আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনকালে আবদুচ ছালাম এমপি

ডেস্ক নিউজ:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

স্মার্ট বাংলাদেশ লক্ষ্য পূরণে
দক্ষ জনগোষ্ঠী গড়ে তুলতে হবে
আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ আবদুচ ছালাম বলেন, আমরা এখন বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশের অভিযাত্রায় রয়েছি। এ অভিযাত্রার সাফল্যের অন্যতম প্রধান শর্ত হলো স্মার্ট নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা। আর স্মার্ট নাগরিককে সকল প্রকার ইলেকট্রনি· ডিভাইস ব্যবহারের দক্ষতাসম্পন্ন হতে হবে। এজন্য আজকের ছাত্র ও যুবকদের কারিগরি জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে, নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তির উম্মেষ ঘটাতে হবে। চান্দগাঁও এলাকার কৃতি পুরুষ প্রফেসর এমিরেটাস ড. হারুন অর রশিদ খাঁন ও আইডিএফ এর টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট আমাদের স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে অবদান রাখতে সক্ষম হবে বলে আমি আশাবাদী।
আজ শনিবার সকালে ৪নং মোহরা ওয়ার্ডেও উত্তর চান্দগাঁও এর জাফর আলী খাঁন সড়কে নির্মিতব্য টেকনিক্যাল ইন্সিটিটিউটের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন, আবদুচ ছালাম এমপি আরো বলেন, প্রতিষ্ঠান শুরু করা গুরুত্বপূর্ণ বটে। কিন্তু প্রতিষ্ঠানকে গড়ে তোলা ও এগিয়ে নেয়া তারচেয়ে বেশী গুরুত্বপূর্ণ, এজন্য চাই দক্ষ ব্যবস্থাপনা। দক্ষ ব্যবস্থাপনায় প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার উদাহরণ যেমন রয়েছে, তেমনি অব্যবস্থাপনার কারণে অনেক সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠানের মুখ থুবড়ে পড়ার উদাহরণও আছে। সঠিক ব্যবস্থাপনায় আইডিএফ ড. হারুন মকবুল খাঁন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট দেশের কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
চান্দগাঁও নিবাসী প্রফেসর ইমেরিটাস ড. হারুন, ‘কারিগরি ইনষ্টিটিউট-এর জন্য ইন্টিগ্রেটেড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (আইডিএফ)-এর নিকট জমি দান করেছেন। আইডিএফ এই কারিগরি ইনষ্টিটিউট এর ব্যবস্থাপনায় থাকবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক সংসদ কানিজ ফাতেমা আহমেদ বলেন, সম্পদশালী হলেই শি¶ার জন্য এমন উদার এমন মহান উদ্যোগ সকলে নিতে পারেন না। আমি এই দাতা পরিবারের একজন হতে পেরে গর্বিত।
আইডিএফ এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জাফর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ড. হারুন অর রশিদ খাঁন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সাংসদ কানিজ ফাতেমা আহমদ, সাবেক সাংসদ মোস্তাক আহমদ চৌধুরী। এছাড়াও আইডিএফ এর পরিচালনা পরিষদের সদস্যবৃন্দ, কর্মকর্তাবৃন্দ, জমিদাতা পরিবারের সদস্য এবং এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
সভা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে জমির দলিলটি ড. হারুন অর রশিদ খাঁন হস্তান্তর করেন আইডিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক জহিরুল আলমের কাছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বাকিতেও আমদানি করা যাবে ফল, ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ফল আমদানিতে ব্যাংকে ঋণপত্র খুলতে শতভাগ মার্জিনের বাধ্যবাধকতা ইতোমধ্যে তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারের এই সিদ্ধান্তে ব্যবসায়ী মহলে স্বস্তি ফিরেছে। এখন ছোট আমদানিকারকরাও ফল আমদানির সুযোগ পাচ্ছে। এক কোটি টাকার একটি ঋণপত্র খুলতে পুরো টাকা আগাম ব্যাংকে জমা দিতে হতো। সেই কড়াকড়ি শিথিল করায় ঋণপত্র খোলা অনেক সহজ হলো। এখন নূন্যতম মার্জিন বা বাকিতেও ফল আমদানি করা যাবে।এই পদক্ষেপে ব্যবসায়িক মহলে স্বস্তি ফিরলেও প্রশ্ন উঠেছে আসলেই কি কমবে আমদানিকৃত আপেল, কমলা, আঙুরের মতো পুষ্টিকর ফলের দাম?

বাজার বিশ্লেষকদের ধারনা, বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নির্দেশনার ফলে আমদানিকারকদের এলসি খোলার মূলধন খরচ বা ‘কস্ট অফ ফান্ড’ এক ধাক্কায় ১৫ শতাংশ কমে আসবে। আগে যেখানে ১ কোটি টাকা আমদানির জন্য পুরো ১ কোটি টাকাই ব্যাংকে আটকে রাখতে হতো, এখন ব্যাংক-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে ১০ থেকে ২০ শতাংশ মার্জিনেই এলসি খোলা যাচ্ছে। শুল্কহার অপরিবর্তিত থাকলেও শুধুমাত্র এলসি সহজীকরণ, পরিবহন ব্যয় স্বাভাবিক হওয়া এবং আমদানিকারক বৃদ্ধির ফলে ভোক্তা পর্যায়ে আপেল, মাল্টা ও আঙুরের দাম কেজিপ্রতি অন্তত ২০ শতাংশ কমা উচিত।

ফলমন্ডির ব্যবসায়ীর নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলছেন, ক্রেতার নাগালে আনতে হলে শুল্ক কমানোর কোন বিকল্প নেই। আমদানিকারকরা বলছেন, ফলের দাম শুধু এলসি মার্জিনের ওপর নির্ভর করে না। এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারদর। ফ্রেইট চার্জ বা জাহাজ ভাড়া। কাস্টমস ডিউটি ও শুল্কায়ন মূল্য এবং সবচেয়ে বড় বিষয়-ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হার। এ ছাড়া জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বাড়তি পরিবহন ভাড়াও ফলের দামের সঙ্গে যোগ হচ্ছে। ফলে দাম কত কমবে এখনই বলা যাবে না।
জানা গেছে, এখন খুচরা বাজারে প্রতিকেজি চীনা আপেল ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা। দক্ষিণ আফ্রিকার আপেল ৩৫০ থেকে ৪২০ টাকা। মাল্টা ৩২০, কমলা সাড়ে ৩শ টাকা। লাল আঙুর ৪৫০, সবুজ আঙুর ৪৩০ টাকা। ২০২৫ সালে দেশে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টন তাজা ও শুকনো ফল আমদানি করে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে সরকার।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে আপেল, কমলা, মাল্টা, আঙুর ও নাশপাতির মতো তাজা ও বিদেশি ফল আমদানির ক্ষেত্রে মোট শুল্ক-কর ছিল ১৩১ থেকে ১৩৬ শতাংশ পর্যন্ত। অর্থাৎ ১০০ টাকার ফল আমদানি করলে শুল্ক ও কর বাবদ প্রায় ১৩১ থেকে ১৩৬ টাকা পরিশোধ করতে হয়। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের চাপ থাকলেও ফল আমদানিতে নতুন করে আর শুল্কহার বাড়ানো হয়নি।
চট্টগ্রামের বিআরটিসি ফলমন্ডিতে দীর্ঘসময় ফল আমদানি করছেন হাজী আলমগীর। ফল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন। তিনি কিছুটা ভিন্ন দৃষ্টিতে ব্যাখ্যা করে বললেন, বাকিতে ফল আমদানির সুযোগ দেওয়ায় বাজারে অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হবে। স্ক্র্যাপ, সিমেন্ট, কাপড় ব্যবসায়ীরাও এই সেক্টরে চলে আসবেন। প্রথমদিকে হয়তো দাম কমবে। পরে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হবে।

২০২২ সালে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষা করতে সরকার বিলাসবহুল পণ্য আমদানিতে শুল্ক আরোপ করে। তখন ঋণপত্র খুলতে কড়াকড়ি করে। বিভিন্ন পণ্যের এই তালিকায় যুক্ত হয় ফল আমদানিও। এর ফলে ব্যবসায়ীদের ঋণপত্র খোলার সঙ্গেই পুরো আমদানিমূল্যের সমপরিমাণ নগদ টাকা ব্যাংকে আটকে থাকত। অনেক ক্ষেত্রে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে এই মার্জিন জোগাড় করতে হতো। এরপর থেকেই ফলে আমদানি কমে যায়। দাম চড়া হয়। ২০২৪ সালে এসে শুল্ক আরেকদফা বাড়লে ছোট আমদানিকারকরা বাজার থেকে ছিটকে পড়েন। ফলের দাম ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যায়।

চট্টগ্রাম কাস্টমসে দেড় বছরে আয় ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কাস্টমস অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে গত দেড় বছরে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে। এছাড়া নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ বছরে ৫৯৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা আয় করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস। কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা কনটেইনার খালি করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে।এর আওতায় নিলামযোগ্য পণ্য নিলামে বিক্রি করা হচ্ছে এবং নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য ধ্বংস করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম শাখার সহকারী কমিশনার আবু সুফিয়ান বলেন, এনবিআরের নির্দেশনা অনুযায়ী খালাস না হওয়া পণ্য অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হচ্ছে।তিনি বলেন, গত কয়েক বছরে নিলামের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিলাম করা পণ্য বিক্রি থেকে রাজস্ব আয়ও বেড়েছে। তিনি আরও জানান, নিলামের উপযোগী নয়-এমন পণ্য সরিয়ে বন্দরের ইয়ার্ড খালি করার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৪৫টি অনলাইন ও প্রকাশ্য নিলাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে ৩৮৩টি লট বিক্রি করে ১৫৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা আয় হয়েছে। এর আগে ২০২১ সালে ২৪টি নিলাম অনুষ্ঠিত হয়। এসব নিলামে ১ হাজার ৮১৪টি লট বিক্রি করে ১১৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা রাজস্ব আয় হয়। ২০২২ সালে ৪২টি নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ৩৮১টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১৩০ কোটি ৩৭ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ২৩টি নিলামে ৬৩২টি লট বিক্রি করে রাজস্ব আসে ৪১ কোটি ১৩ লাখ টাকা।২০২৪ সালে ৫৫টি নিলামের মাধ্যমে ৫১১টি লট বিক্রি করে ২৭ কোটি ২৯ লাখ টাকা আয় হয়। ২০২৫ সালে ৬০টি নিলামে ১ হাজার ৪০টি লট বিক্রি করে আয় হয় ১২৭ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের নিলাম ব্যবস্থাপনা ও শ্রমিক ঠিকাদার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান কে এম করপোরেশনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মোরশেদ জানান, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নিলাম ব্যবস্থাপনা, পণ্যের তালিকা প্রস্তুত (ইনভেন্টরি) এবং নিলামকৃত পণ্য বুঝিয়ে দেওয়ার কাজে তার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত রয়েছে। তিনি বলেন, ২০২৫ থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত নিলামের মাধ্যমে ২৮৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা আয় হয়েছে, যা এত স্বল্প সময়ে নিলাম থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে একটি রেকর্ড।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ