আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের নামে জাতির সাথে তামাশা করেছে সরকার

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির লিফলেট বিতরণকালে আবুল হাশেম বক্কর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেছেন, দ্রব্যমূল্যের চরম উর্ধগতিতে সাধারণ মানুষ এমনিতেই দিশেহারা। এরমধ্যে দাম সমন্বয়ের নামে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি জনগণের জীবনকে আরও ভোগান্তির মধ্যে ফেলবে। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সাল থেকে ১৫ বার বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে। জনগণকে নিপীড়ন ও ফতুর করার নীতি গ্রহণ করেছে সিন্ডিকেট সরকার। জ্বালানি তেলের ম্ল্যূ সমন্বয়ের নামে ডিজেলের মূল্য ৭৫ পয়সা, পেট্রোল ৩ টাকা ও অকটেন ৪ টাকা কমিয়ে সরকার জাতির সাথে তামাশা করেছে।যখনই লুটেরা সরকারের টাকায় টান পড়ছে তখনই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট কাটছে। কানাডা, অস্ট্রেলিয়ার বেগমপাড়ায় দামি বাড়ি গাড়ির জন্য টাকা দরকার। তাই আওয়ামী সিন্ডিকেটের মুনাফার জন্য সরকার গ্যাস বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি করেছে। গ্যাস সংকট জিইয়ে রেখে এলএনজি’র ব্যবসার দ্বার খোলা হয়েছে। এটা স্পষ্ট যে, বিদ্যুৎ জ্বালানি খাতের লোকসান আসলে সরকারের অব্যবস্থাপনা, অবহেলা আর দুর্নীতির ফল। কিন্তু এর দায় মেটাতে হচ্ছে জনগণকে।

তিনি শনিবার ৯ মার্চ দুপুরে কদমতলী শুভপুর বাস ষ্টেশন এলাকায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন।

তিনি নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কদমতলী নেওয়াজ হোটেল মোড়, পশ্চিম মাদরবাড়ি, ডিটি রোড় ও শুভপুর বাস ষ্টেশন এলাকায় স্থানীয় দোকানদার, পথচারী, যানবাহনের যাত্রী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ শিরোনামের লিফলেট বিতরণ করেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে সরকার যে ভর্তুকি বরাদ্দ করেছিল, যার বড় একটি অংশ ব্যয় হয়েছে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে। জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, বিশেষ করে ক্যাপাসিটি চার্জ সংক্রান্ত অব্যবস্থাপনা, লুটপাট ও বিদ্যুৎ খাতে পুকুর চুরির কারণে সরকার বিদ্যুতে বিপুল ভতুর্কি দিতে বাধ্য হচ্ছে। সরকার লুটপাট করার জন্য তুলনামূলক কম টাকায় নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন না করে কয়লা, তেল, গ্যাস ইত্যাদি পরিবেশ দূষণকারী ফসিল ফুয়েল ব্যবহার করে দেশের পরিবেশের বিপর্যয় ডেকে আনছে। কয়লা, গ্যাস, তেল ইত্যাদি আমদানির নামে দেশ থেকে লাখ লাখ কোটি টাকা পাচার করছে।

এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, যুগ্ম আহবায়ক এস এম সাইফুল আলম, শাহ আলম, সদস্য জয়নাল আবেদিন জিয়া, বিভাগীয় শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক শেখ নুর উল্লাহ বাহার, সদরঘাট থানা বিএনপির সভাপতি মো. সালাউদ্দিন, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাওছার হোসেন বাবু, নগর বিএনপি নেতা মো. আলী, আবদুল বাতেন, মোস্তাফিজুর রহমান বুলু, আলী আজম চৌধুরী, কেন্দ্রীয় যুবদলের সদস্য সাইফুর রহমান শপথ, পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, বিএনপি নেতা ইলিয়াছ মিয়া, মো. শাহজাহান, সিরাজুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আবদুল আজিজ, অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নজরুল ইসলাম মিয়াজী, এস এম রব, মজিবুর রহমান, কমল জ্যোতি বডুয়া, মো. ইসমাইল, সুলতান মাহমুদ সুমন, নূর জাহেদ বাবলু, নূর খান, মো. আলমগীর, মঈনুদ্দিন খান রাজিব প্রমূখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ