আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

বইবন্ধুর বই বিনিময় উৎসবের প্রথম দিন শেষ হলো

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বই পড়ে কেউ দেউলিয়া হয়না। তবে কিনতে কিনতে আপনি দেউলিয়া হতেই পারেন। তবে মজার ব্যাপার হল কি, বই কিনতে এখন টাকা লাগেনা। শুনে অবাক হচ্ছেন কি? হ্যাঁ! বইকে সহজলভ্য করে সবার হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বইবন্ধু।

বইবন্ধু নামটার বিশেষত্ব বেশ আলাদা। বই আমাদের পরমবন্ধু। আর তাই দু’য়ের মিশেলে বইবন্ধুর যাত্রা শুরু। ২০১৮ সালে একদল তরুণ মিলে উদ্যোগ নেয় তারা বইকে মানুষের দ্বারেদ্বারে পৌঁছে দিবে। এরই লক্ষ্যে বোশ কিছু পরিকল্পনা নিয়ে আগাতে থাকে তারা। সেখান থেকেই বাস পাঠাগারের কার্যক্রমে হাত দেওয়া। চারপাশে ছুটোছুটি, নানা কাঠ-খড় পুড়িয়ে অবশেষে বইবন্ধুর গণপরিবহন পাঠাগারের যাত্রা শুরু হয়।

ধীরে ধীরে গণপরিবহন পাঠাগারটির গ্রহনযোগ্যতা সকলের কাছে বৃদ্ধি পেতে থাকে। এরপর হাসপাতাল পাঠাগার, তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য পাঠাগার, সেলুন পাঠাগার হিসেবে “নরসুন্দর পাঠাগার”, বীচ পাঠাগার, বইবন্ধু টু আওয়ার্স লাইব্রেরি, দুই টাকার বুক কাউন্টার, স্ব-শিক্ষার পাঠশালাসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আগাতে থাকে বইবন্ধু।

২০২১ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রবীন্দ্র সরোবরের পাশে ছোট পরিসরে বইবন্ধু পরীক্ষামূলকভাবে বই বিনিময় উৎসব করে। এতে ব্যাপক সাড়া জাগে বইপ্রেমী মহলে। একই বছরে নানা জটিলতায় চট্টগ্রাম পর্ব পিছিয়ে অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবরে। করোনা পরবর্তী সময়ে সিআরবির মত জায়গায় বই বিনিময় উৎসব করাটা বেশ চ্যালেঞ্জ ছিলো বৈকি। তবে সব ছাড়িয়ে বইবন্ধু আবারও ঢাকা,চট্টগ্রামে পরবর্তীতেও প্রোগ্রাম করে। এবার তৃতীয়বারের মত বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হচ্ছে চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে পঞ্চম বারের মত আয়োজিত হচ্ছে এই উৎসব৷ এবারের আলাদা বিশেষত্ব হচ্ছে। বই বিনিময় উৎসব এবার বড় পরিসরে দু’দিন ব্যাপী আয়োজিত হচ্ছে। প্রতিবারের মতো এবারও শত প্রতিকূলতা পেরিয়ে মাঠে গড়িয়েছে বই বিনিময় উৎসব। এবারের আয়োজন আরো বড় পরিসরে হয়েছে। এবারের উৎসবটি JCI Dhaka Aspirants ও বইবন্ধুর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবং সার্বিক সহযোগিতায় ছিল বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।দুর্মূল্যের বাজারে চড়া দামে বই কেনা অনেকের জন্যই দুঃস্বপ্ন। আর তাদের পাশে শুভেচ্ছাদূত হয়ে বই বিনিময় উৎসব এসেছে। বইপ্রেমীদের এই মিলনমেলা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আয়োজিত হচ্ছে সিআরবি শিরীষ তলায়। লেখক-পাঠকসহ নানা গুণীজনের সমাগমে প্রথমদিন বেশ ভালোই কেটেছে। সারাদিন ব্যাপী এই কর্মযজ্ঞে পরিশ্রম করে গেছেন বইবন্ধুর শতাধিক সদস্য। উৎসবের প্রথম দিনে প্রায় ৭ হাজার বই বিনিময় হয়েছে। উৎসবে আগত বইপ্রেমীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এবং আগামীকালের জন্য আরো বিপুল উপস্থিতির জন্য তারা নিজেরাই কাজ করবেন বলে জানিয়েছেন। সবার আন্তরিকতা উদ্দীপনা ও পরিশ্রমে প্রথমদিনের মতো শেষ হয়েছে বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব। আগামীকাল বিকেল ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব চলবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমী ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় ভেড়ামারা উদয়ন একাডেমীতে উৎসব মূখর পরিবেশে ৩১তম বার্ষিক ক্রীড়া, নবীন বরণ, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা সাংস্কৃতিক ও পুরস্কার বিতরণ-২০২৬ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতিকুজ্জামান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।
বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্য রাখেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আলহাজ্ব মোঃ হেদায়েতুল তিনি অতিথিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান।আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সকল ছাত্র-ছাত্রী,অভিভাবক এবং শিক্ষক-কর্মচারীবৃন্দ।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ