রী, এবং ১৯৮২ সালে একই বিভাগ থেকে বি.এ. (অনার্স) ডিগ্রী লাভ করেন। এ মেধাবী শিক্ষক কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১৯৭৮ সালে এইচএসসি এবং ১৯৭৬ সালে এসএসসি পাস করেন। তিনি ১৯৮৭ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন এবং ২০০৪ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এ কৃতি শিক্ষক-গবেষকের ৪টি গ্রন্থ, ২টি উল্লেখযোগ্য গবেষণা কর্ম, ৫টি এম. ফিল. ও পিএইচ.ডি. গবেষণাকর্মের সুপারভাইজার, ৩টি গবেষণাপত্র (ইংরেজি), ৮টি গবেষণা পত্র (বাংলা), ৬৩টি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত প্রবন্ধ ও নিবন্ধ রয়েছে। তাঁর ৩৭ বছরের শিক্ষকতা জীবনে অধ্যাপনা ও প্রশাসনিক দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে- দুই মেয়াদে (২০১৪-২০১৬ ও ২০১৭-২০১৯) চবি কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন, ২০১৫ সাল থেকে চবি সিনেট সদস্য (চলমান), ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির সিন্ডিকেট সদস্য, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সভাপতি (২০০১-২০০৪), চবি ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন এন্ড রিসার্চ এর প্রতিষ্ঠাকালীন পরিচালক (২০১২-২০১৫), চবি বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি (২০১৭-২০২২), চবি শিক্ষক সমিতির দুই মেয়াদে (২০১০-২০১১ ও ২০১৩-২০১৪) নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক, চবি চাকসু কেন্দ্রের পরিচালক, চবি ক্লাব (শহর) এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক (২০০৯-২০১৬), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য বিদেশে ছুটিতে থাকায় (১৩ মার্চ ২০১৮ উপাচার্যের এবং ০৮ থেকে ১৩ মার্চ ২০১৮ উপ-উপাচার্যের রুটিন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সদস্য (২০২১ থেকে চলমান), চবি একাডেমিক কাউন্সিল কর্তৃক মনোনীত ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজে পরিচালনা পর্ষদ সদস্য (২০১৪-২০১৭) এবং (২০১৮-২০২১) এর দায়িত্ব পালন ।প্রফেসর ড. মোঃ সেকান্দর চৌধুরী ১২ মার্চ ১৯৬১ সালে চট্টগ্রাম জেলার রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বেতাগী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মরহুম বাচা মিয়া চৌধুরী ও মাতা মরহুমা নূরজাহান বেগম চৌধুরী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ