দু'দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে

বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব শেষ হলো

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সারিবদ্ধভাবে ব্যুথে সাজানো রয়েছে বই। আর চারপাশে মানুষের আনাগোনা। অনেকেই অবাক হয়ে দেখছে কি হচ্ছে এখানে। বলছিলাম বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসবের কথা। চট্টগ্রামে শেষ হলো দু’দিন ব্যাপী বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব। এবারের উৎসবে দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।

এবার বই বিনিময় উৎসবের যৌথ আয়োজনে রয়েছে JCI Dhaka Aspirants এবং সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।

বইকে সহজলভ্য করে সবার হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে বইবন্ধু। গণ পরিবহন পাঠাগার, হাসপাতাল পাঠাগার, তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য পাঠাগার, সেলুন পাঠাগার হিসেবে “নরসুন্দর পাঠাগার”, বীচ পাঠাগার, বইবন্ধু টু আওয়ার্স লাইব্রেরি, দুই টাকার বুক কাউন্টার, স্ব-শিক্ষার পাঠশালা, সীড ফর প্লাস্টিকসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আগাতে থাকে বইবন্ধু।

২০২১ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রবীন্দ্র সরোবরে বইবন্ধু প্রথমবার বই বিনিময় উৎসব করে। এতে ব্যাপক সাড়া জাগে বইপ্রেমী মহলে। একই বছরে চট্টগ্রাম পর্বও অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবরে। এরপর আরও দু’বার ঢাকা-চট্টগ্রামে বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়। এবার তৃতীয়বারের মত বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়েছে চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে পঞ্চম বারের মত আয়োজিত হয়েছে এই উৎসব৷

এই উৎসবের উদ্বোধন করেন এডভোকেট এ,কে,এম দাউদুর রহমান মিনা, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ
সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, উপদেষ্টা বইবন্ধু এবং লোকাল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস। এতে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারীয়ান এবং শিক্ষাবিদ মুজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার আবিদুর রহমান, সহ-সভাপতি জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস, শিশু সংগঠক তরিকুল ইসলাম বিপু প্রমুখ।

বইপ্রেমীদের এই মিলনমেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেখক-পাঠকসহ নানা গুণীজনের সমাগম ছিলো। দু’দিন ব্যাপী এই কর্মযজ্ঞে পরিশ্রম করে গেছেন বইবন্ধুর শতাধিক সদস্য। উৎসবের দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব শেষ হলো

সারিবদ্ধভাবে ব্যুথে সাজানো রয়েছে বই। আর চারপাশে মানুষের আনাগোনা। অনেকেই অবাক হয়ে দেখছে কি হচ্ছে এখানে। বলছিলাম বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসবের কথা। চট্টগ্রামে শেষ হলো দু’দিন ব্যাপী বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব। এবারের উৎসবে দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।

এবার বই বিনিময় উৎসবের যৌথ আয়োজনে রয়েছে JCI Dhaka Aspirants এবং সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।

বইকে সহজলভ্য করে সবার হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে বইবন্ধু। গণ পরিবহন পাঠাগার, হাসপাতাল পাঠাগার, তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য পাঠাগার, সেলুন পাঠাগার হিসেবে “নরসুন্দর পাঠাগার”, বীচ পাঠাগার, বইবন্ধু টু আওয়ার্স লাইব্রেরি, দুই টাকার বুক কাউন্টার, স্ব-শিক্ষার পাঠশালা, সীড ফর প্লাস্টিকসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আগাতে থাকে বইবন্ধু।

২০২১ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রবীন্দ্র সরোবরে বইবন্ধু প্রথমবার বই বিনিময় উৎসব করে। এতে ব্যাপক সাড়া জাগে বইপ্রেমী মহলে। একই বছরে চট্টগ্রাম পর্বও অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবরে। এরপর আরও দু’বার ঢাকা-চট্টগ্রামে বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়। এবার তৃতীয়বারের মত বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়েছে চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে পঞ্চম বারের মত আয়োজিত হয়েছে এই উৎসব৷

এই উৎসবের উদ্বোধন করেন এডভোকেট এ,কে,এম দাউদুর রহমান মিনা, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ
সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, উপদেষ্টা বইবন্ধু এবং লোকাল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস। এতে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারীয়ান এবং শিক্ষাবিদ মুজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার আবিদুর রহমান, সহ-সভাপতি জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস, শিশু সংগঠক তরিকুল ইসলাম বিপু প্রমুখ।

বইপ্রেমীদের এই মিলনমেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেখক-পাঠকসহ নানা গুণীজনের সমাগম ছিলো। দু’দিন ব্যাপী এই কর্মযজ্ঞে পরিশ্রম করে গেছেন বইবন্ধুর শতাধিক সদস্য। উৎসবের দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব শেষ হলো

সারিবদ্ধভাবে ব্যুথে সাজানো রয়েছে বই। আর চারপাশে মানুষের আনাগোনা। অনেকেই অবাক হয়ে দেখছে কি হচ্ছে এখানে। বলছিলাম বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসবের কথা। চট্টগ্রামে শেষ হলো দু’দিন ব্যাপী বইবন্ধু বই বিনিময় উৎসব। এবারের উৎসবে দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।

এবার বই বিনিময় উৎসবের যৌথ আয়োজনে রয়েছে JCI Dhaka Aspirants এবং সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।

বইকে সহজলভ্য করে সবার হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে ২০১৮ সাল থেকে কাজ করে যাচ্ছে বইবন্ধু। গণ পরিবহন পাঠাগার, হাসপাতাল পাঠাগার, তৃতীয় লিঙ্গদের জন্য পাঠাগার, সেলুন পাঠাগার হিসেবে “নরসুন্দর পাঠাগার”, বীচ পাঠাগার, বইবন্ধু টু আওয়ার্স লাইব্রেরি, দুই টাকার বুক কাউন্টার, স্ব-শিক্ষার পাঠশালা, সীড ফর প্লাস্টিকসহ নানা কার্যক্রম নিয়ে আগাতে থাকে বইবন্ধু।

২০২১ সালের ২৬শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রবীন্দ্র সরোবরে বইবন্ধু প্রথমবার বই বিনিময় উৎসব করে। এতে ব্যাপক সাড়া জাগে বইপ্রেমী মহলে। একই বছরে চট্টগ্রাম পর্বও অনুষ্ঠিত হয় অক্টোবরে। এরপর আরও দু’বার ঢাকা-চট্টগ্রামে বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়। এবার তৃতীয়বারের মত বই বিনিময় উৎসব আয়োজিত হয়েছে চট্টগ্রামে। সবমিলিয়ে পঞ্চম বারের মত আয়োজিত হয়েছে এই উৎসব৷

এই উৎসবের উদ্বোধন করেন এডভোকেট এ,কে,এম দাউদুর রহমান মিনা, সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশ
সভাপতি, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন, উপদেষ্টা বইবন্ধু এবং লোকাল ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস। এতে আরও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারীয়ান এবং শিক্ষাবিদ মুজিবুর রহমান, ব্যারিস্টার আবিদুর রহমান, সহ-সভাপতি জেসিআই ঢাকা এসপিরেন্টস, শিশু সংগঠক তরিকুল ইসলাম বিপু প্রমুখ।

বইপ্রেমীদের এই মিলনমেলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেখক-পাঠকসহ নানা গুণীজনের সমাগম ছিলো। দু’দিন ব্যাপী এই কর্মযজ্ঞে পরিশ্রম করে গেছেন বইবন্ধুর শতাধিক সদস্য। উৎসবের দু’দিনে প্রায় ১৫হাজার বই বিনিময় হয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে অদম্য রাব্বির গল্প পা দিয়ে লিখে এইচএসসিতে জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিগত ১০ বছর আগে স্কুলে যাওয়ার সময় দুর্ঘটনায় দু হাত হারানো রফিকুল ইসলাম রাব্বি সকল স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে সাফল্য অর্জন করতে প্রস্তুত ছিলেন। এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছেন তিনি। বিশেষ করে পড়ালেখার প্রতি অদম্য ইচ্ছে ও অধ্যবসায় রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে সাফল্যের সিঁড়িতে। দুই হাত না থাকার পরও তিনি দমে যাননি।

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা মো. রাব্বি। দুই ভাইয়ের এক বোন। তার বোন রোকেয়া আকতারও এবার ভাটিয়ারী বিজয় সরনী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন। বোনও পাস করেছেন। তবে ফলাফলে তিনি রাব্বির চেয়ে পিছিয়ে রয়েছেন। রাব্বির সাফল্যে খুশি পরিবার ও প্রতিবেশী।
চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে চট্টগ্রাম মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছেন রাব্বি।। এর আগে এসএসসিতেও একইভাবে পা দিয়ে লিখে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন তিনি। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তার পথ আটকে রাখতে পারেনি।

জানা গেছে, রাব্বির পথচলা এত সহজ ছিল না। ২০১৬ সালে স্কুলে যাওয়ার সময় এক দুর্ঘটনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। তার দুই হাত কেটে ফেলতে হয়। তখন রাব্বি পঞ্চম শ্রেণিতে পড়তেন। এর পরও দমে যাননি তিনি। পা দিয়ে লেখা অনুশীলন করতে থাকেন। একসময় তা রপ্ত করেন। এরপর পুনরায় স্কুলে যাওয়া শুরু করেন। এর মধ্যে কয়েকবছর নষ্ট হয় তার। তবুও ২০২৪ সালে এসএসসিতে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন রাব্বি। তখন পাড়া প্রতিবেশী বুঝতে পারেন রাব্বি হেরে যাওয়ার পাত্র নন।

পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসেন রাব্বি। তার অসাধারণ সাফল্যের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলের মানুষ তার পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। কেউ পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন, কেউ আবার নানা সহযোগিতার কথা জানান। তবে দুঃখজনকভাবে, সেই প্রতিশ্রুতির অধিকাংশই বাস্তবে রূপ নেয়নি।

অভাব-অনটনের সংসারে রাব্বির এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে পরিবারের নিরলস সংগ্রাম। তার বাবা বজলুর রহমান ও মা দুজনেই দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে কাজ করে সংসার চালান। সীমিত আয়ের মধ্যেও ছেলের পড়াশোনা চালিয়ে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তারা।তবে এই কঠিন পথচলায় কয়েকজন মানুষের সহযোগিতা রাব্বির জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছে।

আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) গবেষক ও চিকিৎসক ফেরদৌস কাদেরী ব্যক্তিগত উদ্যোগে তার পড়াশোনার ব্যয় বহন করে আসছেন। অন্যদিকে স্থানীয় শিক্ষক মো. ওসমান বিনা পারিশ্রমিকে তাকে কোচিং করিয়ে সহযোগিতা করছেন। ভবিষ্যৎ নিয়ে রাব্বির স্বপ্ন আরও বড়। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে বিজ্ঞানী হতে চান তিনি।

২২ বছর পিছিয়ে গেল চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ড, কমেছে পাসের হার ও জিপিএ-৫

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে। এই বোর্ডে পাসের হার ৫২ দশমিক ০৭ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ জন শিক্ষার্থ। গতবার পাসের হার ছিল ৫২ দশমিক ৫৭। জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬ হাজার ৯৭ জন।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে ফলাফল ঘোষণার সময় এ তথ্য জানান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আব্দুল মান্নান, সচিব প্রফেসর মোহাম্মদ জহিরুল হক স্বপন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেন। সব মিলিয়ে এবার পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৬৮৮ জন। ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ এবং ছাত্রীদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, চট্টগ্রাম নগরে পাসের হার ৬৬ দশমিক ২০ শতাংশ। আর নগর বাদে জেলায় পাসের হার ৪৫ দশমিক ৫৯। তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে পাসের হার ৩৩ দশমিক ২৪ শতাংশ। খাগড়াছড়িতে ২৯ দশমিক ৮৫ ও বান্দরবানে ৪১ দশমিক ৪২। অন্যদিকে কক্সবাজার জেলায় পাসের হার ৪৩ দশমিক ৩৪।বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৪ দশমিক ৪২। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৫৪ দশমিক ১৪ ও মানবিকে ৩৮ দশমিক ৩১।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে। গত ২২ বছরের মধ্যে এটিই বোর্ডটির সর্বনিম্ন পাসের হার। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও গত বছরের তুলনায় অর্ধেকের বেশি কমেছে।
বোর্ডের সংরক্ষিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার ছিল ৪৭ দশমিক ৭৩ শতাংশ। এরপর ২০০৫ সালে পাসের হার ছিল ৫৫ দশমিক ৫ শতাংশ। গত ২২ বছরে পাসের হার আর এত নিচে নামেনি। এমনকি করোনা-পরবর্তী ২০২১ সালে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ এবং ২০২২ সালে ৮০ দশমিক ৫০ শতাংশ।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এবার মোট নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী ছিলেন ৯৯ হাজার ৮৭৯ জন। তাদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেন ৯৬ হাজার ৩৩৫ জন। পাস করেছেন ৫০ হাজার ১৬৬ জন।পাসের হার ও জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রে এবারও ছাত্রদের চেয়ে ছাত্রীরা এগিয়ে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ৫৪ হাজার ৬৭১ জন ছাত্রীর মধ্যে পাস করেছেন ২৯ হাজার ৮২২ জন। তাদের পাসের হার ৫৩ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, ৪১ হাজার ৬৬৪ ছাত্রের মধ্যে পাস করেছেন ২০ হাজার ৩৪৪ জন। তাদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৬২ শতাংশ।

এবার জিপিএ-৫ পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৯ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ৯৭ জন। ২০২৪ সালে জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১০ হাজার ২৬৯ জন। অর্থাৎ, দুই বছরের ব্যবধানে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি থেকে কমে ৩ হাজারের নিচে নেমেছে। এবার জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রী ১ হাজার ৫৯৬ জন এবং ছাত্র ১ হাজার ৩৩৩ জন।
এবার বোর্ডের অধীন ২৮৩টি কলেজের মধ্যে তিনটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। গত বছর এমন কলেজের সংখ্যা ছিল পাঁচটি। অন্যদিকে, শতভাগ পাস করেছে মাত্র ছয়টি কলেজ। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল আটটি এবং ২০২৪ সালে ১৩টি।এ ছাড়া এবার এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ২২ হাজার ১১৪ জন শিক্ষার্থী, যা মোট পরীক্ষার্থীর ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ। পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে বহিষ্কার হয়েছেন ২৭ জন।

আলোচিত খবর

১২ লাখ ৭০ হাজার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ আগামীকাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল আগামীকাল শনিবার প্রকাশিত হতে যাচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া সারা দেশের ১২ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থীর দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটছে।আগামীকাল সকাল ১১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।


অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগের সচিব, সকল বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন।
উদ্বোধনের পরপরই পরীক্ষার্থীরা একযোগে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে https://eduboardresults.gov.bd I https://educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে ফল জানা যাবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ