আজঃ রবিবার ৩ মে, ২০২৬

আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকালে আবদুচ ছালাম এমপি

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্য পূরণে
দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে হবে
আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ আবদুচ ছালাম বলেন, আমরা এখন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিযাত্রায় রয়েছি। এ অভিযাত্রার সাফল্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। আর স্মার্ট নাগরিককে সকল প্রকার ইলেকট্রনি· ডিভাইস ব্যবহারের দক্ষতাসম্পন্ন হতে হবে। এজন্য আজকের ছাত্র ও যুবকদের কারিগরি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে, নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তির উম্মেষ ঘটাতে হবে। চান্দগাঁও এলাকার কৃতি পুরুষ প্রফেসর এমিরেটাস ড. হারুন অর রশিদ খাঁন ও আইডিএফ এর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আমি আশাবাদী।
আজ শনিবার সকালে ৪নং মোহরা ওয়ার্ডেও উত্তর চান্দগাঁও এর জাফর আলী খাঁন সড়কে নির্মিতব্য টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন, আবদুচ ছালাম এমপি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠান শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ বটে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলা ও এগিয়ে নেয়া তারচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ, এজন্য চাই দক্ষ ব্যবস্থাপনা। দক্ষ ব্যবস্থাপনায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার উদাহরণ যেমন রয়েছে, তেমনি অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানের মুখ থুবড়ে পড়ার উদাহরণও আছে। সঠিক ব্যবস্থাপনায় আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট দেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
চান্দগাঁও নিবাসী প্রফেসর ইমেরিটাস ড. হারুন, ‘কারিগরি ইনষ্টিটিউট-এর জন্য ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ)-এর নিকট জমি দান করেছেন। আইডিএফ এই কারিগরি ইনষ্টিটিউট এর ব্যবস্থাপনায় থাকবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক সংসদ কানিজ ফাতেমা আহমেদ বলেন, সম্পদশালী হলেই শি¶ার জন্য এমন উদার এমন মহান উদ্যোগ সকলে নিতে পারেন না। আমি এই দাতা পরিবারের একজন হতে পেরে গর্বিত।
আইডিএফ এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. হারুন অর রশিদ খাঁন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ কানিজ ফাতেমা আহমদ, সাবেক সাংসদ মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। এছাড়াও আইডিএফ এর পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তাবৃন্দ, জমিদাতা পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিলটি ড. হারুন অর রশিদ খাঁন হস্তান্তর করেন আইডিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলমের কাছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বন্দরের বহির্নোঙরে জাহাজের সংঘর্ষে আটকা প্রায় ২ হাজার ৮০০ কনটেইনার।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে দুটি জাহাজের সংঘর্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে উভয় জাহাজই। এতে আটকা পড়া প্রায় ২ হাজার ৮০০ একক কনটেইনার নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত জাহাজ দুটির চলাচল স্থগিত থাকবে বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, সিঙ্গাপুর থেকে আমদানি পণ্য নিয়ে বহির্নোঙরে অবস্থান করছিল জাহাজ দুটি। এর মধ্যে একটি বিশ্বের শীর্ষ শিপিং কোম্পানি ‘মায়ারস্ক’-এর এবং অন্যটি দেশীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালিত ‘এইচ আর তুরাগ’। শুক্রবার সকালে বহির্নোঙর থেকে জাহাজ দুটি বন্দরের জেটিতে আনার প্রস্তুতিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর জাহাজ দুটির মূল কাঠামোতে দৃশ্যমান ক্ষতি দেখা গেছে। তবে পানির নিচের অংশে কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে বিস্তারিত তদন্ত প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজ দুটি জেটিতে নিয়ে আসতে গেলে প্রবেশমুখে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। এ কারণে আপাতত সেগুলো বহির্নোঙরেই রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে বন্দরের পাইলট ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শামসুদ্দীন জানান, জাহাজের কাছে পৌঁছানোর আগেই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে জাহাজে উঠে ক্ষতির চিত্র দেখে নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় জেটিতে না এনে ফিরে আসেন তারা। তিনি বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে নৌ-বাণিজ্য অধিদপ্তর ও বন্দর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর শাকপুরা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদরাসায় বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ, জলবায়ু, কৃষি ও সেবামূলক সংগঠন গ্রীন চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স ও মানবিক-সামাজিক- স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ২ মে, শনিবার, বিকালে বোয়ালখালী উপজেলাধীন শাকপুরা ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাকপুরা দারুচ্ছুন্নাত কামিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ করা হয়।

দেশব্যাপী সর্বস্তরের জনসাধারণকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে সচেতন করতে আসন্ন ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-কে সামনে রেখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমপি’র ঘোষিত বছরে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সমর্থন-সফল-বাস্তবায়নে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি ও পরিবেশ সংগঠক স ম জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনের সদস্য (এডমিন) ও দারিদ্রবিমোচন ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আকতার হোসেন নিজামীর সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফারহানা আফরোজ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মোহাম্মদ মুছা আলম খান চৌধুরী, দারিদ্র বিমোচন ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশন বোয়ালখালী উপজেলার সভাপতি মুহাম্মদ সোলায়মান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ এমরান, সদস্য (মিডিয়া এন্ড কমিউনিকেশন) নজিব চৌধুরী, সদস্য মো. মুজিবুর রহমান, মোহাম্মদ আসিফ, মো. নজরুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বছরে পাঁচ কোটি চারা রোপণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। বর্তমান বৈশ্বিক ও দেশের জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় এ কর্মসূচি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময়। সরকারের এ কর্মসূচি সফল ও সার্থক করতে গ্রীণ চট্টগ্রাম এ্যালায়েন্স ও সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি সকলকে বাসাবাড়ির খালি জায়গায়, যেখানে চারা লাগানোর জায়গা রয়েছে, সেখানে সকলকে ফলজ, বনজ ও ঔষুধি চারা রোপণের আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে শতাধিক মানুষের মাঝে প্রায় ২০০টি বিভিন্ন ধরনের ফলজ, বনজ ও ঔষধি বৃক্ষের চারা বিতরণ করা হয়। চারা বিতরণ শেষে অনুষ্ঠানের সফলতা কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুহাম্মদ আরিফ উল্লাহ।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ