আজঃ শুক্রবার ১০ জুলাই, ২০২৬

চট্টগ্রাম জেলা:

ফটিকছড়ি “আলোর পথে ” সংগঠনের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প সম্পন্ন।

মাসুদুল ইসলাম মাসুদ ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ ফটিকছড়ির সেচ্ছাসেবী সংগঠন ” আলোর পথে  ” ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প ও বিভিন্ন কার্যক্রম পালন এর মধ্য দিয়ে দিবসটির কার্যক্রম শেষ করে। এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহবান,,, এই স্লোগানই হল এই সংগঠনের মূল স্লোগান।

আজ হতে ১০ বছর আগে একঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুণদের হাত ধরে এই আলোর পথে সংগঠনটির পথ চলা শুরু হয়। সেই হতে আজ অবধি এই সংগঠন টি সমাজের বিভিন্ন সেচ্ছাসেবী কাজ ও মানবসেবা মূলক কাজ করে আসতেছে। এই ছাড়া এলাকায় শিক্ষা মূলক কাজে তারা বিভিন্ন অবদান রেখে শিক্ষার অগ্রদূত হিসেবে এগিয়ে গিয়েছে। এমনকি মহামারি করোনার সময় তারা বিভিন্ন কার্যক্রমে এগিয়ে এসে এলাকায় নজীর স্থাপন করেন। বিভিন্ন গরীব দুঃখী ছাত্র ছাত্রীদের সাহায্যে তারা তাদের এগিয়ে থাকেন।

আজ তাদের ১০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সংগঠন ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করেন। শুক্রবার ৮ মার্চ সকাল ১০ টায় উত্তর ধর্মপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে এই ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এই মহতী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সনি। সভাপতিত্ত্ব করেন ধর্মপুরের চেয়ারম্যান কাজী মাহমুদুল হক। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট শিল্পপতী ফকরুল আনোয়ার। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক বিশিষ্ট শিল্পপতী ফকরুল আনোয়ার।
প্রধান আলোচক ছিলেন তরুণ আওয়ামী লীগ নেতা ও ফটিকছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বখতেয়ার সাঈদ ইরান।
এতে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক সাজেদুল করিম, সমাজ সেবক লায়ন কামাল উদ্দীন, উত্তর ধর্মপুর হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ মোহাম্মদ বেলাল, সহকারী শিক্ষক বেলাল উদ্দীন, যুবনেতা মাহি উদ্দীন, ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাসান মুন্সি, ব্যাংকার আলি মসকুর, ইসমাইল চৌধুরী বিবলু, মাস্টার শফিউল বশর বাবলু। আরো উপস্থিত ছিলেন
আলোর পথের প্রতিষ্ঠিতা সদস্য উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইয়াছিন আরমান, সংগঠক ইমরুল হাসান মুন্না, মহসিন কাউসার,আব্দুল কুদ্দুস, বখতেয়ার হোসেন রিটু, জমির উদ্দীন।
সদস্য বৃন্দ ফয়সাল চৌধুরী জামাল, আহসান উল্লাহ, শহিদুল ইসলাম নান্নু, আব্দুল আহাদ, শাহাদাত হোসেন, শামিম, জোনায়েদ, তাইসিন, রুকন, উজ্জ্বল, জিহান প্রমূখ।
এই ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্পে সেবা সমূহ ছিল:- চক্ষু, মেডিসিন, চর্ম, নাক কান গলা, অর্থোপেডিক্স, নিউরোলজি,  শিশু,  ব্লাড ক্যাম্পিং,  খৎনা সেবা সমূহ দেওয়া হয়।
ক্যাম সম্পন্ন আজকে সকাল দশটা হতে শুরু হয়ে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত চলে। এতে শত শত এলাকার রোগী চিকিৎসা ক্যাম্পে চিকিৎসা নিতে আসেন। এতে আগত অতিথিরা এলাকার যুব সমাজের এই উদ্যেগের ভুয়সী প্রশংসা করেন এবং আগামীতে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে নিতে আহবান জানান এবং যে কোনো সাহায্য সহযোগিতায় তাদের সাথে পাবেন এই আশ্বাস দেন।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের মূলহোতা বাদশাকে গ্রেপ্তার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রের মূলহোতা মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে বাদশাকে (৩৬) গ্রেপ্তার
করেছে পুলিশ।এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ছোরা এবং বিভিন্ন সময়ে ছিনতাই করা ১১টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ফোনগুলোর মধ্যে মামলার বাদীর ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোনও রয়েছে।

জানা যায়, ৬ জুলাই সকালে কোতোয়ালী থানা এলাকায় যাত্রীবেশে বাসে উঠে ছোরা দেখিয়ে এক যাত্রীর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় চক্রের সদস্যরা।
মামলার তদন্তে সিআরবি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিজানুর রহমান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করেন। পরে কোতোয়ালী থানার একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৯ জুলাই বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে চট্টগ্রামের পটিয়া থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের মূলহোতা সাইফুল ইসলাম ওরফে বাদশাকে গ্রেপ্তার করে।এ সময় তার কাছ থেকে ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি ছোরা এবং বিভিন্ন সময়ে ছিনতাই করা ১১টি স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়।

বাদশা ছিনতাইকারী দল নিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর নিউ মার্কেট, স্টেশন রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় আগত ব্যবসায়ী, পথচারী ও বাসযাত্রীদের টার্গেট করে ছিনতাই চালাতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সিএমপি দক্ষিণ বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান বলেন, চক্রের পলাতক অন্য সদস্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢল চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি তলিয়ে গেছে ফসলি জমি ও বাড়ি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। বৃষ্টির সঙ্গে পাহাড়ি ঢলের কারণে কয়েকটি উপজেলাও কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে পানি ওঠার কারণে বৃহস্পতিবার সকালে কিছু সময়ের জন্য যান চলাচল বন্ধ ছিল।

জানা গেছে, টানা বর্ষণের কারণে দুদিন ধরে সাতকানিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে পানি উঠতে থাকে। ফসলি জমি ও বাড়ি তলিয়ে যায়। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে বিস্তির্ণ এলাকায় বন্যা দেখা দিয়েছে। দুই লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে বলে জানা যায়।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মাহমুদুল হাসান জানান, পুরো উপজেলার সবগুলো অর্থাৎ ১৭ ইউনিয়ন এবং একটি পৌরসভার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। গৃহবন্দী রয়েছে এসব এলাকার মানুষ। ৮৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তিনি বলেন, সাতকানিয়ার কেরানিহাট এলাকার ব্যাপক এলাকায় পানি রয়েছে। এর ফলে সাতকানিয়া থেকে বান্দরবানের যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। বান্দরবান থেকে নেমে আসা পানির ঢল এবং বৃষ্টির পানি যোগ হয়ে দুই থেকে তিন ধরে এলাকাগুলো বন্যা কবলিত হয়ে পড়ে বলে জানা যায়।

এদিকে লোহাগাড়া উপজেলার ৫ টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত। এর মধ্যে আমিরাবাদ ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ক্ষতগ্রিস্ত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ১২টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে। তবে এগুলোতে লোকজন খুব একটা যাচ্ছে না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ বিন আখন্দ জানান, ৯ উপজেলার মধ্যে ৫টি কমবেশি আক্রান্ত হয়েছে। আমিরাবাদ ইউনিয়ন বেশি আক্রান্ত হয়েছে। এখান থেকে ৯০ জনকে উদ্ধার করে আমরা আশ্রয়কেন্দ্রে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া পদুয়া ইউনিয়নে গৃহবন্দী লোকজনকে উদ্ধার করার জন্য পাঠানো হয়।

চন্দনাইশের পাঁচটি ইউনিয়ন ও দুটি পৌরসভা বন্যার কবলে পড়েছে। এরমধ্যে ধোপাছড়ি, বরকল, বৈলতলী ইউনিয়ন বেশি আক্রান্ত হয়েছে। উপজেলায় ২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান জানান, ১৩ হাজার লোক গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন। ধোপাছড়ি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ওখানে সাড়ে তিনশত লোক বর্তমানে আশ্রয়কেন্দ্রে গিয়ে উঠছেন। শুকনো খাবার এবং পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট দেওয়া হচ্ছে। দোহাজারী এলাকায় পানি ওঠার কারণে কক্সবাজারের সঙ্গে সকালে যান চলাচল বন্ধ ছিল বলে জানান। তবে বর্তমানে তা চালু রয়েছে বলে ইউএনও জানিয়েছেন।

এছাড়া বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া, গণ্ডামারা, শেখেরখিল, নাপোড়া, খানখানাবাদসহ বিভিন্ন এলাকা বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেক বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। চরম দুর্ভোগে দিন কাটছে লোকজনের। উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে আশ্রয়কন্দ্র খোলা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন জানায়, প্রায় সাড়ে ৪ লাখ লোক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বন্যায় সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। এ ছাড়া বাঁশখালীতেও গৃহবন্দি হয়ে পড়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শরীফ উদ্দিন জানান, জেলায় প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মানুষ বন্যায় এ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাহাড় ধস ও পানিতে ভেসে গিয়ে এ পর্যন্ত ৫ জন মারা গেছেন। ৬২৯টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

এইচএসসি-সমমান প্রথমদিন অনুপস্থিত ২৪ হাজার ৭৮৪ পরীক্ষার্থী, বহিষ্কার -৭

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা মোট ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১২০ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ২৪ হাজার ৭৮৪ জন এবং অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৭ জনকে।০২ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এ তথ্য জানিয়েছে। দেশের ৯টি শিক্ষা বোর্ডে বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অংশ নেন ৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৪ জন।

অনুপস্থিত ছিলেন ১৭ হাজার ২৩৩ জন। অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার করা হয়েছে ৫ জনকে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহ বোর্ডে একজন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হলো—ঢাকা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৭১, রাজশাহী বোর্ডে ২ হাজার ৪৯৭, কুমিল্লা বোর্ডে এক হাজার ৭৯৫, যশোর বোর্ডে দুই হাজার ৭৮, চট্টগ্রাম বোর্ডে এক হাজার ৩৪০, সিলেট বোর্ডে এক হাজার ১২৭, বরিশাল বোর্ডে এক হাজার ৩৪৬, দিনাজপুর বোর্ডে এক হাজার ৯৩৭ এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে এক হাজার ১৪২ জন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় কুরআন মাজিদ বিষয়ে নিবন্ধিত ৮৫ হাজার ১৩১ জনের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৮০ হাজার ৬৫৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং একজন পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন।কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বাংলা-২ পরীক্ষায় নিবন্ধিত ৮৩ হাজার ৬৭৬ জনের মধ্যে অংশ নেন ৮০ হাজার ৬০৩ জন। অনুপস্থিত ছিলেন ৩ হাজার ৭৩ জন এবং বহিষ্কার করা হয়েছে একজনকে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ