মেয়রের দায়িত্বগ্রহণের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে

চসিকের বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও করমেলা

নিজস্ব সংবাদদাতা:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেয়রের দায়িত্বগ্রহণের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে
চসিকের বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও করমেলা
চট্টগ্রাম সিটি মেয়র ও ষষ্ঠ নির্বাচিত পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণের তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প ও করমেলার উদ্বোধন করেছেন মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার নগরীর লালদিঘিস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ভবনের নীচতলায় ৮টি বুথে বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প এবং লালদিঘি মাঠে করমেলার আয়োজন করা হয়।
আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর চট্টগ্রামবাসীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে চসিকের স্বাস্ব্য বিভাগকে ঢেলে সাজাতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছি। মেমন মাতৃসদন হাসপাতালকে একটি আধুনিক ও উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য অবকাঠামোগত ও অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পাদন করেছি।
“কদমতলীতে রেড ক্রিসেন্টের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন-রেড ক্রিসেন্ট ফিজিও অর্থোপেডিক পুণর্বাসন সেবা কেন্দ্র স্থাপন করেছি যাতে সমাজের প্রান্তিক শ্রেনী স্বল্প মূল্যে ফিজিও থেরাপি সেবা গ্রহন করতে পারবে। ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজী এন্ড ম্যাটস-এ বি.এস.সি ইন নার্সিং কোর্স চালুকরণ, ডাঃ জাকির হোসেন হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বিএইচএমএস কোর্স চালুকরণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন জেনারেল হাসপাতালকে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতালে রূপান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ইপিআই কার্যক্রম আধুনিকীকরণের জন্য চালু করা হয়েছে ই-ট্র্যাকার। চালানো হয়েছে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা কার্যক্রম। উদ্যোগ নিয়েছি চসিক এর ডাঃ জাকির হোসেন হোমিও কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের।”
চসিকের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে নানামুখি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে মেয়র বলেন, মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণ করে দেখতে পেলাম ধার্যকৃত মূল্যায়নের করদাতাদের নানা অভিযোগ। জনঅসন্তোষ নিরসণে ৬টি রিভিউ বোর্ড গঠন করে উক্ত রিভিউ বোর্ডে আমি নিজে উপস্থিত থেকে গণশুনানির মাধ্যমে করদাতাদের চাহিদা মতে সহনীয় পর্যায়ে কর নির্ধারণ করি। এতে নগরবাসীর গৃহকর নিয়ে যে অসন্তোষ ছিল তা প্রশমিত হয়েছে। আমার এ উদ্যোগের ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরের তুলনায় ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৪ কোটি টাকা বেশি রাজ¯^ আয় বেড়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, প্যানেল মেয়র গিয়াস উদ্দিন, আফরোজা কালাম, চসিকের স্বাস্থ্য স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি ও কাউন্সিলর জহর লাল হাজারি, নাজমুল হক ডিউক, আবদুস সালাম মাসুম, শেখ জাফরুল হায়দার চৌধুরী, আবদুল মান্নান, নূর মোস্তফা টিনু, প্রধান রাজ¯^ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, প্রধান ¯^াস্থ্য কর্মকর্তা ইমাম হোসেন রানা, কর কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন শিকদারসহ স্বাস্থ্য রাজস্ব বিভাগের আশরাফুল গনি, সাইফুল ইসলাম লিটন, পলাশ খাস্তগীর, শওকত হোসেন, ভাস্কর মান্না পাল, সুকান্ত প্রয়াস প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে চিংড়ি প্রকল্পের দখল নিয়ে শেষ রাতে গোলাগুলি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চিংড়ি প্রকল্পের দখল নেওয়াকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধসহ গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ১০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সরল ইউনিয়নের উত্তর সরল বেড়িবাঁধ সংলগ্ন তাজুরঘোনা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মাসুদ আলম বলেন, গোলাগুলির ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৮ থেকে ১০ জনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করে এর মধ্যে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি থাকলে তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি, স্থানীয়ভাবে তৈরি একনলা বন্দুক দিয়ে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। মূল অপরাধীদের শনাক্ত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, এলাকায় নতুন করে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপরাধীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাজুরঘোনা এলাকার একটি চিংড়ি প্রকল্পের মালিকানা ও দখল নিয়ে স্থানীয় কবির গ্রুপ ও মনসুর গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাতে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন। একপর্যায়ে একপক্ষ অন্যপক্ষকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়লে কয়েকজন পথচারীসহ সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

অভিযান পরিচালনাকারী দল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরপরই জড়িতদের গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের একাধিক টিম মাঠে নামে। অভিযানে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. সিরাজুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি ও শিল্পাঞ্চল) মো. ইব্রাহীম, আনোয়ারা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মাহমুদুল হাসান ও বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হকসহ জেলা পুলিশের একটি বড় দল অংশ নেয়।

মৃদুল আচার্য্যরে মৃত্যুতে শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উত্তর কাট্টলী আচার্য্য পাড়া নিবাসী স্বর্গীয় বিনন্দ গোপাল আচার্যের জ্যৈষ্ঠ পুত্র বাংলাদেশ ন্যাশনাল এষ্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জ্যোতিষ ভাস্কর শয়ন আচার্য্যরে পিতা মৃদুল আচার্য্য সন্ধ্যায় ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে স্বর্গলোকে গমন করেছেন। ইহধাম ত্যাগকালে তিনি ৩ পুত্র ও নাতি নাতনীসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল এস্ট্রোলজার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগীয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি লায়ন ডা. বরুণ কুমার আচার্য বলাই, সাধারণ সম্পাদক লায়ন সলিল আচার্য্য ও সূর্যগিরি আশ্রমের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনাজ্ঞাপন করা হয়।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ