আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

বইবন্ধুর বই বিনিময় উৎসবের প্রথম দিন শেষ হলো

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বই পড়ে কেউ দেউলিয়া হয়না। তবে কিনতে কিনতে আপনি দেউলিয়া হতেই পারেন। তবে মজার ব্যাপার হল কি, বই কিনতে এখন টাকা লাগেনা। শুনে অবাক হচ্ছেন কি? হ্যাঁ! বইকে সহজলভ্য করে সবার হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বইবন্ধু।

বইবন্ধু নামটার বিশেষত্ব বেশ আলাদা। বই আমাদের পরমবন্ধু। আর তাই দু’য়ের মিশেলে বইবন্ধুর যাত্রা শুরু। ২০১৮ সালে একদল তরুণ মিলে উদ্যোগ নেয় তারা বইকে মানুষের দ্বারেদ্বারে পৌঁছে দিবে। এরই লক্ষ্যে বোশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে থাকে তারা। সেখান থেকেই বাস পাঠাগারের কার্যক্রমে হাত দেওয়া। চারপাশে ছুটোছুটি, নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে অবশেষে বইবন্ধুর গণপরিবহন পাঠাগারের যাত্রা শুরু হয়।

ধীরে ধীরে গণপরিবহন পাঠাগারটির গ্রহনযোগ্যতা সকলের কাছে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপর হাসপাতাল পাঠাগার, তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য পাঠাগার, সেলুন পাঠাগার হিসেবে “নরসুন্দর পাঠাগার”, বীচ পাঠাগার, বইবন্ধু টু আওয়ার্স লাইব্রেরি, দুই টাকার বুক কাউন্টার, স্ব-শিক্ষার পাঠশালাসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আগাতে থাকে বইবন্ধু।

২০২১ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রবীন্দ্র সরোবরের পাশে ছোট পরিসরে বইবন্ধু পরীক্ষামূলকভাবে বই বিনিময় উৎসব করে। এতে ব্যাপক সাড়া জাগে বইপ্রেমী মহলে। একই বছরে নানা জটিলতায় চট্টগ্রাম পর্ব পিছিয়ে অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবরে। করোনা পরবর্তী সময়ে সিআরবির মত জায়গায় বই বিনিময় উৎসব করাটা বেশ চ্যালেঞ্জ ছিলো বৈকি। তবে সব ছাড়িয়ে বইবন্ধু আবারও ঢাকা,চট্টগ্রামে পরবর্তীতেও প্রোগ্রাম করে। এবার তৃতীয়বারের মত বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হচ্ছে চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে পঞ্চম বারের মত আয়োজিত হচ্ছে এই উৎসব৷ এবারের আলাদা বিশেষত্ব হচ্ছে। বই বিনিময় উৎসব এবার বড় পরিসরে দু’দিন ব্যাপী আয়োজিত হচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবারও শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে মাঠে গড়িয়েছে বই বিনিময় উৎসব। এবারের আয়োজন আরো বড় পরিসরে হয়েছে। এবারের উৎসবটি JCI Dhaka Aspirants ও বইবন্ধুর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।দুর্মূল্যের বাজারে চড়া দামে বই কেনা অনেকের জন্যই দুঃস্বপ্ন। আর তাদের পাশে শুভেচ্ছাদূত হয়ে বই বিনিময় উৎসব এসেছে। বইপ্রেমীদের এই মিলনমেলা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়োজিত হচ্ছে সিআরবি শিরীষ তলায়। লেখক-পাঠকসহ নানা গুণীজনের সমাগমে প্রথমদিন বেশ ভালোই কেটেছে। সারাদিন ব্যাপী এই কর্মযজ্ঞে পরিশ্রম করে গেছেন বইবন্ধুর শতাধিক সদস্য। উৎসবের প্রথম দিনে প্রায় ৭ হাজার বই বিনিময় হয়েছে। উৎসবে আগত বইপ্রেমীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এবং আগামীকালের জন্য আরো বিপুল উপস্থিতির জন্য তারা নিজেরাই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। সবার আন্তরিকতা উদ্দীপনা ও পরিশ্রমে প্রথমদিনের মতো শেষ হয়েছে বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব। আগামীকাল বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব চলবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ