মুক্তিযুদ্ধের গোপন প্রস্তুতি শুরু হয় ৬২ সালে: মেয়র রেজাউল

ডেস্ক নিউজ:

চসিক কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ উপলক্ষে আলোচনা সভা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬২ সালেই। গুপ্ত ছাত্র সংগঠন নিউক্লিয়াস গঠন করে মুক্তিযুদ্ধের গোপন প্রস্তুতি শুরু করেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মো রেজাউল করিম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার টাইগারপাসস্থ চসিক কার্যালয়ে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ উপলক্ষে আলোচনা সভা অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, যদিও মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালে সংগঠিত হয়, তবে ১৯৬২ সাল থেকেই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশনায় তৎকালীন প্রগতিশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের কর্মীরা বিশেষ করে ছাত্রলীগ কর্মীরা নিউক্লিয়াস নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়ার জন্য গোপনে সশস্ত্র সংগ্রামের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে থাকেন।
“আমি নিউক্লিয়াসের সদস্য হিসেবে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের নেতা থাকাকালে রাজনৈতিক সহকর্মীদের নিয়ে চট্টগ্রামে গোপনে সংগঠিত হতে থাকি। মাও সে তুং, চে গুয়েভারার লিখনি আমাদের গেরিলা যুদ্ধে উজ্জীবিত করে। বঙ্গবন্ধুসহ এ সংগঠনের কর্মীরা ছিলেন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথার। সাত মার্চের ভাষণ বিশ্লেষণ করলে দেখবেন কী সুকৌশলে বঙ্গবন্ধু সবাইকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হওয়ার নির্দেশ দিলেন। মানুষ বুঝল যুদ্ধ অবশ্যম্ভাবী অথচ পাকিস্তানি হানাদাররা পুরো বক্তব্যে এমন কোন কিছু বের করতে পারলনা যা দিয়ে আমাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করতে পারে।
মুক্তিযুদ্ধে নিউক্লিয়াসের ভূমিকা স্মরণ করে রণাঙ্গনের এ যোদ্ধা বলেন, জয় বাংলা ¯েøাগানকে মানুষের কাছে জনপ্রিয় করেছে নিউক্লিয়াস। বাঙালি জাতীয়তাবাদের মাধ্যমে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করতে সেসময় নিউক্লিয়াসের ¯েøাগান ছিল ‘জাগো জাগো বাঙালি জাগো’, ‘বীর বাঙালি অস্ত্র ধরো, বাংলাদেশ ¯^াধীন করো’, ‘তোমার আমার ঠিকানা পদ্মা, মেঘনা, যমুনা’। এসময় আমাদের কার্যক্রম চলতো একদম গোপনে।
“যারা রাজনৈতিক সচেতন তারা সাতই মার্চের ভাষণেই ¯^াধীনতা আন্দোলনের ইঙ্গিত পান, যা চূড়ান্ত রূপ পায় ২৬ মার্চ। সাতই মার্চের ভাষণ শুনলেই যে কেউ বুঝতে পারবে বাংলাদেশের ¯^াধীনতার ঘোষক নি:সন্দেহে বঙ্গবন্ধু। এরপরও যারা বঙ্গবন্ধুর বিরোধীতা করে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধিতা করে তারা কুলাঙ্গার৷ নিউক্লিয়াসের ইতিহাস আজ যেন ঢাকা পড়ে গেছে, অথচ বাংলাদেশের ¯^াধীনতার ভিত্তিভূমি রচনায় নিউক্লিয়াস অন¯^ীকার্য ভূমিকা রেখেছে।”
সভাপতির বক্তব্যে চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, সাতই মার্চের ভাষণ আমাদের মুক্তির মহাকাব্য। বাঙালির ¯^াধীন রাষ্ট্রগঠনের আকাক্সখার অভিব্যক্তি সাতই মার্চের ভাষণ। বঙ্গবন্ধু যে ¯^াধীন দেশ আমাদের উপহার দিয়েছেন তা রক্ষা ও উন্নয়নের করতে দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
বর্ণিল আয়োজনে ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন শুরু হয় বাটালি হিলস্থ নগর ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে।
মেয়রের সাথে পুস্পস্তবক অর্পণের পর মেয়রের একান্ত সচিব মোহাম্মদ আবুল হাশেমের সঞ্চালনায় সভায় অংশ নেন প্যানেল মেয়র আফরোজা কালাম, কাউন্সিলর শৈবাল দাস সুমন, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, নুরুল আমিন, আবদুস সালাম মাসুম, নূর মোস্তফা টিনু, চসিকের বিভাগীয় ও শাখা প্রধানবৃন্দ কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সিবিএ নেতৃবৃন্দ।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে মুক্তিযুদ্ধ পূর্ববর্তী নিউক্লিয়াসের কার্যক্রম পরিচালনার অন্যতম নেতা ছিলেন মেয়র রেজাউল। ছাত্রনেতা হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রমের কারণে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর চক্ষুশূলে পরিণত হন মেয়র রেজাউল ও তার রাজনৈতিক সহযোদ্ধারা।
সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নিজ¯^ রাজনীতির ধারার তিনজন ছাত্রনেতা ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে গোপন সংগঠন ‘¯^াধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন। তিন সদস্যের এই ক্ষুদ্র সত্তা পরবর্তীতে ¯^াধীন বাংলাদেশের ‘নিউক্লিয়াস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। নিউক্লিয়াসের তিনজন সদস্য ছিলেন সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক ও কাজী আরেফ আহমেদ। নিউক্লিয়াসের কাজ ছিল, বাংলাদেশের ¯^াধীনতা সংগ্রামের লক্ষ্যে যাবতীয় নীতি-কৌশল প্রণয়ন করা এবং ¯^াধিকার আন্দোলনকে সশস্ত্র ¯^াধীনতা যুদ্ধের দিকে নিয়ে যাওয়া। ¯^াধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের সর্বময় কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা ছিল এই তিন ছাত্রনেতার কাছে। দেশের ছাত্র আন্দোলনের প্রতিটি কর্মসূচি বিশেষত শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত ছয় দফা, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফার আন্দোলনসহ প্রতিটি আন্দোলনকে গণরূপদানের মাধ্যমে ¯^াধীনতার পক্ষে জনমত গড়ে তোলা। একইসাথে জাতিকে ¯^াধীনতার জন্য প্রস্তুত করা ছিল নিউক্লিয়াসের অন্যতম কাজ। মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে ¯^াধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরি, ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পতাকা উত্তোলন, ৩ মার্চ ¯^াধীনতার ইশতেহার পাঠ, জাতীয় সঙ্গীত নির্বাচন, জয়বাংলা বাহিনী গঠন এবং তার কুচকাওয়াজ ও শেখ মুজিবুর রহমানকে সামরিক অভিবাদন জানানো, সবই ছিল ¯^াধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ। বিপ্লবী পরিষদের সকল কর্মকান্ডের প্রতি শেখ মুজিবুর রহমানের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সমর্থন ছিল। শরীফ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে বাষট্টি সালে গড়ে ওঠা ছাত্র আন্দোলন, শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত বাঙালির মুক্তির সনদ ছেষট্টির ছয় দফার আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, সত্তরের সাধারণ নির্বাচন, ৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষন, শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান, নিউক্লিয়াস’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ¯^াধীন বাংলাদেশের পতাকা তৈরি, আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা উত্তোলন, ¯^াধীনতার ইশতেহার পাঠ সর্বোপরি বাঙালির ¯^াধীনতা যুদ্ধসহ এ সকল কর্মকান্ডই ছিলো ‘নিউক্লিয়াস’ বা ‘¯^াধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার অংশ। আর এ সকল কর্মসূচির পরিকল্পনা প্রণীত হতো নিউক্লিয়াসের মাধ্যমে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে প্রতিমন্ত্রী, বৃক্ষ রেপন ও স্টেশনের কার্যক্রম পরিদর্শন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেল ও সড়ক পথের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব হাবিবুর রশিদ হাবিব আকস্মিক সফরে কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন এবং স্টেশন এলাকার সার্বিক কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
স্টেশনে পৌঁছালে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী রেলওয়ে শ্রমিক ও কর্মচারী দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. মমিনুল ইসলাম মামুন মাননীয় প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব লুৎফুর রহমান কাজল, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক (পূর্ব), প্রধান প্রকৌশলী (পূর্ব) এবং রেলওয়ের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।সফরকালে প্রতিমন্ত্রী কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশনের পরিবেশ, অবকাঠামো এবং চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এ সময় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বারোপ করা হয়।

এস আলমের ১১ কারখানা বন্ধ ঘোষণা,

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এস আলমের ১১টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সবগুলো কারখানা চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় রয়েছে। ধাপে ধাপে কারখানা গুলোর নোটিশ বোর্ডে বন্ধ সংক্রান্ত নোটিশ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ ১ আগস্ট থেকে কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানানো হয়েছে। বন্ধ হওয়া ৬ হাজার শ্রমিক কর্মচারীকে পর্যায়ক্রমে তাদের পাওনা বুঝে দেওয়া হবে বলেও জানানো হয়।গত বছরের আগস্টে কোম্পানির স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ এবং ব্যাংক হিসাবের ওপর বিধিনিষেধ আরোপের পর থেকেই কারখানাগুলো নানামুখী সংকটে পড়ে যায়।

বন্ধ হওয়া কারখানার মধ্যে রয়েছে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম সিমেন্ট, এস আলম অয়েল, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল, এস আলম ব্যাগ ফ্যাক্টরি, একটি ফিড মিলসহ আরও কয়েকটি শিল্প ইউনিট।কারখানাগুলোর অধিকাংশই চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী শিল্প এলাকায় অবস্থিত
বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর অধিকাংশই চট্টগ্রামের আনোয়ারা ও কর্ণফুলী শিল্প এলাকায় অবস্থিত।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ